চাঁদপুর, রোববার ৭ মার্চ ২০২১, ২২ ফাল্গুন ১৪২৭, ২২ রজব ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
আসুন জেনে নিই
কেন পড়বেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে
মোঃ সাইফুল ইসলাম খান
০৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষায় বিদেশমুখিতা কমাতে এবং দেশের মানুষের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দেশে বসেই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০২ সালের ২৪ জানুয়ারিতে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী মুখরিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল মাত্র ৬৮ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। মাত্র ক'বছরে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ড্যাফোডিল উঠে আসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক মূল্যায়িত মানসম্পন্ন সেরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের তালিকায়। শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিম-লেও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।



র‌্যাংকিং : সম্প্রতি কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২১-এ এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অবস্থান ৪র্থ। এছাড়াও ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং ২০২১ এবং 'টাইম্স হায়ার এডুকেশন ইউনিভার্সিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিং ২০২০'-এ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে।



ক্যাম্পাস : ঢাকার আশুলিয়াতে প্রায় ১৫০ একর জায়গার ওপর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নাগরিক কোলাহলমুক্ত, পাখির কলকাকলীতে মুখরিত সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমিতে গড়ে উঠেছে শিক্ষাবান্ধব এ ক্যাম্পাস। সর্বাধুনিক শিক্ষা উপকরণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক ম-লী, আবাসন সুবিধা, উন্নত ল্যাবরেটরি, ইনোভেশন ল্যাব, সহ-শিক্ষা কার্যক্রম, বিশাল খেলার মাঠ, যাতায়াত সুবিধা, উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট, টেনিস কোর্ট, গলফ কোর্স, ওয়াইফাইসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এ ক্যাম্পাসকে 'ড্যাফোডিল স্মাট সিটি' হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত বৃত্তির পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০% বৃত্তি সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।



কেন পড়বেন ড্যাফোডিলে : মেধাবী এবং সেরা শিক্ষক ম-লীর তত্ত্বাবধানে আধুনিক এবং যুগোপযোগী সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশানাল ইউনিভার্সিটি। শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য নয় বরং একজন নীতি-নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য। এ জন্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশানাল ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে 'আর্ট অব লিভিং' কোর্স, যা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্যে রয়েছে জিমনেসিয়াম, রয়েছে ইনডোর এবং আউটডোর খেলাধুলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। এছাড়াও সারা বছরই নানা রকম সহ-শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের লুক্কাায়িত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয়। স্টাটআপ মার্কেটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে হাতে কলমে মার্কেটিং, বিপণনসহ ব্যবসার খুঁটিনাটি নানা দিক শেখনো হয়।



বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন ৪৫০ এবং খ-কালীন ২৫০ জন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক ম-লী দ্বারা পাঠদান করা হয়। ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকা-ই সফটওয়ার ও কম্পিউটারাইজেশনের আওতাভুক্ত। যুগোপযোগী তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে এখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়া হয়। প্রতিটি ক্যাম্পাসেই রয়েছে রিভর সুবিধা । বছরে ৩ বার (সপ্রিং, সামার এবং ফল তিনটি সেমিস্টারে) ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে।



অনুষদ ও বিভাগ : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৫টি অনুষদে মোট ২৪টি বিভাগ রয়েছে। বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে রয়েছে : কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, মাল্টিমিডিয়া এন্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, জেনারেল এডুকেশন ডেভেলপমন্ট, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম, ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড ম্যানেজমেন্ট ও এমআইএস বিভাগ। প্রকৌশল অনুষদের অধীনে রয়েছে : টেঙ্টাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিঙ্ ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিঙ্ এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও আর্কিটেকচার বিভাগ। বাণিজ্য ও উদ্যোক্তা অনুষদের অধীনে রয়েছে : ব্যবসায় প্রশাসন, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, রিয়েল এস্টেট, ইনোভেশন এন্ড এন্ট্রিপ্রিনিউরশিপ, বিজনেস স্টাডিজ এবং এমবিএ। মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে : এলএলবি, ইংরেজি, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ। অ্যালাইড হেলথ্ সায়েন্স অনুষদের অধীনে রয়েছে ফার্মেসি, নিউট্রিশন এন্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ও পাবলিক হেলথ বিভাগ।



