চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ ২০১৭। ৯ চৈত্র ১৪২৩। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত  || ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৮। তাহাদের উপর ভয়ঙ্কর বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, ভীতি প্রশিতদের জন্যে এই বর্ষণ ছিল কত নিকৃষ্ট।


৫৯। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহরই এবং শান্তি তাঁহার মনোনীত বান্দাদের প্রতি! শ্রেষ্ঠ কি আল্লাহ, না উহারা যাহাদিগকে শরীক করে তাহারা?


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

তুমি যদি ভালো থাকতে ইচ্ছা কর তবে চেষ্টা করলেই তা পারবে।   -জেমস এ, গ্যারফিল্ড।


অভ্যাগত অতিথির যথাসাধ্য সম্মান করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।


চাঁদপুরে কলা চাষে সাফল্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনা
কৃষি কণ্ঠ প্রতিবেদক
২৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুরে কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। এতে জেলায় কলা চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই জেলার কলা চাষীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কলা চাষাবাদ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় কলা বাগান। বিশেষ করে চাঁদপুর শহরের পৌর এলাকার বাহের খলিশাডুলি, বিষ্ণুদী জি.টি. রোড, বাগাদী ও বালিয়া এলাকা সহ বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনা, ভরাট জমি ও খোলা জায়গায় আগ্রহীরা কলা বাগান করছেন। প্রথমদিকে অনেকে কলা চারা শখের বশে বাড়ির আঙ্গিনায় রোপণ করেন। পরে গাছে গাছে কাঁচা-পাকা, আধা পাকা কলা দেখে তৃপ্তির হাসি হাসেন। কেউ কেউ কলার ছড়া কেটে বিক্রিও করেন। ভালো দাম পেয়ে মুখে হাসি ফুটে এবং তাদের সাফল্য দেখে অন্যরা কলা চাষে আগ্রহ দেখান। এভাবেই চাঁদপুরে বিভিন্ন এলাকায় কলা চাষ বেড়ে গেছে। ফলে চাঁদপুরের নিজস্ব কৃষক থেকে পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা কলা ক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছে। এতে স্থানীয় ভোক্তাদের সুলভ মূল্যে কেমিক্যালমুক্ত কলা ক্রয় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কলা চাষী বিষ্ণুদীর মোঃ নাসির উদ্দিন আখন্দের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, আমি প্রথমত আমার বাড়ি বর্তমানে বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। তার এ কলা বাগান থেকে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা কলার কাঁদি কিনে নিয়ে যায়।

জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আলী আহম্মদের সাথে কলা চাষ বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, চাঁদপুর জেলার মাটি ও আবহাওয়া কলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে জেলায় ছোট-বড় শতাধিক কলার বাগান গড়ে উঠেছে। এখন চাঁদপুরে অনেকাংশে বাণিজ্যিকভাবে সাগর, সপরি, আনাজি ও চাপা কলার চাষাবাদ হচ্ছে। আমি এ জেলায় যোগদানের পর প্রত্যেক উপজেলার অফিসারদের বলে দিয়েছি। যাতে করে প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় অন্ততঃ ১টি করে আনাজি কলা বাগান করে এবং কয়টি বাড়িতে হয়েছে তা আমাকে দেখাতে হবে। ইতিমধ্যে আমার উপজেলা অফিসাররা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, কলা চাষীরা যে কোনো সময় যে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা তাতে আন্তরিক সাড়া দেবো।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৮৯৬৯
পুরোন সংখ্যা