চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ জিলহজ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর মহাস্মশানে অন্তেস্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে || চাঁদপুর অযাচক আশ্রমের অধ্যক্ষ সুখরঞ্জন ব্রহ্মচারী আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকার বারডেমে লাইফ সপোর্টে থাকা অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৩-সূরা মুয্যাম্মিল


২০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। তোমার প্রতিপালক তো জানেন যে, তুমি জাগরণ কর কখনও রাত্রির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কখনও অর্ধাংশ এবং কখনও এক তৃতীয়াংশ এবং জাগে তোমার সংগে যাহারা আছে তাহাদের একটি দলও এবং আল্লাহই নির্ধারণ করেন দিবস ও রাত্রির পরিমাণ। তিনি জানেন যে, তোমরা ইহা পুরাপুরি পালন করিতে পারিবে না, অতএব আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাপরবশ হইয়াছেন। কাজেই কুরআনের যতটুকু আবৃত্তি করা তোমার জন্য সহজ, ততটুকু আবৃত্তি কর, আল্লাহ জানেন যে, তোমাদের মধ্যে কেহ কেহ অসুস্থ হইয়া পড়িবে, কেহ কেহ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে দেশ ভ্রমণ করিবে এবং কেহ কেহ আল্লাহর পথে সংগ্রামে লিপ্ত হইবে। কাজেই তোমরা কুরআন হইতে যতটুকু সহজসাধ্য আবৃত্তি কর। অতএব সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহকে দাও উত্তম ঋণ। তোমরা তোমাদের নিজেদের মঙ্গলের জন্য ভাল যাহা কিছু অগ্রিম প্রেরণ করিবে। তোমরা তাহা পাইবে আল্লাহর নিকট। উহা উৎকৃষ্টতর এবং পুরস্কার হিসাবে মহত্তর। আর তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট; নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


 


 


জনসমর্থনহীন সরকারের পতন অবধারিত।


-জ্যোতি বসু।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


ফটো গ্যালারি
স্বাস্থ্য খাতে নৈরাজ্য যে কোনো মূল্যে রুখতে হবে
গাজী সালাহউদ্দিন
১৩ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাধারণত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইত্যাদি একমাত্র ভরসার জায়গা মনে করে মানুষ সে সকল জায়গায় শরণাপন্ন হয়। আর এই জায়গাগুলো মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজন ছিল। অথচ সামপ্রতিক সময়ে স্বাস্থ্য খাতে বেশ কিছু অনিয়ম, প্রতারণা, দুর্নীতি ও জালিয়াতির সন্ধান পাওয়ায় মানুষের কাছে সবচাইতে অনাস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে এ স্বাস্থ্য খাতটি।



মাফিয়া আর প্রতারকই স্বাস্থ্য খাতটিকে রাক্ষসের মত গিলে খেয়ে বসে আছে। দুর্নীতি-অনিয়ম বলতে যা বুঝায়, কী হয়নি স্বাস্থ্য খাতে! চিকিৎসা নিয়ে নয়ছয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার টেস্ট নিয়ে প্রতারণা, নিয়োগে ঘাফলা ও প্রশ্ন ফাঁস, টেন্ডারগুলো সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ সব অরাজকতা হয়েছে এ স্বাস্থ্যখাতকে ঘিরে। স্বাস্থ্যখাতে এমন অরাজকতা ও নৈরাজ্যের কারণে দেশে-বিদেশে সব জায়গায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে চরমভাবে। চিকিৎসা খাতে প্রতারণা, জালিয়াতি, অব্যবস্থাপনা, ভোগান্তি ইত্যাদি কারণে মানুষ এখন হাসপাতাল বিমুখ হয়ে গেছে প্রায়। চিকিৎসা সেবায় আস্থা না থাকায় কোভিড-নন কোভিড তেমন কোনো রোগীই যেতে চাচ্ছে না হাসপাতালগুলোতে। সমপ্রতি করোনা টেস্টের প্রতারণা ধরতে গিয়ে কেঁচো খুঁড়তে একে একে মিঠু, রাজ্জাক, সাহেদ, সাবরিনা, আরিফ ও শারমিন নামক ভয়ঙ্কর সাপগুলো বের হয়ে আসে একের পর এক। বেরিয়ে আসে এদের স্বাস্থ্যসেবা নামের ইতিকথা।



মিঠু, রাজ্জাক, সাহেদ, সাবরিনা, শারমিন নামের এই প্রতারকরা বছরের পর বছর স্বাস্থ্যখাতে প্রতারণা আর নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আসছে। আর তাদের প্রতারণা আর নৈরাজ্য সৃষ্টির চিত্র তুলে ধরার জন্যই মূলত লেখাটির প্রয়োজনবোধ করেছি।



