চাঁদপুর, রোববার ৭ মার্চ ২০২১, ২২ ফাল্গুন ১৪২৭, ২২ রজব ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
কচি-কাঁচাদের প্রিয় খালেদ ভাই
মোঃ মাকসুদুল হক বাবলু
০৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


দেশ ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ, খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আর নেই। এই মহান নিবেদিত মানুষটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ভোর সাড়ে ৫টায় সবাইকে শোক সাগরে ভাসিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। কচি-কাঁচাদের জন্যে এক বিরাট শোকাবহ দিন।



৩ ডিসেম্বর ১৯৯৯, সকল শিশুর প্রিয় মানুষ, ঐতিহ্যবাহী জাতীয় শিশু-কিশোর কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাই মৃত্যুবরণ করেন। দাদাভাই-এর অবর্তমানে সবার মুখে একই প্রশ্ন, কে ধরবে মেলার হাল? এদিকে কিছু ব্যক্তি ষড়যন্ত্র শুরু করে দিলো কচি-কাঁচার মেলাকে কুক্ষিগত করার জন্যে। সারা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মেলার শাখাগুলো চিন্তিত হয়ে পড়লো। অবশেষে সব ভয় বিহ্বলতা কাটিয়ে সব কিছুর সুষ্ঠু সমাধান হয়ে গেল। আমরা শাখা মেলাগুলো যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।



কেন্দ্রীয় মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা হলো। সভায় গোপন ভোটের মাধ্যমে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ পরিচালক নির্বাচিত হলেন দাদাভাই-এর স্থলে। আমরা মনে মনে তা-ই চেয়েছিলাম। কারণ তিনি ছিলেন কচি-কাঁচার মেলার সদস্য, প্রথম আহ্বায়ক (১৯৫৭-১৯৫৯)।



পরিচালকের দায়িত্বগ্রহণকালীন তিনি ছিলেন সক্রিয় উপদেষ্টা। কেন্দ্রীয় মেলার বিভিন্ন কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন নামকরা ব্যাংকার, নির্ভীক লেখক, টিভি ব্যক্তিত্ব হিসেবে সারা বাংলাদেশে তাঁর পরিচিতি। পরিচালক হয়েই তিনি কেন্দ্রীয় মেলার হাল শক্ত হাতে ধরলেন। স্থায়ী আমানত সংগ্রহ করলেন। নিয়মিত কর্মসূচি/কর্মশালা চলতে লাগলো। পাঠাগারকে বর্ধিত ও সুসজ্জিত করলেন। কচি-কাঁচা ভবনের উর্ধ্বমুখী কাজ চলতে লাগলো। বহু বছর ধরে স্থগিত জাতীয় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প (আনন্দ মেলা) ও শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে লাগলো। কেন্দ্রীয় মেলার কো-কারিকুলার ক্লাস সমূহ নিয়মিত চলতে থাকে। প্রতি বছর অসংখ্য কর্মসূচি ও বিভিন্ন কর্মশালা পরিচালিত হতে লাগলো। তিনি প্রায়ই কেন্দ্রীয় মেলার নেতৃবৃন্দ ও শিশু প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন শাখা মেলা সফল করতে থাকেন। মতলব মেলায় তিনি একাধিকবার এসেছেন। তাঁর সফর সঙ্গী ছিলেন কেন্দ্রীয় মেলার যুগ্ম পরিচালক, কূটনীতিক আমজাদ হোসেন, কেন্দ্রীয় মেলার সহ-সভাপতি কবি রুবি রহমান এমপি, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ইয়াহিয়া, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ ফজলুল হাসান খোকন, কেন্দ্রীয় মেলার সাধারণ সম্পাদক আল্পনা চৌধুরী রূপালী ও একদল শিশু প্রতিনিধি।



খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের ব্যক্তিত্ব, পা-িত্য, ক্লান্তিহীন কর্মতৎপরতা, মেলার ভাই-বোনদের প্রতি অনাবিল ভালবাসা কেন্দ্রীয় মেলা ও শাখা মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে খুবই মুগ্ধ করেছে। পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালীন ব্যাংকের মতলব বাজার শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। ব্যাংকের চেয়ারম্যান হাফেজ আহমেদ, পরিচালকবৃন্দসহ মতলব মেলায় আগমন করেন। তাঁরই বদান্যতায় মতলব মেলা পূবালী ব্যাংক থেকে আর্থিক অনুদান লাভ করে।



ব্যক্তিগতভাবে তিনি আমার প্রতি খুবই স্নেহশীল ছিলেন। কেন্দ্রীয় মেলায় গেলে তিনি তাঁর কক্ষে আমার থাকার ব্যবস্থা করেন। সেই থেকে ঢাকা গেলে আমি তাঁর প্রশস্ত কক্ষে অবস্থান করি এবং কেন্দ্রীয় মেলায় থাকতে সব দিক দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কেন্দ্রীয় মেলার অনুষ্ঠানে গেলে বিভিন্ন ব্যক্তি বা মহলে আমার প্রশংসা করেন। তিনি তাঁর অবারিত কর্মতৎপরতা ও নিষ্ঠা দ্বারা কেন্দ্রীয় ও শাখা মেলার ভাই-বোনদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছিলেন।



তিনি এভাবে মেলার অগ্রযাত্রাকে ধাবমান করবেন, এই আশা ছিল আমার তথা কেন্দ্রীয় ও শাখা মেলার ভাই-বোনদের। কিন্তু তিনি অকস্মাৎ চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তাঁর আদর্শ, মেলার ভাই-বোনদের প্রতি অগাধ ভালবাসা যুগ যুগ ধরে আমাদের মনে, কর্মে ও চলার পথে চির জাগরুক থাকুক এই মিনতি।



মহান আল্লাহতায়ালার রহমত তাঁর উপর নাজিল হোক।



লেখক পরিচিতি : মোঃ মাকসুদুল হক বাবলু, সভাপতি, মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা।



 



 



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬। ইহারাই হিদায়াতের বিনিময়ে ভ্রান্তি ক্রয় করিয়াছে। সুতরাং তাহাদের ব্যবসা লাভজনক হয় নাই, তাহারা সৎপথেও পরিচালিত নহে।


 


 


assets/data_files/web

একজন জ্ঞানী প্রশাসক সময়োপযোগী শাসন করেন।


-সিডনি লেনিয়ার।


 


যার মধ্যে বিনয় ও দয়া নেই, সে সকল ভালো গুণাবলি হতে বঞ্চিত।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৬,৪৪,৪৩৯ ১৩,২১,৯৪,৪৪৭
সুস্থ ৫,৫৫,৪১৪ ১০,৬৪,২৬,৮২২
মৃত্যু ৯,৩১৮ ২৮,৬৯,৩৬৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৭৫০৪
পুরোন সংখ্যা