চাঁদপুর, বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬, ১৩ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


১৬। এবং আকাশ বিদীর্ণ হইয়া যাইবে আর সেই দিন উহা বিশ্লিষ্ট হইয়া পরিবে।


১৭। ফিরিশ্তাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকিবে এবং সেই দিন আটজন ফিরিশ্তা তোমার প্রতিপালকের আরশকে ধারণ করিবে তাহাদের ঊধর্ে্ব।


 


assets/data_files/web

বেদনা হচ্ছে পাপের শাস্তি।


-বুদ্ধদেব।


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


মক্কা মদিনায় জামাত নেই, বাংলাদেশে কেন?
মাওঃ মোঃ মোশাররফ হোসাইন
০৮ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:১৩:৩৬
প্রিন্টঅ-অ+


করোনা ভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। বর্তমানে প্রায় ১৮০টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে এ ভাইরাস, বিশ্বব্যাপী ৭০ হাজারেরও বেশি মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাখের বেশি। আমাদের দেশে নতুন আক্রান্ত ৪১ সহ মোট ১৬৪, মৃত্যু ১৭।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক দিনের মধ্যে পনের লাখে পৌঁছে যেতে পারে। নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হয়েছে, যেমন : চায়না ভাইরাস, করোনা ভাইরাস, নভেল করোনা ভাইরাস, নতুন ভাইরাস, রহস্য ভাইরাস ইত্যাদি। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯। ‘করোনা’ শব্দটি গ্রিক ভাষায় ব্যবহৃত হয়। আক্ষরিক অর্থ হলো পুষ্পমাল্য বা পুষ্পমুকুট। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের তলায় এই পরিবারের ভাইরাসকে অনেকটা রাজার মাথার মুকুটের মতন দেখায়, সেই থেকে এই নামকরণ। জ্যোতির্বিদরা বলেন : সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল যে আলোর বলয়, সাধারণভাবে পূর্ণগ্রাস গ্রহণের সময়ই কেবল দেখা যায়, তা ওই মুকুটের মত দেখায় বলে ধারণা করা হয়। এ থেকেই করোনার নামকরণ। অন্যসকল ভাইরাসের মতো এরাও জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য কোন না কোন একটা প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে।

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বাইরে গিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক খুঁজে পেয়েছেন সুশীল সমাজ। বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মুসলমানের সবচেয়ে মর্যাদা ও সম্মানের স্থান পবিত্র মক্কা ও  পবিত্র মদিনা। পবিত্র মক্কায় অবস্থিত মুসলমানদের কেবলা এবং পবিত্র মদিনায় অবস্থিত মুসলানদের আদর্শ নবী (সাঃ)-এর রওজা শরীফ। বাইতুল্লা শরীফে এক রাকাত নামাজ আদায় করলে এক লক্ষ রাকাতের সওয়াব পাওয়া যায়। মদিনায় এক রাকাত নামাজ আদায় করলে পঞ্চাশ হাজার রাকাতের সওয়াব পাওয়া যায়। এ ফজিলতপূর্ণ মসজিদ দুটিতে জামাতে নামাজ আদায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সরকার। কারণ বিশ্বব্যাপী যখন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এবং সৌদি আরবের কিছু সংখ্যক লোক আক্রান্ত হয়েছে, ঠিক তখন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের সরকার। আরেকটি কারণ উল্লেখযোগ্য, পৃথিবীর সকল দেশ হতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ হজ ও উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব প্রবেশ করেন। বর্তমানে যখন প্রায় ১৮০টি রাষ্ট্র এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তখন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার। দেশটির অন্য সকল মসজিদেও জামাতে নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েত, কাতার, ইরান, ইরাক, দুবাই, আরব আমিরাত, মিশরসহ বিশ্বের প্রায় দেশের মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সকল মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ হলেও আযান বন্ধ করা হয়নি। সকল মসজিদে আযান হচ্ছে। পৃথিবীর কোনো একটি মসজিদও নেই যে করোনা ভাইরাসের কারণে আযান বন্ধ করা হয়েছে। স্পেনে ৮০০ বছরের বন্ধ করা মসজিদ খুলে দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের সুশীল সমাজ কোমর বেঁধে নেমেছে কিভাবে মসজিদে জামাতে নামাজ পড়া বন্ধ করা যায়। প্রমাণ স্বরূপ ভারতে দক্ষিণ দিল্লির পশ্চিম নিজামুদ্দিনে অবস্থিত তাবলিগ জামাতের প্রধান মারকাজের কথা উল্লেখ করছেন তাঁরা। আগত লোকদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়ায়  মাওঃ সা’দ-এর বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে এবং মসজিদে জামাতে নামাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ এ করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত নয়। এতে সুশীল সমাজের দাবি হলো, এ দেশের মসজিদগুলো বন্ধ করতে পারলে হয়তো দেশ এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে পারবে। কিন্তু গত ০৪/০৪/২০২০ তারিখে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পাঁচ লক্ষ গার্মেন্টস কর্মী সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে পায়ে হেঁটে কিংবা ট্রাকে করে মিছিলের মতো কর্মস্থল অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এ গার্মেন্টসকর্মী দ্বারা গোটা দেশে সহজেই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। এ বিষয়ে গার্মেন্টস মালিক সমিতির বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা বা অভিযোগ নেই। সুশীল সমাজের যুক্তি হলো মক্কা মদিনায় জামাত নেই, বাংলাদেশে কেন?