সমৃদ্ধ ডিজিটাল লাইব্রেরি : শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও গবেষণাকর্মে সহায়তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সমৃদ্ধ ডিজিটাল লাইবেরি, যাতে রয়েছে দেশি বিদেশি ২৫,০০০ রেফারেন্স বই, ১৫,০০০ ই-বুক, ২,৫০০ প্রোজেক্ট রিপোর্ট, ৮,০০০ ই-জার্নাল, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক ম্যাগাজিন, সিডি, ভিসিডি, ডিভিডিসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা। রয়েছে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা, যাতে করে শিক্ষার্থীরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের লাইব্রেরি ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে তথ্যাবলি সংগ্রহ করতে এবং নিজের কাজে ব্যবহার করতে পারে। লাইব্রেরির সকল কর্মকা-ই অনলাইন ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। যে কোনো শিক্ষার্থী অনলাইনের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় বইয়ের বুকিং দিতে পারে। লাইব্রেরির সর্বাধুনিক সুবিধা সম্বলিত সুবিশাল ফ্লোর সমূহের মধ্যে একসাথে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে অধ্যয়ন করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দেয়া চাহিদা অনুযায়ী দেশি বিদেশি রেফারেন্স বই সংরক্ষণের মাধ্যমে লাইব্রেরিকে সবসময় আপডেট রাখা হয়। লাইব্রেরিতে বসেই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা নোট, পরীক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট ও গবেষণা পত্র তৈরি করতে পারে।



ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ল্যাপটপ : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তার যাত্রা শুরুর সময় থেকেই শিক্ষার্থীদেরকে টেকনোলজিতে দক্ষ করে গড়ে তোলার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সেই লক্ষ্যে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় এ পর্যন্ত ৩৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ল্যাপটপ প্রদান করেছে, যাতে শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার শিখতে পারে। এই করোনার মধ্যেও 'ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ল্যাপটপ' কার্যক্রম বন্ধ থাকেনি। মাত্র দু মাস আগেও শিক্ষার্থীদের হাতে ৩ হাজার ল্যাপটপ তুলে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।



আবাসন সুবিধা : বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসে। শুধুমাত্র ক্যাম্পাস নয় গুণগত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের থাকা, খাওয়ার পরিবেশের গুরুত্বও কম নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূরীকরণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যশনাল ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের হোস্টেল সুবিধা। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, মানসম্পন্ন খাবার, ইন্টারনেট, ওয়াইফাই, শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বর্তমানে প্রায় ১২,০০০ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে এ বিশ্বদ্যালয়ে।



ল্যাবরেটরি : শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ডিজিটাল ক্লাস রুম, কম্পিউটার ল্যাব, টেঙ্টাইল ল্যাব, ফিজিঙ্ ল্যাব, ফার্মাসি ল্যাব, ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ল্যাব, ফ্যাব ল্যাব (ডিজিটাল ফেব্রিকেশন), জেএমসি ল্যাব, সিসকো ল্যাব, মাইক্রোসফট আইটি একাডেমি, লিনাঙ্, রেডহাট ও ওরাকল, মাল্টিমিডিয়া ল্যাব, ইনোভেশন ল্যাব।



ক্লাব : পড়ালেখার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছে ডিবেটিং ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, সায়েন্স ক্লাব, বিজনেস ক্লাস, ন্যাচারাল স্টাডি ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, সাইবার ক্যাফে, ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, এমবিএ ক্লাবসহ ৩৫টি ক্লাব । শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নিয়মানুবর্তিতা এবং কর্মঠ করে গড়ে তুলতে রয়েছে এয়ার রোভার স্কাউট গ্রুপ, বিএনসিসি ইউনিট। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যশনাল ইউনিভার্সিটি। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে এক অনন্য প্রতিষ্ঠান।



