চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২১ মে ২০২০, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ রমজান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


১২। আমি ইহা করিয়াছিলাম তোমাদের শিক্ষার জন্য এবং এইজন্য যে, শ্রুতিধর কর্ণ ইহা সংরক্ষণ করে।


১৩। যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হইবে-একটি মাত্র ফুৎকার।


 


শান্তির প্রকাশ সবসময়েই সুন্দর ও সহজ হয়।


-ওয়াল্ট হুইটম্যান।


 


 


 


যারা শিক্ষালাভ করে এবং তদনুযায়ী কাজ করে, তারাই প্রকৃত বিদ্বান।


 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কৃষিতে আর্থিক প্রণোদনা এবং বাংলাদেশে বস্নু ওশেনের অমিয় সম্ভাবনা
ড. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন
২১ মে, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


করোনার সুকঠিন প্রভাবে সারা বিশ্বজুড়ে নানা ধরনের কঠিন সিদ্ধান্ত সমূহের কারণে অচিরেই খাদ্যসঙ্কট প্রকটতর হয়ে উঠতে পারে। জাতিসংঘের সূত্র ধরে বিজ্ঞানীদের মতে, খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থাপনার জন্য এখনই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ না করলে প্রায় ৫০ কোটির মতো জনসংখ্যা কঠিন খাদ্য সমস্যায় পড়ে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে দেশে বন্ধ করে ফেলতে বাধ্য হচ্ছে অ্যাপল, স্যামসাং সহ বহু বহুজাতিক কোম্পানী। ফলে বেকারত্বের এক ভয়ালরূপ তৈরি হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। বেকারত্ব, বিশ্বমন্দা এখন ঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে যাচ্ছে বহু উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের কোটি কোটি মানুষ (জাতিসংঘ)। মন্দার কথাই যদি বলি, তাহলে একটু তাকাতে হবে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার মার্কেটের দিকে, কত বিলিয়নিয়ার নিমিষেই তাদের পদবী হারাচ্ছে। করোনার প্রভাবে এক মাসে আমেরিকার শেয়ার মার্কেট ২৭.৯৫%, ইউকের ২৯.৭২%, জার্মানির ৩৩.৩৭%, ফ্রান্সের ৩৩.৬৩% এবং ভারতের ১৭.৭৪% হ্্রাস পেয়েছে (সূত্র : ওয়ার্লডোমিটার্স ১২ই মার্চ, ২০২০)। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট গত ২৬শে মার্চ থেকে অদ্যাবধি বন্ধ। ফলে বিনিয়োগকারিরা কী পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়। বার্ষিক লভ্যাংশ আমেরিকাতে ২৭% হ্্রাস পাচ্ছে এবং ইইউ-তে ৩৭%, জিডিপি প্রবৃদ্ধি আমেরিকাতে কমতে পারে ৬.১% এবং ইইউতে ৬.৯%। বিশ্ব ব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি শূন্যে নেমে যেতে পারে। অতএব আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের কী হবে সেটা ভাবাও অনেক কঠিন। মুসলমান হিসেবে আমি শুধু এতটুকুই বলবো যে, 'আল্লাহ সুবহানোতায়ালা উত্তম হেফাজতকারী'। কিন্তু আমাদের দায়িত্বে থাকা বিষয়গুলো আমরা কিছুতেই এড়াতে পারবো না।



