চাঁদপুর। রোববার ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৫ ভাদ্র ১৪২৫। ২৮ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,


৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৪। যখন তাদের নিকট রাসূলগণ এসেছিলেন তাদের সম্মুখ ও পশ্চাৎ হতে (এবং বলেছিলেন) তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারো ইবাদত কারো না। তখন তারা বলেছিল : আমাদের প্রতিপালকের এইরূপ ইচ্ছা হলে তিনি অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন। অতএব তোমরা যেসব সহ প্রেরিত হয়েছো, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি।


১৫। আর আ'দ সম্প্রদায়ের ব্যাপারে এই যে, তারা পৃথিবীতে অযথা দম্ভ করতো এবং বলতো : আমাদের অপেক্ষা শক্তিশালী কে আছে? তারা কি তবে লক্ষ্য করেনি যে, আল্লাহ, যিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অপেক্ষা শক্তিশালী? অথচ তারা আমার নিদর্শনবলিকে অস্বীকার করতো।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


ফুল ফোটে ঝরে যাওয়ার জন্যে।


-চার্লস জি ব্লানডন।


 


পবিত্র হওয়াই ধর্মের অর্থ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কৃষিঋণ বিতরণ ২৭ শতাংশ কমেছে । প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কৃষিঋণ বিতরণ ২৭ শতাংশ কমেছে। প্রতি বছর কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিতরণে বাধ্য করা হচ্ছে। কিন্তু এরপরও সিংহভাগ কৃষক ঋণ থেকে বঞ্চিত। এর প্রধান কারণ ব্যাংকগুলোর অনীহা। আর এ অনীহার কারণে চলতি অর্থ বছরের শুরু থেকেই কৃষিঋণ বিতরণ কমছে। গত জুলাই থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সব ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট বা ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কৃষি ও পল্লী ঋণের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর পেছনে যুক্তি দেয়া হচ্ছে কৃষিঋণে সুদহার আগের থেকেই কম আছে। অন্যদিকে কৃষিঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতিও বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।



বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস (জুলাইতে) থেকেই কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ কমেছে। উক্ত মাসে ব্যাংকগুলো কৃষিতে মাত্র এক হাজার একশ' একান্ন কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। আগের বছরের একই মাসে বিতরণ হয়েছিলো এক হাজার পাঁচশ' চুয়াত্তর কোটি টাকা। এ হিসেবে জুলাইতে বিতরণ কম হয়েছে ৪শ' ২৩ কোটি টাকা, যা প্রায় ২৭ শতাংশ। প্রথম মাসে বিদেশি মালিকানার ৭টি এবং বেসরকারি খাতের ৪টি ব্যাংক এক টাকাও ঋণ দেয়নি।



২০১৮-১৯ অর্থবছর কৃষি খাতে মোট ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এবারের এ লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি। গত জুলাইতে ঘোষিত নতুন কৃষিঋণ নীতিমালায় মোট লক্ষ্যমাত্রার অন্তত ১০ শতাংশ মৎস্য খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া আগের মতই কৃষিঋণের ৬০ শতাংশ শস্য এবং ১০ শতাংশ পশুসম্পদ খাতে বিতরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বেসরকারি খাতের কোনো ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হলে অনর্জিত অংশ বিনা সুদে এক বছরের জন্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখার বিধান অব্যাহত আছে।



চলতি অর্থ বছর রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৯ হাজার ৮শ' ৭৫ কোটি টাকা। প্রথম মাসে ব্যাংকগুলো ৩শ' ৬৮ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। আগের বছরের একই মাসে বিতরণ হয় ৩শ' ৯৯ কোটি টাকা। আর বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকগুলোর জন্যে নির্ধারিত ১১ হাজার ৯শ' ২৫ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৭শ' ৮৩ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে বিতরণ হয় এক হাজার একশ' পঁচাত্তর কোটি টাকা।



বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণ বিভাগ বলছে, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জোর তৎপরতা অব্যাহত আছে। কৃষিঋণ সাধারণত মৌসুমভিত্তিক বিতরণ হয়। তাই বছর শেষ হতে হতে এটা সমন্বয় হয়ে যাবে। বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, অগ্রাধিকার খাত হিসেবে এ খাতে ঋণ বিতরণ বাড়াতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলোর প্রতি নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। আর ব্যাংকগুলোর দেয়া লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ না হলে জরিমানারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।



তফসীলি ব্যাংকগুলোর ২১ হাজার ৮শ' কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বাইরে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ৯শ' ৬১ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৬শ' কোটি টাকার তহবিল বর্গাচাষীদের মধ্যে ব্র্যাকের মাধ্যমে বিতরণ অব্যাহত থাকবে। লক্ষ্যমাত্রার ৫২ শতাংশ বিতরণ করবে বেসরকারি খাতের ব্যাংক, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করবে ৩০ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংক বিতরণ করবে ১৫ শতাংশ ও বিদেশি ব্যাংক বিতরণ করবে ৩ শতাংশ ঋণ। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর স্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বেসরকারি ও বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের নীট ঋণ ও অগ্রিমের ২ শতাংশ হারে হিসাবায়ন করে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।



উল্লেখ্য, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৫ শতাংশ। দেশের প্রায় ৪৩ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষ প্রত্যক্ষভাবে এবং ৮৫ শতাংশ জনসাধারণ জীবন-জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫৪১৮
পুরোন সংখ্যা