প্রিয় পাঠকবৃন্দ! আমরা এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজ করব কোরআন, হাদিস, সৌদি আরব, কুয়েতসহ আরবদের আলেমদের ফতোয়া এবং বাংলাদেশের আলেমদের ফতোয়ার মাধ্যমে।

এক : পবিত্র কোরআন মাজীদ: করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের চেয়ে বাঙালির কৌতূহল বেশি। এর নানা ব্যাখ্যায় সামাজিক ও গণমাধ্যম সরগরম। কারো কাছে প্রকৃতির লীলা খেলা, আবার কারো মনে হচ্ছে বিশ্ব মোড়লদের কূটচাল। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অসহায়ত্ব সারা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। আপনজনের মৃত্যুতে তার পাশে থাকার সুযোগ নেই। এর চেয়ে যন্ত্রণার আর কিছু হতে পারে? উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অজানা এ ভাইরাসের কাছে পরাস্ত হয়ে লকডাউন হয়ে যাচ্ছে। দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার সার্মথ্য নিয়ে তাঁরা চিন্তিত। আর সেখানে বাংলাদেশের প্রস্তুতি যে যথেষ্ট নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রোগ আর রোগীর পরীক্ষা নিয়েই চলছে হিমশিম অবস্থা। যদিও এখন পর্যন্ত সংখ্যা কম। এর ভয়াবহতা বাড়ার শঙ্কা যে রয়েছে তা অন্য দেশ থেকে অনুমেয়। এ সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশের মুসলমান মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করার বিষয়ে স্মরণ রাখতে হবে মহান আল্লাহর বাণী : তোমরা নিজেদের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না (সূরা বাকারা-১৯৫)। অন্য আয়াতে আল্লাহ আরও বলেন : তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু (সূরা নিসা-২৯)। কোন ব্যক্তি নিজেকে অস্ত্রের উপর নিক্ষেপ করে যদি বলে, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি, আমি একজন মুসলিম অথবা কোন ব্যক্তি নিজে বিষ গ্রহণ করে যদি বলে, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি, আমি একজন মুসলিম আর নিয়ত করলো আল্লাহ আমাকে রক্ষা করবে। এসব কথা বলা জায়েয বা বৈধ নয়, বরং তাঁকে মৃত্যুর কারণ থেকে দূরে রাখতে হবে।

দুই : আল-হাদিস : মহামারি প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এটি আল্লাহর গজব বা শাস্তি, বনী ইসরাঈলের এক গোষ্ঠীর ওপর এসেছিল, তার বাকি অংশই হচ্ছে মহামারি। অতএব, কোথাও মহামারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেয়ো না। (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ১০৬৫)

তিন : ফিকাহ্  : মসজিদের জামাত ত্যাগ করা যায় ১৮(আঠার) টি কারণে : ১. মুষলধারে বৃষ্টি বা চলার পথ পিচ্ছিল হলে, ২. প্রচ- ঠা-া বা ঘর থেকে বের হলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকলে, ৩. রাস্তায় বেশি কাদা থাকলে, ৪. অন্ধকার বেশি থাকলে, ৫. যদি রাত্রে অতিমাত্রায় মেঘ থাকে, ৬. অসুস্থ হলে, ৭. দৃষ্টিহীন ব্যক্তি হলে, ৮. এমন বৃদ্ধ, যিনি মসজিদে আসতে সক্ষম নন, ৯. কোন রোগীর সেবা শুশ্রƒষায় আত্মনিয়োজিত থাকলে, ১০. ঘন ঘন প্র¯্রাব-পায়খানার বেগ থাকলে, ১১. বন্দী অবস্থায় থাকলে, ১২.এক পা বা উভয় পা কাটা থাকলে, ১৩.এমন রোগ হওয়া, যার কারণে চলতে অক্ষম, ১৪.খানা সামনে, সেও ক্ষুধার্ত, মনের আকর্ষণ খানার দিকে থাকলে, ১৫. সফরের প্রস্তুতি গ্রহণের সময়, ১৬. জামাতে নামাজ আদায় করতে গেলে কোন সম্পদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, ১৭. জামাতে যাওয়ার কারণে ট্রেন, ফ্লাইট বা গাড়ি চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে, ১৮. যদি কোন আত্মীয়ের মৃত্যুর আশঙ্কা করে, যার কাছে সে উপস্থিত আছে। (সূত্র : মারাকিল ফালাহ বিআমদাদিল ফাতাহ শরহে নুরুল ইজাহ ওয়া নাজাতুল আরওয়াহ, (হাসান ইবনে আম্মার , দারুল কুবুল আলামিয়্যা, বৈরুত, লেবানন, পৃ.১১১)।