এক. মিঠু। পুরো নাম মোঃ তাজুল ইসলাম মিঠু। ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান, লেঙ্েিকান মার্সেন্টাইজার ও টেকনোক্রেট লিমিটেডের কর্ণধার। এ সকল প্রতিষ্ঠানের আড়ালেই করতো অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য। ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে গত এক বছরে শত শত কোটি টাকা হাতিয়েছে। সেজেছে স্বাস্থ্যখাতের মাফিয়া ডন। করোনায় যখন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বিপর্যস্ত তখন অতি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ক্রয়ে দুর্নীতি করতে ভুলেনি এ মাফিয়া। পিপিই ও মাস্কসহ অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে দুদকে তলব করা হলেও তাতে সাড়া দেয়নি সে। গত ২৯ জুলাই বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যমতে, গত ১২ বছর ধরে মিঠু সিন্ডিকেটের খপ্পরে স্বাস্থ্যখাত। বেশ ক'জন প্রতারকের ইতিমধ্যে মুখোশ উন্মোচন হলেও রহস্যজনক কারণে সে অধরাই রয়ে গেছে। যতটুকু জানা গেছে, সে দেশ থেকে পালিয়ে আমেরিকায় অবস্থান করছে।



দুই. রাজ্জাক। মাস্ক-পিপিই কেলেঙ্কারির আরেক হোতা সে। মাস্ক, পিপিই কেলেঙ্কারির ঘটনায় জে.এম.আই. গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রাজ্জাককে বেশ ক'দিন আগে দুর্নীতি দমন কমিশনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। (সূত্র : বা. প্র.-২৯.৭.২০) এরপরেও তিনি এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।



তিন. সাহেদ। প্রতারণার সাথে সাহেদ নামটি যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তার উত্থান প্রতারণা দিয়েই। জীবনের শুরু থেকে আটক হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতারণা নিয়েই ব্যস্ত থাকতো সাহেদ। ভয়ঙ্কর প্রতারক সাহেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখা-২ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরকে একটি চিঠি দেয়া হয় (সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন ৯ জুলাই ২০২০) কিন্তু রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, বরং বঙ্গভবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে তার ছিল সরব উপস্থিতি। গত ১০ বছর ধরে রাষ্ট্রের বিশিষ্টজনদের সাথে ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়ে নিজেকে জাহির করতেন ভিআইপি হিসেবে। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তার সম্পর্কে যতটুকু জানা যায়, সে সাবেক সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে বিডি ক্লিক ওয়ান নামে একটি এমএলএম কোম্পানি খুলে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তার পরিচয়ে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক বিমান বন্দর শাখা থেকে ৩ কোটি টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি। এ টাকা ফেরত পেতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলা দুটি বিচারাধীন রয়েছে। এই প্রতারণার টাকায় সাহেদ উত্তরা পশ্চিম থানার পাশে গড়ে তুলেছেন রিজেন্ট কলেজ ও ইউনিভার্সিটি, আরকেসিএস মাইক্রোক্রেডিট কর্মসংস্থান সোসাইটি। যদিও একটি প্রতিষ্ঠানেরও লাইসেন্স নেই। তারপরও দিব্যি চালিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম। কর্মসংস্থান সোসাইটির ১২টি শাখা করে হাজার হাজার সদস্যের কাছ থেকে আত্মসাৎ করেছে কোটি কোটি টাকা। এর আগেও উত্তরায় ৪, ৭ ও ১৩ নম্বর সেক্টরে ভুয়া শিপিং ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার নামে। সাহেদ ধানমন্ডির সেবিডি ক্লিক থেকে রিজেন্ট হাসপাতাল পর্যন্ত প্রতিটি অফিসেই সুন্দরী রমণীদের নিয়োগ দিতো। অফিসের নামে খুলে বসেছে বালাখানা। অনেক প্রভাবশালীকে নিজের অফিসে এনে সুন্দরীদের দিয়ে বাগিয়ে নিতো বড় বড় কাজ। শুধু তাই নয়, সুন্দরী নারীদের দিয়ে অনেক সময় বস্ন্যাকমেইলিং করতো। তাকে আটকের পর বিস্মিত হওয়ার মত আরও অনেক প্রতারণার তথ্য বেরিয়ে এসেছে তার ব্যাপারে।



প্রতারক সাহেদকে আটকের পর অভিযোগের পাহাড় দাঁড়িয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত ২০ জুলাই সোমবার পর্যন্ত ১৫০ টি অভিযোগ পড়েছে তার বিরুদ্ধে।