 



স্কালারশিপ : প্রতি সেমিস্টারে বিপুল পরিমাণ অর্থ ওয়েভার প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন শিক্ষা নিশ্চিত করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মহামারীর এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০-১৫% অতিরিক্ত বিশেষ বৃত্তি প্রদান এবং স্প্রিং ২০২১ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের জন্য ২২ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।



এছাড়াও ট্যালেন্ট স্কলারশিপের মাধ্যমে আর্থিক অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শতভাগ বৃত্তি প্রদান করা হয়। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় মেধাস্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ১০০% বৃত্তি প্রদান করা হয়। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় জিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা ১০% থেকে ৫০% পর্যন্ত বৃত্তি পেয়ে থাকে। এছাড়া সহোদর, স্বামী-স্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা কোটা, খেলোয়াড়, জাতিগত গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয় । সিজিপিএ ৩.৯ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।



বীমা সুবিধা : অর্থের অভাবে একজন শিক্ষার্থীরও যেন পড়ালেখা বন্ধ না হয় এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট রয়েছেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবক জীবনবীমার আওতাভুক্ত। অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষার্থীরও যেন শিক্ষাজীবন ব্যাহত না হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।



মেডিকেল সেন্টার : শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সমৃদ্ধ মেডিকেল সেন্টার। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বা অসুস্থতায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স দ্রুত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করেন। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘন্টা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে।



অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা : ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩ সাল থেকে অনলাইনে শিক্ষাসম্পর্কিত নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সুতরাং অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে ডিআইইউ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই অভ্যস্ত। অনলাইন শিক্ষাকে আরও কার্যকর এবং যুগোপযোগী করার জন্য ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় 'বেস্ননডেড লার্নিং সেন্টার' প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। করোনাকালের এই সময়ে 'বেস্ননডেড লার্নিং সেন্টার' ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অনলাইন শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী এক উদ্ভাবন, যা অত্যন্ত কার্যকর ও গুণগত অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা।



খেলাধুলার ব্যবস্থা : সুস্থ দেহ, সতেজ মন লক্ষ্য অর্জনে অনেক বেশি প্রয়োজন। শরীর, মন যদি সুস্থ না থাকে তবে কোনো কিছুতেই মন বসে না। আর এর জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে রয়েছে ইনডোর এবং আউটডোরে খেলাধুলার সব আয়োজন। ক্যাম্পাসে প্রধান ফটক পেরুলেই চোখে পড়বে আন্তর্জাতিক মানের বিশাল খেলার মাঠ। পাশেই বাস্কেটবল গ্রাউন্ড এবং গল্ফ কোর্স। এছাড়া টেনিস কোট, ব্যাডমিন্টনসহ অন্যান্য সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন রয়েছে এই ক্যাম্পাসে।



 



জিমনেসিয়াম : শারীরিক ফিটনেস তৈরিতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক মানের জিমনেসিয়াম।



ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার : শিক্ষার্থীদের কর্ম উপযোগী করে গড়ে তুলতে 'ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার' (সিডিসি) রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক এবং সেতুবন্ধন তৈরির মাধ্যেমে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। এছাড়াও ইন্টার্নশিপ প্লেসমেন্ট, ক্যারিয়ার গ্রুমিং, ফিল্ড ভিজিটসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যোগ্য করে গড়ে তুলছে 'ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার'।



ইনোভেশন ল্যাব : শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেধাকে জাগ্রত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আশুলিয়ায় 'ইনোভেশন ল্যাব' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ইনোভেশন ল্যাবে মার্কেট স্পেস, রোবটিক জোন, থ্রি-ডি প্রিন্টার, আইওটি নির্ভর বৈদ্যুতিক বাল্ব, ফ্যান, শীতাতপযন্ত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন জোন, বুক রিডিং জোন, বিজনেস ইনকিউবেটর, মিটিং রুম, অ্যানড্রয়েড ও উইনডোজ সুবিধা সম্বলিত অল ইন ওয়ান টিভি ইত্যাদি রয়েছে। এসব সুবিধা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দান করতে পারবে।



