চাঁদপুর । বৃহস্পতিবার ০২ অাগস্ট ২০১৮ । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৫ । ১৯ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫। তিনিই সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী, আরশের মালিক, তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা তত্ত্বপূর্ণ বিষয়াদি নাযিল করেন, যাতে সে সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে।

১৬। যেদিন তারা বের হয়ে পড়বে, আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আজ রাজস্ব কার? এক প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহর।

১৭। আজ প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের প্রতিদান পাবে। আজ যুলুম নেই। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


যে দীর্ঘ সময় ঘুমাতে পারে, সেই সবচেয়ে সুখী।

 -এ.ই. হাউসম্যান।     


পরিচ্ছন্নতার উপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত হইয়াছে।  

                    


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
০২ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরে অর্ধ শতাধিক প্লাবন ভূমিতে চলছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ। তুলনামূলক নিচু জমিতে কার্পজাতীয় মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে অনেক যুবক। উদ্বুদ্ধ হচ্ছে অনেকেই। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষীদের সবসময় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।



প্লাবন ভূমি বলতে সেসব জলাশায়কে বুঝায়, যেখানে বর্ষা মৌসুমে পানি আসে পরে আবার তা শুকিয়ে যায়। অবশ্য কেউ কেউ কৃত্রিম উপায়ে পানি আটকে রাখে। চাঁদপুর এ প্লাবন ভূমির দিক থেকে অনেক সমৃদ্ধ। তুলনামূলক নিচু এলাকার জমিতে ফসল না হওয়ায় লিজ দেয় জমির মালিক পক্ষ। বিনিময়ে তারা লাভবান হন। কারণ, বর্ষা মৌসুমে ওসব জমিতে ফসল ভালো হয় না। এছাড়া বোরো মৌসুমেও তারা ধানের সাথে মাছ তথা মিশ্র চাষ করতে পারে। তবে ইজারাদারদের শর্ত থাকে ধান চাষ হলে টাকা দেয়া হয় না।



ফরিদগঞ্জ উপজেলার এনায়েতুল্লাহ, শরীফ পালোয়ান সহ আরো ক'জন কৃষক জানান, জমি নিচু হওয়ায় বর্ষায় অতিরিক্ত পানির কারণে ধান চাষ ঠিকভাবে করা যায় না। তাই লিজ দিয়ে দেই। প্রতি শতাংশ জমি ইজারা দিলে প্রায় ৫শ' টাকার মতো পাওয়া যায়।



অবশ্য যারা এসব প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ করছে, তারা প্রচুর লাভবান হচ্ছে। এ লাভের অংশ কোনো ব্যক্তিবিশেষ পায় না। এর সাথে অনেকেই সম্পৃক্ত, অনেকেই এর লভ্যাংশ পায়। বিশেষ করে যারা জমির মালিক, মাছ ধরে, তত্ত্বাবধান যারা করে তারাও এ লাভের অংশ পায়। কয়েকটি প্লাবন ভূমি আছে যেখানে কয়েক কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক উদ্যোক্তা।



চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আসাদুল বাকী বলেন, ইতঃমধ্যে এসব প্লাবন ভূমিকে সনাক্ত করা হয়েছে। প্লাবন ভূমিকে মাছ চাষের উপযোগী করার জন্যে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সর্বমোট ৫১টি প্লাবন ভূমি সনাক্ত করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ। এগুলোতে মাছ চাষ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চাষীদের মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৬৫৬৯
পুরোন সংখ্যা