চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০১৯, ২৮ চৈত্র ১৪২৫, ০৪ শাবান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

২১। এবং আরও রহিয়াছে যাহা এখন ও তোমাদের অধিকারে আসে নাই, উহা তো আল্লাহ আয়ত্তে রাখিয়াছেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।


assets/data_files/web

প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


যে শিক্ষিত ব্যক্তিকে সম্মান করে, সে আমাকে সম্মান করে।


বাজারে তরমুজের দাম আকাশচুম্বী
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
১১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুুর শহরের চৌধুরী ঘাট ও ৫নং ঘাট ফল মার্কেটের সামনে ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে তরমুজ বোঝাই ট্রলার এসে ভিড়ছে। আড়তদাররা এ তরমুজ কিনে পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদপুরে আসছে এ কৃষি পণ্য। চাঁদপুর চৌধুরী ঘাট, ৫নং ঘাট ও পালবাজারসহ বাবুরহাট, মহামায়া বাজারে এসব তরমুজ গুদামজাত করা হচ্ছে।



ডাকাতিয়া নদীর তীর ঘেঁষে ৫নং ঘাট ও চৌধুরী ঘাটের ফলের আড়তের তরমুজ ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার সর্ববৃহৎ এ ফলের বাজারের অধিকাংশ ব্যবসায়ী এখন তরমুজ বেচা-কেনায় জড়িয়ে পড়েছেন। ক'দিন আগেও যেসব ব্যবসায়ী ভিন্ন ফলের ব্যবসা করেছেন।



সরজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে লঞ্চ ও ট্রলারযোগে ডাকাতিয়ার তীরে চৌধুরী ও ৫নং ঘাটে তরমুজ আসছে। এর মধ্যে বেশি আসছে ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালীর তরমুজ। সেখান থেকে একশ' হিসেবে তরমুজ কিনে নৌকা বোঝাই করে আনছেন ব্যবসায়ীরা। পরে সেগুলো ঘাটে নিয়ে ঘাট-শ্রমিকরা গুণে গুণে ঝুড়ি ভর্তি করছেন। নষ্ট হওয়া তরমুজগুলো নদীতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। আর আড়তে নেয়ার পর আকার ও জাতভেদে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে। অনেক আড়তদার সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনে চাঁদপুরে নিয়ে আসছেন নিজস্ব পরিবহনে।



বর্তমানে ২০ থেকে ২৫ জাতের তরমুজ উৎপাদন হচ্ছে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, কালা, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২, বালি ইত্যাদি নামে তরমুজ রয়েছে। এসব তরমুজ নদী ও স্থলপথে চাঁদপুরে আনেন আড়তদাররা। আড়তদার থেকে খুচরা বিক্রেতা হয়ে ভোক্তার কাছে পেঁৗছতে প্রতিটি তরমুজের দাম দাঁড়ায় আকারভেদে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা।



৫নং ঘাট ও চৌধুরীঘাটে আকার ও জাতভেদে একশ' তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। প্রায় দ্বিগুণ দামে আড়তদাররা সে তরমুজ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন ৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায়। আর এসব তরমুজ খুচরা বিক্রেতারা ভোক্তার কাছে বিক্রি করছেন ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা।



ভোলা থেকে তরমুজ বিক্রি করতে ৫নং ঘাটে আসা কালাম মিয়া কৃষিকণ্ঠকে বলেন, এখানে প্রতি শ' তরমুজ বিক্রি করছি দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে। ফলন কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশানুরূপ ফলন পেয়েছি।



চৌধুরীঘাটে তরমুজ বিক্রি করতে আসা বরিশালের চাষী ফজলু সরকার কৃষিকণ্ঠকে বলেন, সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকায় একশ' বিক্রি করলেও কার্গো লঞ্চে করে আনতে প্রতিটির খরচ হয় ৮ থেকে ১০ টাকা। আর ঘাট থেকে খালাস করে ব্যবসায়ীদের আড়তে পেঁৗছানো পর্যন্ত প্রতি তরমুজের মোট খরচ ১৬ থেকে ১৮ টাকা পর্যন্ত গুণতে হয়।



চাঁদপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কৃষিকণ্ঠকে বলেন, নষ্ট হওয়া তরমুজ আর শ্রমিক খরচসহ প্রতি একশ' তরমুজ আকারভেদে কিনে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে তরমুজের ভালো সরবরাহ পেয়ে বিক্রেতারা খুশি হলেও ক্রেতাদের কথা বলতে দেখা যায় অভিযোগের সুরে। কালীবাড়ি মোড়ে কথা হয় আল-আমিন হোসাইন নামের এক ক্রেতার সঙ্গে। তিনি জানান, বড় তরমুজ কিনতে চেয়েছিলাম, দাম অনেক বেশি। বড় একটা চায় সাড়ে ৩শ' টাকা। পরে ছোট তরমুজ ১৫০ টাকায় কিনেছি। তরমুজের দাম হাঁকানো হচ্ছে অনেক বেশি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮৯৪৪৮
পুরোন সংখ্যা