চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ ২০১৭। ৯ চৈত্র ১৪২৩। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ***
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৮। তাহাদের উপর ভয়ঙ্কর বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, ভীতি প্রশিতদের জন্যে এই বর্ষণ ছিল কত নিকৃষ্ট।


৫৯। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁহার মনোনীত বান্দাদের প্রতি! শ্রেষ্ঠ কি আল্লাহ, না উহারা যাহাদিগকে শরীক করে তাহারা?


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

তুমি যদি ভালো থাকতে ইচ্ছা কর তবে চেষ্টা করলেই তা পারবে।   -জেমস এ, গ্যারফিল্ড।


অভ্যাগত অতিথির যথাসাধ্য সম্মান করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।


ফটো গ্যালারি
বাজারে আগাম তরমুজ দাম আকাশচুম্বী
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

ডাকাতিয়া নদীর তীরে চাঁদপুুর চৌধুরী ও ৫নং ঘাট ফল মার্কেটের সামনে ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে তরমুজ বোঝাই ট্রলার এসে ভিড়ছে। আড়তদাররা এখান থেকে তরমুজ কিনে পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন।

আগাম তরমুজ আসছে বাজারে। বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদপুরে আসছে এই পণ্য। চাঁদপুরে চৌধুরী ঘাট, ৫নং ঘাট ও পাল বাজারসহ বাবুরহাট, মহামায়া বাজারে এসব তরমুজ গুদামজাত করা হচ্ছে।

ডাকাতীয়া নদীর তীর ঘেঁষে ৫নং ঘাট ও চৌধুরী ঘাটের ফলের আড়তের তরমুজ ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার সর্ববৃহৎ এই ফলের বাজারের অধিকাংশ ব্যবসায়ী এখন তরমুজ বেচা-কেনায় জড়িয়ে পড়েছেন। ক'দিন আগেও এসব ব্যবসায়ী ভিন্ন ফলের ব্যবসা করেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চ ও টলারযোগে ডাকাতিয়ার তীরে চৌধুরী ও ৫নং ঘাটে তরমুজ আসছে। এর মধ্যে বেশি আসছে ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালীর তরমুজ। জেলাগুলো থেকে একশ' হিসেবে তরমুজ কিনে নৌকা বোঝাই করে আনছেন ব্যবসায়ীরা। পরে সেগুলো ঘাটে নিয়ে ঘাট শ্রমিকরা গুণে গুণে ঝুড়ি ভর্তি করছেন। নষ্ট হওয়া তরমুজগুলো নদীতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। আর আড়তে নেয়ার পর আকার ও জাতভেদে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে। অনেক আড়তদাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ চাঁদপুরে নিয়ে আসছেন নিজস্ব পরিবহনে।

বর্তমান ২০ থেকে ২৫ জাতের তরমুজ উৎপাদন হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, কালা, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২, বালি ইত্যাদি নামে তরমুজ রয়েছে। এসব তরমুজ নদী ও স্থলপথে চাঁদপুরে আনেন আড়তদাররা। আড়তদার থেকে খুচরা বিক্রেতা হয়ে ভোক্তার কাছে পেঁৗছতে প্রতিটি তরমুজের দাম দাঁড়ায় আকারভেদে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা।

৫নং ঘাট ও চৌধুরীঘাটে আকার ও জাতভেদে একশ' তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। প্রায় দ্বিগুণ দামে আড়তদাররা সে তরমুজ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন ৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায়। আর এসব তরমুজ খুচরা বিক্রেতারা ভোক্তার কাছে বিক্রি করছেন ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা।

ভোলা থেকে তরমুজ বিক্রি করতে ৫নং ঘাটে আসা কালাম মিয়া কৃষিকণ্ঠকে বলেন, এখানে প্রতিশ' তরমুজ বিক্রি করছি দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে। ফলন কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশানুরূপ ফলন পেয়েছি।

চৌধুরীঘাটে তরমুজ বিক্রি করতে আসা বরিশালের চাষী ফজলু সরকার কৃষিকণ্ঠকে বলেন, সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকায় একশ বিক্রি করলেও কার্গো লঞ্চে করে আনতে প্রতিটির খরচ হয় ৮ থেকে ১০ টাকা। আর ঘাট থেকে খালাস করে ব্যবসায়ীদের আড়তে পেঁৗছানো পর্যন্ত প্রতি তরমুজের মোট খরচ ১৬ থেকে ১৮ টাকা পর্যন্ত গুণতে হয়। চাঁদপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কৃষিকণ্ঠকে বলেন, নষ্ট হওয়া তরমুজ আর শ্রমিক খরচসহ প্রতি একশ' তরমুজ আকারভেদে কিনে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে তরমুজের ভালো সরবরাহ পেয়ে বিক্রেতারা খুশি হলেও ক্রেতাদের কথা বলতে দেখা যায় অভিযোগের সুরে। কালিবাড়ি মোড়ে কথা হয় আল-আমিন হোসাইন নামের এক ক্রেতার সঙ্গে। তিনি জানান, বড় তরমুজ কিনতে চেয়েছিলাম দাম অনেক বেশি। বড় একটা চায় সাড়ে ৩শ' টাকা। পরে ছোট তরমুজ ১১০ টাকায় কিনেছি। তরমুজের দাম হাঁকানো হচ্ছে অনেক বেশি।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯৮৪
পুরোন সংখ্যা