চাঁদপুর, রোববার ২ জুন ২০১৯, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৭ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • অনিবার্য কারণে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির আজকের চাঁদপুর সফর স্থগিত করা হয়েছে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্


৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৫। যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, 'সালাম।' উত্তরে সে বলিল, 'সালাম।' ইহারা তো অপরিচিত লোক।


২৬। অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংস গো-বৎস ভাজা লইয়া আসিল।


২৭। ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, তোমরা খাইতেছ না কেন?


 


 


assets/data_files/web

মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে আমি নিজের অভিভাবক। -নিকেলাস রান্ড।


 


 


যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
ঈদ এলেও আনন্দ নেই কৃষকের মনে
মুহাম্মদ আবদুর রহমান গাজী
০২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলার কিছু এলাকাজুড়ে কৃষকের মাঝে নেই ঈদের আনন্দ। ধানের মূল্য কম হওয়ায় কৃষক পরিবারের ঈদ আনন্দ মস্নান হয়ে গেছে। ঈদ দুয়ারে কড়া নাড়লেও নেই কোনো ঈদের আমেজ।



অর্থাভাবে বেশিরভাগ পরিবারে এখনো কেনা হয়নি নতুন জামাকাপড়। কিছু কিছু পরিবার ধান বিক্রি করে কোনো রকমে জীবনধারণ করছে। আবার অনেকেই ঋণের দায়ে বাক্রুদ্ধ হয়ে আছেন। সেসব পরিবারের সদস্যদের ঈদের আনন্দ সস্নান হয়ে গেছে।



জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এ সময়টিতে জমজমাট বিকিকিনি হলেও এ বছরের দৃশ্য ভিন্ন। ঈদের বর্ণিল সাজে দোকানগুলো সাজলেও ক্রেতা কম। কারণ একটাই ধানের মূল্য কম। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কৃষকরা দুই বেলা দুই মুঠো ভাতের জন্যে পরিবার বাঁচাতে যাদের সার্বক্ষণিক দৌড়ঝাঁপ, ঈদ বাজারের দিকে তারা কী আর খেয়াল রাখবে। ঈদ এলেও তারা এখন চরম অসহায়। হাতে নেই টাকা। তাই তাদের ছেলেমেয়েরা ঈদের নতুন জামাকাপড়ের আবদার করলে তারা শুধুই আফসোস করছেন।



হাজীগঞ্জ উপজেলার মেনাপুর গ্রামের কৃষক আনিস মিয়া জানান, কঠোর পরিশ্রম করে এবার তিনি ২৫ শতাংশ জমিতে বোরো চাষ করেছিলেন। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও বাম্পার হয়েছে। আর মাত্র কয়েকদিন পর ঈদ। ঈদ আসার আগেই ধান ঘরে আসায় মহাখুশি হয়েছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সেই ধান ঘরে ওঠার আগেই বাজারমূল্যে ভেঙে পড়েন তিনি।



শুধু আনিস মিয়া নয়, ঈদের আনন্দ মলিন হতে বসেছে ওই উপজেলার অধিকাংশ কৃষক পরিবারের। এ বছর লোকসানের মুখে পড়ে কৃষিকাজে আস্থা হারাচ্ছে এ উপজেলাসহ এ অঞ্চলের কৃষকরা। কৃষক বিল্লাল ও চাঁন মিয়া বলেন, আমরা লোকসান থেকে বাঁচতে সরকারের কাছে ধানের ন্যায্যমূল্যের দাবি করছি। ধানের মূল্য বৃদ্ধি করা হলেও দালালদের কবলে তারা সঠিক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারছেন না।



শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, এ বছর ঋণ করে ধান আবাদ করে প্রায় অর্ধেক টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। আগামীতে তিনি আর ধানের আবাদ করবেন না। ঈদে পরিবারের সবাই নতুন কাপড় পরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করি। এবার সেই ঈদ আনন্দ আমাদের নেই। শুধু ঈদ বলেই নয়। ধান মাড়াই শুরু হলে স্থানীয় বাজারে বিকিকিনি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।



আয়নাতলী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ জানান, আমাদের এ উপজেলায় ধান মাড়াই শুরু হলেই আমাদের বিক্রি বেড়ে যায়। কিন্তু এ বছর ঈদেও আশানুরূপ ক্রেতা নেই মার্কেটে। ধানের দাম কম থাকায় কেনাকাটায় আগ্রহ নেই কৃষকের। ঈদের জন্যে বাহারি ডিজাইনের কাপড় নিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। এবারের ঈদের বাজার তেমন একটা জমছে না বলেও মন্তব্য করেন এ কাপড় ব্যবসায়ী।



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৯৭৩৫
পুরোন সংখ্যা