করোনা সময়ে এবং করোনা উত্তর দীর্ঘস্থায়ী ভাবে মানুষকে ক্ষুধা ও মন্দা থেকে বাঁচাবার ব্যবস্থা করা এবং নিজেদের একটি পরিপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পবিত্র বিষয়, যেটিকে নিয়ে আসতে হবে সবার সামনে, যদি আমরা মানুষকে বাঁচাতে চাই এবং সাথে সাথে একটি স্বর্নিভর জাতি হিসেবে নতুন যোগ্যতা প্রকাশ করতে চাই। অতএব দক্ষ ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত বিষয়গুলো খুবই সতর্কতার সাথে কিন্তু কার্যকর ভাবে খুব গতিশীলতার সাথে চিন্তা এবং কর্ম পরিকল্পনা কে এক করে একটি অথবা বেশ কয়েকটি ওয়ার্ক ফোর্সের মাধ্যমে একটি খুব উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মনিটরিং কমিটির অধীনে এখনই নেমে পড়তে হবে। যে বিষয়গুলোকে আমাদের সামনে রেখে কৌশলগত কার্যসম্পাদন করতে হবে, তন্মধ্যে রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা এবং অনতিবিলম্বে আসা বাজেটের আরো ৯ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা। যাতে রয়েছে কৃষির জন্য অভ্যুত্থান সৃষ্টির এক অপূর্ব সুযোগ, যদি তা সুচারুরূপে মনিটরিং করে এর প্রকৃত ফলাফল বের করে আনা যায়। প্রথমত এই টাকা প্রকৃত কৃষকের কাছে সঠিক ভাবে, সঠিক সময়ে পেঁৗছানো, তারপর কৃষক সে টাকা উপযুক্ত ব্যবহার করছে কিনা এ বিষয়টিকে নিশ্চিত করা এবং সাথে সাথে কৃষকের উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা ও তা কৃষকের হাতে তুলো দেওয়া। এক্ষেত্রে প্রযুক্তি, কৃষকের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এবং ব্যাংক হিসাব খুব ভালভাবে পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন করতে হবে।



বাস্তবায়নের কৌশল কিভাবে হবে



আমাদের দেশের কোথাও এক খ- জমিও খালি থাকতে পারবে না। বাড়ির আঙ্গিনা থেকে শুরু করে, মাঠ ঘাট, কৃষি আবাদী, অনাবাদী, সরকারি খাসজমি, স্কুলের সামনের মাঠের চারপাশ, ঘরের ছাদ, পুকুরের পাড়, পুকুর বা দিঘির পানির উপরিভাগ এমনকি জেলখানায়, ক্যান্টনমেন্ট-এর খালি অংশগুলোকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে যে সব ফল অথবা সবজি চাষ করা যায় তা এখনই শুরু করতে হবে। আরো একটি বড় পরিসরের জায়গা হচ্ছে বাড়ির ছাদ। এখানে লক্ষ লক্ষ একর জমির পরিমাণ জায়গা আছে, যা আমরা খুব সহজে কাজে লাগাতে পারি। আজকে কেউ বসে থাকলে চলবে না। ক্ষমতাসীন, বিরোধীদল প্রত্যেককে হাতে হাত মিলাতে হবে এবং এই কাজে যে যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।



কে, কোথায় কিভাবে কাজ করছে এবং করবে তার অগ্রগতির সচিত্র প্রতিবেদন থাকতে হবে। প্রথম দু মাস প্রতিদিনের প্রতিবেদন এবং তারপর সাপ্তাহিক প্রতিবেদন মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পেঁৗছাতে হবে। খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি অধিদপ্তর, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এ দেশের বড় বড় কৃষি উপকরণ উৎপাদক, বিক্রেতাকে নিয়ে একটি ওয়ার্ক ফোর্স দক্ষতার সাথে ওয়ার্ক প্ল্যান তৈরি করবে। ওয়ার্ক প্ল্যান এবং ওয়ার্ক ফোর্সগুলোর বেশ কয়েকটি বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। সাথে আমাদের সমস্ত আইন শৃংখলা রক্ষাকারীি বিিহনী যেমন- আর্মি, বিজিবি, পুলিশ, আনসার সবাই এই কাজের সার্বিক সহযোগিতা, এমনকি কোনো কৃষি কাজে রোপণ করার প্রয়োজন হলে তাও যেন করে ফেলে। খুব উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মনিটরিং কমিটি এই প্রকল্পটিকে অত্যন্ত সাবলীল ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে শাইখ সিরাজ স্যারকে প্রধান করে তাঁর বিবেচনায় ৭-৮ জনের এই কমিটি তৈরি করে দ্রুততার সাথে কাজ শুরু করে দিতে হবে। শাইখ সিরাজ স্যার-এর নামটি এই কারণেই আনা হলো যে, বাংলাদেশের কৃষি এবং কৃষকের সাথে রয়েছে তাঁর অনন্য সম্পর্ক। প্রযুক্তিকে একেবারে প্রথম দিন থেকে ব্যবহার শুরু করতে হবে। এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফোরজি টেকনোলজি কৃষিতে প্রয়োগ করে কৃষির উৎপাদন খরচ অর্ধেক কমানো সম্ভব হচ্ছে। এ বিষয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয় মোস্তফা জব্বার স্যার ব্যাপক জ্ঞান রাখেন এবং তিনি খুব সুদৃঢ়ভাবে এটা ধারণ করছেন।



