চাঁদপুর। রোববার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ৭ ফাল্গুন ১৪২৩। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। ‘সে উপযুক্ত কারণ না দর্শাইলে আমি অবশ্যই উহাকে কঠিন শাস্তি দিব অথবা যবেহ্ করিব।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

assets/data_files/web

প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায়, কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।                          


-জনগো।




তুমি কি আল্লাহকে ভালোবাসো? তাহলে এখন মানুষকে ভালোবাসতে শেখ। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালাকে ভালোবাসার ইচ্ছা থাকলে প্রথমে মানুষকে ভালোবাসতে শেখ।


ফরিদগঞ্জে প্লাবন ভূমিতে সাথী ফসল সরিষার আবাদে সাফল্য
প্রবীর চক্রবর্তী, ফরিদগঞ্জ থেকে
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

এক সময়ের অভিশপ্ত চরাঞ্চল এখন ফরিদগঞ্জের মাছ চাষীদের জন্যে আশীর্বাদ। চরাঞ্চলে চাষীরা মাছ চাষে শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে লাভবান হচ্ছে। এ বছর এর সাথে যোগ হয়েছে সাথী ফসল হিসেবে সরিষা চাষ। চলতি রবি মৌসুমে মাছ চাষের প্লাবন ভূমিতে সাথী ফসল হিসেবে সরিষার আবাদ করে সফলতা পেয়েছে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার চর বসন্তের চরের মাছ চাষীরা। প্লাবন ভূমি থেকে মাছ আহরণের পর, যে সময় জমি খালি পড়ে থাকে, সেই সময় চাষীরা জমিতে সরিষা আবাদ করেছে। সরিষা আবাদে সামান্য টাকা ব্যয় হলেও উৎপাদিত সরিষা বিক্রি করে কয়েক লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে তারা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন চর বসন্তের চরের ৬৫ একর জমি ইজারা নিয়ে অংশীদারের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন থেকে মাছ চাষ করছে ৮/১০ জন মাছ চাষী। কার্তিক মাসে মাছ ধরার পর প্লাবন ভূমির এক অংশে টরী-৭ জাতের সরিষা বীজ বোনেন তারা। এর কিছু দিন পর পানি শুকিয়ে গেলে জমির বাকি শুকনো অংশে সরিষার বীজ বোনা হয়। শুরুতে যে অংশে বীজ বোনা হয়েছিল ওই অংশের সরিষার ফলন আগামী ১০ দিনের মধ্যে তোলা যাবে এবং পরবর্তীতে যে সরিষা বপন করা হয়েছিল সেগুলো এখন হলুদ ফুলে চেয়ে আছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নূরে আলম জানান, ওই চরে সাড়ে ১৬ হেক্টর জমিতে টরী-৭ জাতের সরিষা আবাদ করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জে এবারই প্রথম কোনো প্লাবন ভূমিতে ব্যাপক হারে এই সরিষার আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টর প্রতি ১.২ মেঃ টন পর্যন্ত সরিষা উৎপাদন হতে পারে। এছাড়া মাত্র ৭০-৭২ দিনের মধ্যে এই জাতের সরিষার ফলন ঘরে তোলা সম্ভব হয়। যে সকল প্লাবন ভূমি একটু উঁচু এবং আগে মাছ ধরা হয় ওই জমি খালি থাকার সময়ে এই সরিষা আবাদ করতে পারে মাছ চাষীরা। মাছ চাষের মাটি অধিক উর্বর হওয়ায় সরিষা আবাদে ভালো ফলনের সম্ভাবনা বেশি।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, ফরিদগঞ্জে প্লাবন ভূমির পরিমাণ ৫শ' ৮৩.১৩ হেক্টর। এই প্লাবন ভূমির অনেকাংশ কার্তিক মাসের পূর্বেই মাছ ধরে বিক্রি করে দেয় চাষীরা। অভিজ্ঞদের অভিমত যদি প্লাবন ভূমিতে সাথী ফসল হিসেবে সরিষার আবাদ করা হয় তাহলে মাছ চাষীরা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চর বসন্তের চরে মাছ চাষীদের সরিষা চাষ একটি অনুসরণীয় হতে পারে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২০৫৮৯
পুরোন সংখ্যা