চার. সাবরিনা। মেয়ে হয়েও ডাঃ সাবরিনা প্রতারণায় পিছিয়ে নেই। অনুমোদন না থাকলেও জেকেজি'র নমুনা সংগ্রহের চুক্তি হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে। ডাঃ সাবরিনার কথিত স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ গড়ে তোলে অনিয়ম আর প্রতারণার স্বর্গরাজ্য। দুজনে মিলে জেকেজি'র আড়ালে গড়ে তোলে ভুয়া রিপোর্ট তৈরির কারখানা। নমুনা সংগ্রহ করলেও তা ফেলে দিয়ে মনগড়া রিপোর্ট তৈরি করে দিতো কম্পিউটারে। অল্প কয়দিনে এভাবে হাতিয়ে নেয় প্রায় কোটি টাকা। নিজের সৌন্দর্যকে পুঁজি করেও বিভিন্ন অপরাধে মেতে ওঠে সাবরিনা। যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সংবাদে ওঠে এসেছে। করোনায় দেশ যখন অচল প্রায়, অসহায় মানুষ জীবন মরণ সন্ধিক্ষণে, এমনি একটা সময়ে টেস্টের নামে মানুষের সাথে এমন প্রতারণা ঘৃণ্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।



পাঁচ. শুধু সাবরিনার প্রতারণায় ক্ষান্ত নয় স্বাস্থ্য খাতটি, সাথে শারমিন নামের আরেকটি প্রতারক মেয়ের নামও উঠে এসেছে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের শিরোনামে। অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সরবরাহ করেছে এন-৯৫-এর স্টিকার লাগানো ভুয়া মাস্ক। মাস্কের গায়ে ভুল বানান দেখে চিকিৎসকরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। এতেই বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। শুরু হয় হৈচৈ। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে শারমিন জাহান আটক হয়।



প্রথমে মনে করেছিলাম করোনাকে আল্লাহর গজব ভেবে কিছু অমানুষ মানুষ হবে। কিন্তু এ ধারণা ভুল প্রমাণিত করে বরং মানুষের ভিতর থেকে কিছু অমানুষ বের হয়ে এসেছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনায় প্রথমে যেখানে মানুষের বেঁচে থাকার কোনো গ্যারান্টি ছিল না, সেখানে অসহায় দরিদ্র মানুষের ত্রাণ চুরি হতে দেখেছি, আত্মসাৎ হতে দেখেছি। যারা দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এই অসৎ কাজগুলোর সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে তাদেরকে কোনো প্রকারেই মানুষ বলা যায় না।



মানুষ নামের এ অমানুষগুলো কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো না কোনো কর্তা ব্যক্তির আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে, ছত্রছায়ায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় তারা দিনের পর দিন ভয়ঙ্কর অপরাধগুলো করে আসছে। যারা এই অপরাধগুলো করে আসছে আমরা সব সময় এদেরকে নিয়েই আলোচনা-সমালোচনা করতে গিয়ে যারা এদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে, আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে টিকিয়ে রেখেছে তাদের ভুলে যাই। যে কারণে আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া অপরাধীরা শেষ পর্যন্ত অধরাই থেকে যায়।



সাবরিনা ও শারমিন নামক নষ্ট-ভ্রষ্ট মেয়েদের যারা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছিল, তাদের মুখোশ উন্মোচন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনারও প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে মিঠু, সাহেদ, রাজ্জাক ও আরিফ নামের প্রতারকদেরদেরও যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে তাদের অপরাধ সাম্রাজ্য তৈরিতে সাহায্য করেছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা এবং তাদের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরি।



এ দুর্নীতিবাজ ও প্রতারকদের কবলে পড়ে স্বাস্থ্যখাত দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হবে তা ভাবাই যায় না। রাষ্ট্রযন্ত্রের কিছু কিছু লোকের আশীর্বাদ না পেলে দেশটি এমন হাইব্রিড দুর্নীতিবাজদের আখড়ায় পরিণত হতো না। যাদের আশীর্বাদে এদের অপরাধ জগৎ হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে, সে আশীর্বাদ দাতা ও পৃষ্ঠপোষকদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। প্রতারক ও দুর্নীতিবাজদের সবাই এখন চিনে গেছে। তাই এদেরকে এবং এদের পৃষ্ঠপোষকদের ঘাড় মটকানোর সঠিক সময় এখনই।



মিঠু, সাহেদ, রাজ্জাক, আরিফ, সাবরিনা ও শারমিন নামক দানবদের হাত থেকে স্বাস্থ্য খাতকে রক্ষা করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে যে কোনো মূল্যে সেটি রুখতেই হবে।



জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিশ্চয়ই এমন দেশটি চাননি, যে দেশটির রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি এভাবে প্রবেশ করবে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে যে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল, সে দেশটি কতিপয় লোকের দুর্নীতির রাহুগ্রাসে পতিত হবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হোক দুর্নীতির রাহুগ্রাস মুক্ত। এই প্রত্যাশাই আমাদের। আর এজন্য দুর্নীতিবাজ ও প্রতারকদের রুখতে তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা, আশীর্বাদ দাতা, মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদেরও ধরতে হবে এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।



লেখক : সাংবাদিক, শিক্ষক ও চারুশিল্পী।



 



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২৪৭৮১
পুরোন সংখ্যা