সার, বীজ, কীটনাশক এবং অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়গুলো সম্পাদন



সার, বীজ, কীটনাশক এবং অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়গুলো খুব সুচারুরূপে সম্পাদনের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। সাথে সাথে প্রতিটি পাইকারী, খুচরা বিক্রেতা এবং ডিলারকে কাজে লাগাতে হবে, যেন তারাও এ কাজটিকে নিজের কাজ মনে করে প্রতিটি ব্যক্তিকে সহযোগিতা প্রদান করে। এখন থেকেই যদি আমরা কাজ শুরু করে দিতে পারি তাহলে আমরা দু-তিন মাসের মধ্যেই দেখব এক ব্যাপক সম্ভাবনা। করোনা দীর্ঘ সময় ধরে থাকলেও ইনশাআল্লাহ মানুষ না খেয়ে মরবে না। আর করোনা মহামারী যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে চলে যায় তাহলে এটাই বাংলাদেশের জন্য আরেকটি যুগান্তকারী সফলতা বয়ে আনবে।



কৃষকদের জন্য আরো বিশেষ কিছু প্রণোদনার ব্যবস্থা করা



বাংলাদেশের জন্মের আগে ও পরে যে কৃষক নিজেদের সর্বোচ্চ উজাড় করে আমাদেরকে সব চাইতে প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী সরবরাহ করছে, তাদেরকে সম্মান করার এর চাইতে উপযুক্ত সময় আর হবে না। যে দেশের মাটিই হচ্ছে সোনা, সে দেশের কৃষক অবশ্যই সম্মানিত হওয়া উচিত। একজন প্রকৃত অবদানকারী কৃষক সিআইপি মর্যাদা পাবেন। দশজন প্রকৃত অবদানকারী কৃষক ভিআইপি মর্যাদা পাবেন। অন্যান্য দেশ থেকে কৃষি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা। ১০০০ কৃষক যদি ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার পায় তাদের উৎসাহে কৃষিতে ১ লাখ গর্বিত কৃষক তৈরি হবে, যারা দেশের আমূল পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি হতে পারে। কৃষক ধোঁকা দিবে না, বিশ্বাসঘাতকতা করবে না বরং এরাই হতে পারে নতুন প্রজন্মের জন্য অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট প্রদান সহ তাদের সন্তানদের জন্যও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। যারা কম খরচে, কম বিদ্যুৎ ব্যয়ে, সবর্ে্বাচ নিষ্ঠার সাথে সর্বাধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হবে তাদেরকে জাতীয় বীরের সম্মাান, তাদের কর মওকুফ ও অন্যান্য আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া। ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা রাখা দরকার সেই কৃষকদেরকে পুরস্কৃত করার জন্য, যারা এই প্রণোদনা পাওয়ার মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করবে। সরকার যদি এই ঘোষণা দেন যে, ১০০০ কৃষককে ১ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হবে তদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ, তাহলে আমার মনে হয় অনেক ভাল ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্য কৃষকশ্রেণীকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করতে হবে। যেমন :