যাতায়াত ব্যবস্থা : শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিশাল পরিবহন পুল। প্রতিদিন এই বাসগুলো বিভিন্ন রুটে শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে আসে এবং দিয়ে আসে। অভিজ্ঞ ড্রাইভার দ্বারা পরিচালিত এই বাসগুলো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত আনা-নেওয়ার পাশাপাশি স্টাডি ট্যুর, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়।



আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে শুরু থেকেই নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪৫০টিরও অধিক স্বানামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এশিয়া সামার প্রোগ্রাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় প্রোগ্রাম, স্কলারশীপ, ইন্টার্নশিপ, রিসার্স, জয়েন্ট কনফারেন্স, বিভিন্ন প্রতিযোগিতাসহ চুক্তিবদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সারাবছরই নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। দেশের গ-ি পেরিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী।



বিদেশী শিক্ষার্থী : গত কয়েক বছর যাবৎ বিদেশী শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আঙ্গিনা। ইতোমধ্যে আমেরিকা, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪০০'র অধিক শিক্ষার্থী ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন বিভাগে পড়াশোনা করছে।



প্রকাশনা ও গবেষণা কার্যক্রম : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন অনুষদ থেকে নিয়মিত জার্নাল প্রকাশিত হচ্ছে, যেখানে শিক্ষকদের উচ্চমানের গবেষণাকর্ম স্থান পায়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। এক্ষেত্রে ডিআইইউ শিক্ষকবৃন্দ দক্ষতার সাথে অব্যাহত রেখেছেন এ কার্যক্রম। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের গবেষণাকর্মে আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে রিসার্চ ডিভিশন এবং রিসার্চ ফান্ড।



বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কথায় নয় কর্মে বিশ্বাসী। আমাদের শিক্ষার্থীরাই আমাদের গর্ব। ইতোমধ্যে দেশ এবং দেশের বাইরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছে। বিসিএস ক্যাডারে ডিআইইউ শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো ফলাফল অর্জন করছে এবং সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মাধ্যমে সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরি হয়। দেশ এবং দেশের বাইরে অ্যালামনাইরা ড্যাফোডিল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন নেটওয়ার্ককের মাধ্যে যুক্ত রয়েছে।



ভর্তি সেশন : ভর্তির যাবতীয় তথ্য পেতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ৪/২ সোবাহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা অথবা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল স্মাট সিটি, আশুলিয়া এই ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন। অনলাইনেও ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে। প্রয়োজনীয় টেলিফোন নাম্বার সমূহ : ৪৮১১১৬৩৯, ৪৮১১১৬৭০, ৯১২৮৭০৫ বর্ধিত : ৪৪৪, ৫৫৫। মোবাইলঃ ০১৭১৩৪৯৩০৫০-১, ০১৮৪১৪৯৩০৫০, ০১৭১৩৪৯৩১৪১ ইমেইল : admission@daffodilvarsity.edu.bd, ওয়েব :ww w.daffodilvarsity.edu.bd



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬। ইহারাই হিদায়াতের বিনিময়ে ভ্রান্তি ক্রয় করিয়াছে। সুতরাং তাহাদের ব্যবসা লাভজনক হয় নাই, তাহারা সৎপথেও পরিচালিত নহে।


 


 


assets/data_files/web

একজন জ্ঞানী প্রশাসক সময়োপযোগী শাসন করেন।


-সিডনি লেনিয়ার।


 


যার মধ্যে বিনয় ও দয়া নেই, সে সকল ভালো গুণাবলি হতে বঞ্চিত।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৬,৪৪,৪৩৯ ১৩,২১,৯৪,৪৪৭
সুস্থ ৫,৫৫,৪১৪ ১০,৬৪,২৬,৮২২
মৃত্যু ৯,৩১৮ ২৮,৬৯,৩৬৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯৫২০
পুরোন সংখ্যা