চাঁদপুর। রোববার ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৫ ভাদ্র ১৪২৫। ২৮ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,


৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৪। যখন তাদের নিকট রাসূলগণ এসেছিলেন তাদের সম্মুখ ও পশ্চাৎ হতে (এবং বলেছিলেন) তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারো ইবাদত কারো না। তখন তারা বলেছিল : আমাদের প্রতিপালকের এইরূপ ইচ্ছা হলে তিনি অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন। অতএব তোমরা যেসব সহ প্রেরিত হয়েছো, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি।


১৫। আর আ'দ সম্প্রদায়ের ব্যাপারে এই যে, তারা পৃথিবীতে অযথা দম্ভ করতো এবং বলতো : আমাদের অপেক্ষা শক্তিশালী কে আছে? তারা কি তবে লক্ষ্য করেনি যে, আল্লাহ, যিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অপেক্ষা শক্তিশালী? অথচ তারা আমার নিদর্শনবলিকে অস্বীকার করতো।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


ফুল ফোটে ঝরে যাওয়ার জন্যে।


-চার্লস জি ব্লানডন।


 


পবিত্র হওয়াই ধর্মের অর্থ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফার্মের মুরগীর মাংস দেহের জন্যে কতটা ক্ষতিকর
মাহফুুজা নাসরীন
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফার্মের মুরগীকে যে খাবার দেয় হয় তা হচ্ছে চামড়া শিল্পের বর্জ্য। এসব বর্জ্যে আছে বিষাক্ত ক্রমিয়াম। যা মানবদেহের জন্যে খুবই ক্ষতিকর। মুরগী রান্না করলেও এ ক্রমিয়াম নষ্ট হয় না। কারণ, এর তাপ সহনীয় ক্ষমতা হলো ২৯০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। আর আমরা রান্না করি ১০০-১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। ফলে এ বিষাক্ত ক্রমিয়াম মুরগীর মাংস থেকে আমাদের দেহে প্রবেশ করে কিডনি, লিভার অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া এ বিষাক্ত ক্রমিয়াম দেহের কোষ নষ্ট করে দেয়, যা পরবর্তীতে ক্যানসার সৃষ্টি করে।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবুল হোসেন তাঁর গবেষণায় দেখতে পান, প্রতি ১০০০ গ্রাম মুরগীর মাংসে ক্রমিয়াম আছে ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম। হাড়ে ক্রমিয়াম আছে ২০০০ মাইক্রোগ্রাম। কলিজায় ক্রমিয়াম আছে ৬১২ মাইক্রোগ্রাম। মগজে আছে ৪,৫২০ মাইক্রোগ্রাম। রক্তে আছে ৭৯০ মাইক্রোগ্রাম।



ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (ডবিস্নউএইচও)-এর মতে, একজন মানুষ ৩৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম গ্রহণ করতে পারে। এর বেশি হলে তা দেহের জন্যে ক্ষতিকর। আমরা যদি ২৫০ গ্রাম ওজনের এক টুকরা মাংস খাই তবে আমদের দেহে প্রবেশ করছে ৮৭.৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম, যা অনেক বেশি।



আবার আমরা যদি ৬০ গ্রাম ওজনের একটা মাংসের টুকরো খাই তবে তা থেকে আমরা পাচ্ছি ২১.৮৮ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম। যা সহনীয় পর্যায়ে। কিন্তু এ ক্ষতিকর ক্রমিয়াম ছাড়াও মুরগীকে দেয়া হয় নানা ধরনের এন্টিবায়োটিক।



কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মতে, মুরগীর মাংসে এবং ডিমে এসব এন্টিবায়োটিক বর্তমান থাকে। আর এ সমস্ত এন্টিবায়োটিক মুরগীর মাংস ও ডিমের সঙ্গে আমাদের দেহে প্রবেশ করে এবং আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।



সর্বশেষে বলতে হয়, আমাদের এ বিষাক্ত ফার্মের মুরগী খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।



আমরা অনেকেই আমাদের কোমলমতি বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খেতে যাই, আর বাচ্চাদের পছন্দই থাকে চিকেন ফ্রাই, গ্রিল, তান্দুরি ইত্যাদি চিকেন আইটেম, যা বেশিরভাগ সময় ফার্মের মুরগীর হয়ে থাকে।



আমাদের এখনই সাবধান হতে হবে বিষাক্ত এইসব ফার্মের মুরগী থেকে, নয়তো আমরা এবং আমাদের অতি আদরের সন্তানরা পড়বে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। যা আমাদের কারোই কাম্য নয়।



 



 



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২৪৪৯১
পুরোন সংখ্যা