১। চাল, গম, তৈল ও অন্যান্য রবি শস্য উৎপাদনকারী কৃষক- ৪০০ জন;



২। ফল উৎপাদনকারী কৃষক-২০০;



৩। ফুল উৎপাদনকারী- ২০০;



৪। অন্য উৎপাদনকারী-২০০



এখানে আরো একটি বিষয়কে অবশ্যই নিয়ে আসা জরুরি বলে মনে করছি যে, টিম ফোর্স নামে একটি উপদেষ্টা কমিটি কাজ করবে, তাদের জন্যও সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকৃতি থাকা খুবই প্রয়োজন।



বণ্টন এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনা



খুব উৎপাদন হলো, কৃষক কৃষাণীর চোখে মুখে হাসি, কিন্তু সঠিক বন্টন ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে অচিরেই সেই হাসি মিলিয়ে যায়। কৃষক তার ন্যায্যমূল্য পায় না। অবিক্রিত পণ্য পুড়িয়ে ফেলে, রাস্তায় ফেলে অথবা স্টোরেজের অভাবে খুব দ্রুত পচে যায়। এ অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য এবং কৃষকের হাতে তার শ্রম ও পণ্যের প্রকৃত মূল্য তুলে দেওয়ার জন্য সরকারকে দৃঢভাবে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন :



* মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্ম্যকে কঠিন হস্তে দমন করা।



* পণ্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও নিশ্চিত করা।



* যে কোন ধাপে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স থাকতে হবে।



* পর্যাপ্ত স্টোরেজের, গুদাম ঘরের ব্যবস্থা করা।



* বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন চেম্বার অব কমার্স, দেশের বাইরে খুব ভালোভাবে মার্কেট তৈরির চেষ্টা করবে। করোনার কারণে আজ অনেক দেশে ভোগ্য পণ্যের দারুণ সঙ্কট এবং এটাকে ভালোভাবে আমাদের পক্ষে কাজে লাগাতে হবে।



* পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আমাদের অ্যাম্বাসেডরদেরকে আমাদের দেশীয় কৃষিজ পণ্য এবং এগুলোর গুণাবলি তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়ার সাথে সাথে নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য সুদৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।



একদিকে যেমন পৃথিবীর বড় বড় দেশ ক্ষুধা এবং খাদ্য সামগ্রীর অভাবে ভুগবে, অন্যদিকে বাংলাদেশ তা অপ্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে মার্কেট সৃষ্টির জন্য সুযোগ গ্রহণ করবে। কোটি কোটি ডলার রপ্তানী সম্ভব হবে উদ্বৃত্ত খাদ্যসামগ্রী থেকে। ব্যাপক থেকে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থা তৈরি হবে। নতুন নতুন কৃষিজাত শিল্পকারখানা করার এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি হবে।



সতর্কতা :



একটি বিষয়কে অবশ্যই খুব গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। তা হলো লোকবল নির্বাচন। এক্ষেত্রে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে যারা কর্মঠ, সৎ, নিষ্ঠাবান এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন। এখানে কোনো একটি ধাপে যদি চোর, ঘুষখোর মোনাফেক কিংবা দলীয় শক্তি খাটানোর মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক ঢুকে পড়ে তাহলে অন্য ধাপগুলোতে আগানো অন্যদের জন্য অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে এবং তা অসম্ভবও হয়ে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে যে কোনো দুর্নীতি ধরা পড়া মাত্র সাথে সাথে তার শাস্তি এবং চাকুরি চ্যুতির মতো কঠিন সিদ্ধান্ত আনাও জরুরি।



লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ, ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আই টি (ডিআইআইটি)


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯৬৭৪০৭
পুরোন সংখ্যা