চাঁদপুর। বুধবার ৩১ অক্টোবর ২০১৮। ১৬ কার্তিক ১৪২৫। ২০ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ

৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৩। (সত্য অস্বীকারে) মানুষ যদি এক উম্মতে পরিণত হয়ে পড়বে, এই আশঙ্কা না থাকলে দয়াময় আল্লাহকে যারা অস্বীকার করে, তাদেরকে আমি দিতাম তাদের গৃহের জন্যে রৌপ্য নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি, যাতে তারা আরোহণ করে।

৩৪। এবং তাদের গৃহের জন্যে দিতাম দরজা, (বিশ্রামের জন্যে) পালঙ্ক, যাতে তারা হেলান দিয়ে বসতো।   

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


যে ব্যক্তি প্রথম সালাম দেয়, সে অহঙ্কারমুক্ত।                   

 -আল হাদিস।


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।



 


ফটো গ্যালারি
ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ট্রাইভ্যালেন্ট টিকা উদ্ভাবন
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
৩১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ১৭ বিজ্ঞানী গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগের নতুন ট্রাইভ্যালেন্ট টিকা উদ্ভাবন করেছেন। নতুন উদ্ভাবিত এ টিকা প্রাণীর প্রটেক্টিভ লেভেলের চেয়ে বেশি এন্টিবডি ও ভাইরাস আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম।

১৬ অক্টোবর মঙ্গলবার রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ক্ষুরা রোগের কারণে বাংলাদেশে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু অর্থ ব্যয় করার পরও টিকার মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টিজেন ব্যবহার না করার ফলে অকার্যকর হয়। তাছাড়া টিকার বিশাল ঘাটতি রয়েছে। ভাইরাস নিউট্রালাইজেশনে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, নতুন উদ্ভাবিত টিকা দেশের ক্ষুরা রোগের ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, দেশের অর্থনীতির জন্যে প্রাণিসম্পদ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হলেও কিছু সংক্রামক রোগের কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে উদ্ভাবিত ক্ষুরা রোগের নতুন ট্রাইভ্যালেন্ট দেশের প্রাণিসম্পদে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ টিকার দামও মানুষের সাধ্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। পশুকে প্রতিটি টিকা দিতে গুণতে হবে মাত্র ৬০ টাকা।

টিকা উদ্ভাবন টিমের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের দেশে আমদানিকৃত ক্ষুরা রোগের ভ্যাকসিনের অধিকাংশই কাজ করছিলো না। আবার ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাবও বেশি। এজন্যে আমরা গবেষণায় হাত দেই। আমাদের গবেষণা প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ও সরকারের সহযোগিতায় এবং হেকেপের তত্ত্বাবধানে ১০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা দেশের ক্ষুরা রোগের নমুনা সংগ্রহ করে জানতে পারি দেশে তিন ধরনের ক্ষুরা রোগের উপস্থিতি আছে। পরে গবেষণায় আমাদের রেজাল্ট আসে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান, হেকেপ প্রকল্পের ডিরেক্টর গৌরাঙ্গ চন্দ্র মহান্থা, ড. জাফর ইকবাল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ইউসুফ আলী মোল্লা প্রমুখ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৭৬০৭
পুরোন সংখ্যা