চাঁদপুর। রোববার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ৭ ফাল্গুন ১৪২৩। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। ‘সে উপযুক্ত কারণ না দর্শাইলে আমি অবশ্যই উহাকে কঠিন শাস্তি দিব অথবা যবেহ্ করিব।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

assets/data_files/web

সংসারে যে সবাইকে আপন ভাবতে পারে, তার মতো সুখী নেই।              

-গোল্ড স্মিথ।


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


একজন ইউএনও'র শখের বাগান
মনিরুজ্জামান বাবলু
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

ফুলে-সবজিতে ভরপুর একজন নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বসভবন চত্বর। তিনি যেখানেই যান, সেখানেই গড়ে তোলেন ফুল-সবজির বাগান। নিজেই ভোরবিহানে বাগান পরিচর্যার কাজে নেমে পড়েন। একবার বাগান পরিচর্যা করতে গিয়ে হাতে পোকার কামড়ে কিছুদিন আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবুও পিছু হটেনি শখের বাগান তৈরির কাজ। নির্দ্বিধায় তিনি বলেন, 'সব খাবার ফরমালিন মুক্ত পাই আর খাই।'

তরতাজা সবজি আর ফুল আর সবজির বাগান তৈরি করা প্রিয় মানুষটি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম মজুমদার।

সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলেছে, স্বল্প ভূমিতে দৃষ্টিনন্দন সবজির বাগান। ফুল-ফল আর সবজির প্রায় ৪০টি প্রজাতি। স্বল্প এই বাসভবনের আঙ্গিনায় এতো প্রজাতির পরিচর্যায় সত্যি অবাক করার মতো। নিষপ্রয়োজন ভূমিতে ফুল-ফল আর সবজির নিঃশ্বাস নেয়ার অনুভূতি একজন মাটির মানুষের প্রয়োজন। আর এমন একজন মানুষ নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম মজুমদার।

সবচেয়ে বেশি রয়েছে সবজির বাগান। এগুলো হলো_লাউ, মিষ্টি কুমড়ো, টমেটো, ঢেড়শ, মুলা, ছিম, ঝুকিনী, লালশাক, পালং শাক, কলমী শাক, পাট শাক, পুইশাক, বাটিক শাক, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ, বেগুন, ধনিয়া পাতা, শশা, সরিষা, বোম্বাই মরিচ, তুলসী পাতা, স্কোয়াশ ও ২ প্রজাতির কলা।

এছাড়া ফুলের মধ্যে রয়েছে তিন প্রজাতির গোলাপ, গাঁদা, রঙ্গনা, কচমচ, গন্ধরাজ, পাথরকুচি, পাতা বাহার ও ঢালিয়া। ফলের মধ্যে রয়েছে নারকেল, বেল, আম ও পেয়ারা গাছ।

তুলসী পাতার চা খেয়ে এই নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই শুধু সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এ তুলসী পাতা তিনি অতিথি আপ্যায়নেও রং চায়ের সাথে দিতে ভুল করেন না। এতে রয়েছে নানান উপকারিতা।

জানতে চাইলে নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম মজুমদার বলেন, 'আমি খুব শখে এই সবজির চাষাবাদ করছি। কর্মের তাগিদে যেখানে যাই, সেখানেই সবজি আর ফল-ফুলের বাগান করেছি। এতে করে ফরমালিনমুক্ত খাবার খেতে পারি। নিয়মিত নিজেই ভোর উঠে বাগানগুলো পরিচর্যা করি।'

এমন শখের দৃষ্টিনন্দন কাজের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'সবার বসত ভিটার আশপাশে পরিত্যক্ত জায়গা রয়েছে। একটু উদ্যোগী হলে পরিবারের আয় ও ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়া সম্ভব।'

উল্লেখ্য, কুমিল্লার এই কৃতী সন্তান এর আগে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় এমন সবজির বাগান করেছিলেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭০৭৫০
পুরোন সংখ্যা