চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৭। ০৪ কার্তিক ১৪২৪। ২৮ মহররম ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩০-সূরা রূম

৬০ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪২। বল, 'তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং দেখ তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছে! ' উহাদের অধিকাংশই ছিলো মুশরিক।

৪৩। তুমি সরল দীনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত কর, আল্লাহর পক্ষ হইতে যে দিবস অনিবার্য তাহা উপস্থিত হইবার পূর্বে , সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞান নয়, কর্ম।

-হার্বাট স্পেনসার।


অতিরিক্ত উপাসনার চেয়ে অতিরিক্ত বিদ্যা শ্রেয়।


চাঁদপুর সদর কৃষি বিভাগ
রোপা আমন ফসলে পোকা-মাকড় দমনে আলোর ফাঁদ স্থাপন
কৃষি কণ্ঠ প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সদর উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অফিসের আয়োজনে রোপা আমন ফসলে পোকা-মাকড় দমনে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী, বালিয়া, লক্ষ্মীপুর ও চান্দ্রা ইউনিয়নে রোপা আমন ফসলী জমির পাশে এ আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়। গত মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন ইউনিয়নে ফসলী জমির পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি অতন্দ্র জরিপের মাধ্যমে উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অফিসের উপ-পরিচালক আলী আহম্মদ ও চাঁদপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসার দিল আতিয়া পারভীন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর সদর উপজেলায় সেচ প্রকল্পের আওতায় ২১শ' ৪৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ করা হয়। উক্ত ফসলে কীটনাশক ব্যতীত পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণের জন্য কৃষি সমপ্রসারণ অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগণ কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে লাইভ পারসিং ডেড পারসিং স্থাপন করে এবং প্রত্যেক সপ্তাহে ১টি করে আলোর ফাঁদ স্থাপন করে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি অতন্দ্র জরিপের মাধ্যমে উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এতে করে রোপ আমন ধান ফসলে কৃটনাশক ব্যতিত পোকা-মাকড় দমন করা সম্ভব। এখন রোপা আমন মাঠে। কৃষক-কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছে। এ সময় ধান ক্ষেতে পোকামাকড় একটু বেশি থাকে। এদের মধ্যে উপকারী পোকা ও ক্ষতিকর পোকামাকড় দুটোই আছে। ক্ষতিকর পোকা ধানের পাতা ও ধানের দুধ খায় এবং পাতা মোড়ায়। আর উপকারী পোকা ক্ষতিকর পোকাগুলো খেয়ে ফেলে। যাতে ক্ষতিকর পোকামাকড় ধানের শীষ আসার আগে পাতাটাকে নষ্ট করে ফেলতে না পারে। সে জন্য 'আলোর ফাঁদ' জমির এক পাশে তৈরি করতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পোকার উপস্থিতি জানার জন্য সন্ধ্যার সময় জমির পাশে 'আলোক ফাঁদ' স্থাপন করা হয়। এতে করে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের পরিমাণ জানা যায়। ক্ষতিকর পোকা বেশি পাওয়া গেলে উহা দমনে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা দমন করে থাকেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৪৯৩৮
পুরোন সংখ্যা