চার : সৌদি আরব, মিশর, কুয়েত, ইরাক, ইরান, বাহারাইন, ফিলিস্তিন, লেবানন, আরব আমিরাতসহ সকল দেশে শীর্ষস্থানীয় ওলমায়ে কেরাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, বর্তমান করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে মুসলিম বিশ্বের যে সকল অঞ্চলে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে ওই সকল অঞ্চলে মসজিদে শুধু আযান হবে, কোনো জামাত হবে না। তবে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জেন ও খাদেমসহ জামাত আদায় করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জামাত বন্ধ করবে, কিন্তু কোনক্রমে আযান বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ জনগণ নিজ নিজ গৃহে নামাজ আদায় করবে।

পাঁচ : বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরাম : এ সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরাম একমত পোষণ করেছেন, সরকার যেসব এলাকায় কারফিউ বা লকডাউন জারি করেছে, অথবা যেসব এলাকায় ভিড় জমায়েত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, সেসব এলাকার মসজিদগুলোকে বন্ধ না করে মসজিদ কর্তৃপক্ষের উচিত কোনো একটি পন্থা বের করা। যেনো মসজিদের আবাদ রক্ষা পায়, আবার দেশের আইনও লঙ্ঘন না হয়। এটা এভাবে করা যায়, যেসব এলাকায় লোকসমাগমে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেসব এলকার মসজিদগুলোতে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ জামাত চালু রাখবে। আর অন্যান্য মুসল্লি তাদের ঘরে নামাজ আদায় করবে।

ছয় : বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে চলছে, সে অবস্থায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতে মুসল্লির সংখ্যা পাঁচ জনের বেশি হতে পারবে না অর্থাৎ খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জেন ও খাদেম মিলে জামাত আদায় করবে, কোনো ক্রমেই অন্য মুসল্লিকে মসজিদে আসতে দেয়া যাবে না। এবং জুমার নামাজে দশ জনের বেশি হতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, নিদিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখে জামাতে নামাজ আদায় করবে।

সাত : মতামত : বাংলাদেশে এ সংকটময় মুহূর্তে মুসলিম ভাইদের করণীয় হলো, নিজ নিজ গৃহে নামাজ আদায় করা। এ মসিবতের কারণে নিজ গৃহে নামাজ আদায়ের করার কারণে মনের যে আবেগ তাতে আল্লাহ তাকে জামাতে নামাজ আদায় করার সমপরিমাণ সাওয়াব দান করবেন। খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জেন ও খাদেমদের উচিত হবে আযান দেয়ার পরপরই জামাতে দাঁড়িয়ে যাওয়া। এতে করে কিছু মুসল্লি যদি পূর্ব থেকেই এসে যায় তাদের নিয়ে নামাজ আদায় করবে। এবং মসজিদের বারান্দা খোলা রাখবে, যাতে করে সাধারণ মুসল্লিগণ একাকী নামাজ আদায় করতে পারে। তবে স্মরণ রাখতে হবে, নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সরকারের আইনকে কে শ্রদ্ধা করি, নিজে বাঁচি, অন্যকে বাঁচানোর চেষ্টা করি। কখনো নিজের দ্বারা অন্যের ক্ষতি করব না। মাস্ক ব্যবহার করব, বেশি বেশি সাবান দিয়ে হাত ধৌত করব। মোসাফাহ, আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকি। নিজ গৃহে প্রবেশ করে হেক্সিসল ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হই। আমিন।

লেখক : খতিব, কালেক্টরেট জামে মসজিদ ও প্রভাষক (আরবি), মান্দারী আলিম মাদ্রাসা, চাঁদপুর।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৬৮৮৯০
পুরোন সংখ্যা