চাঁদপুর। বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০১৭। ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২-সূরা সেজদাহ 


৩০ আয়াত, ৩ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। বলো, ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান আনয়ন উহাদের কোনো কাজে আসিবে না এবং উহাদিগকে অবকাশও দেওয়া হইবে না। 


৩০।  অতএব তুমি উহাদিগকে অগ্রাহ্য করো এবং অপেক্ষা করো, উহারাও অপেক্ষা করিতেছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

সংসারে যে সবাইকে আপন ভাবতে পারে, তার মতো সুখী নেই।              -গোল্ড স্মিথ।


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে দাম কমে যাওয়া মজুদকৃত আলু নিচ্ছে না কৃষকরা
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৯ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুরে দাম কমে যাওয়া মজুদকৃত আলু নিচ্ছে না কৃষকরা। উৎপাদিত আলু নিয়ে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক। অবিরাম বর্ষণে ক্ষেতের আলু এক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার আলুর মূল্য না পাওয়ায় কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু নিচ্ছে না কৃষক। অন্যদিকে আলু চাষের জন্যে জমি প্রস্তুত হয়নি। আগে-ভাগে আলু এনে কী করবে কৃষক। এ কারণে চাঁদপুর জেলার ১১টি কোল্ড স্টোরেজে কৃষকের লাখ লাখ বস্তা আলু পড়ে আছে। আগামী দু' সপ্তাহের মধ্যে এসব আলু কৃষক না নিলে পচে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

জানা গেছে, এ পর্যন্ত কৃষক তাদের মজুদকৃত খাওয়ার আলু মাত্র ৪৫ভাগ নিয়েছে। বাকি ৫৫ভাগ অর্থাৎ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন আলু কোল্ড স্টোরেজগুলোতে পড়ে আছে। যা বস্তায় ৬ লাখ ৮০ হাজার। সরকারিভাবে এসব আলু রপ্তানির দাবিও করেছে কৃষক। এ দিকে পাইকাররাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তারা ব্যাংক থেকে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে আলু ক্রয় করে কোল্ড স্টোরেজে রেখেছিল। কিন্তু দাম না পাওয়ায় এবার তারাও ক্ষতিগ্রস্ত।

মনোহরখাদি কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক রুহুল আমিন সিদ্দিকী জানান, চাঁদপুর জেলায় ১১টি কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন খাওয়ার আলু মজুদ করেছে কৃষক। ২ মেট্রিক টন করে ৬ লাখ ৮০ হাজার বস্তা। গত সপ্তাহ পর্যন্ত মাত্র ৪৫ভাগ আলু কৃষক সংগ্রহ করেছে। তিনি আরো জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এসব আলু কৃষক সংগ্রহ না করলে পচে যাবে। এতে তারা আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মতলব দক্ষিণের মার্শাল এন্ড মমতা কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আনোয়ার পাটওয়ারী জানান, আলুর দাম না থাকায় তাদের কোল্ড স্টোরেজেও এখনো ৫৫ভাগ আলু পড়ে আছে।

পাইকারী বিক্রেতা হোসেন আহমেদ জানান, আলু মৌসুমে ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ টাকার সিসি ঋণ নিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে আলু ক্রয় করে কোল্ড স্টোরেজ রেখেছি। কিন্তু বর্তমানে আলুর দাম না থাকায় ১২ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। তিনি এখন ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে দেউলিয়া হয়ে পড়ছেন।

কৃষক জলিল মিয়া জানান, এবার বৃষ্টিপাতে আলুর প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পর যে আলু হয়েছে তা কোল্ড স্টোরেজে রেখে দাম না পেয়ে আরো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এভাবে বার বার ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে তারা এবার আলু চাষ করবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধান্বিত আছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এভাবে আলুর ক্ষতিতে হতাশায় চাঁদপুরে তিনজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। অথচ সরকার আলুর ক্ষতিপূরণ বা ভর্তুকি দিচ্ছে না। চাঁদপুর কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী আহম্মেদ জানান, এবার অধিক বৃষ্টির কারণে সকল ফসল রোপণ ও কর্তন পিছিয়ে পড়ছে। এখনো ধান কাটা হয়নি। জমি ভেজা, আলু চাষের জন্যে প্রস্তুত হয়নি। কৃষক আগে-ভাগে আলু এনে কী করবে। বাজার মূল্য কম থাকায় খাবার আলু কোল্ড স্টোরেজ থেকে তারা মাকেটিং-এর জন্যে হয়তো সংগ্রহ করছে না।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৩৯৬৭
পুরোন সংখ্যা