চাঁদপুর। শুক্রবার ৫ জানুয়ারি ২০১৮। ২২ পৌষ ১৪২৪। ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৩-সূরা আহ্যাব

৭৩ আয়াত, ৯ রুকু, মাদানী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৮। যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।

৫৯। হে নবী! আপনি আপনার পতœীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ক্ষুধাতুর শিশু চায় না স্বরাজ, চায় দুটো ভাত একটু নুন।               -নজরুল ইসলাম।

 


যে ব্যক্তি বিদ্যান্বেষণে ঘরের বাইরে বের হয়, সে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে থাকে।


ফটো গ্যালারি
ডাঃ দীপু মনি : যাঁর হাত ধরে পঁয়ত্রিশ বছর পর চাঁদপুর-৩ আসনটি আওয়ামী লীগ ফিরে পেলো
এএইচএম আহসান উল্লাহ
০৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আলহাজ্ব ডাঃ দীপু মনি এমপি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যাঁকে এতদ্বঞ্চলের মানুষ তথা চাঁদপুরের জনগণ একজন চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ হিসেবেই জানতেন। তাও শুধু সচেতন জনগণের কাছেই তাঁর এই নামে পরিচিতি ছিলো। শুধু চাঁদপুর কেনো, দেশের আমজনতার কাছেও তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার আগ পর্যন্ত একজন চিকিৎসক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু এ মানুষটি যে এতো গুণে গুণান্বিত, তাঁর মাঝে যে এতো প্রতিভা, এতো গুণ, এতো জ্ঞান, এতোটা মানবিক গুণাবলী রয়েছে, তা চাঁদপুরবাসী কেনো দেশবাসীও তেমন একটা জানতো না। (এখানে আমি চাঁদপুরবাসী এবং দেশবাসী বলতে সাধারণ জনগণকে বুঝিয়েছি)। তবে জানতেন একজনই; তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। যাকে বলা যায়, 'রতনে রতন চিনে'।



ডাঃ দীপু মনি এমপি হলে বড়জোর মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী হবেন অথবা প্রতিমন্ত্রী হবেন এমনটাই অনেকে ভেবেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা যে তাঁকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীত্ব দেবেন তা হয়তো অনেকেই ভাবেন নি। তবে যাঁর ভাবার প্রয়োজন তাঁর ভাবনায় যে আগ থেকেই এটা ছিলো তা হয়তো দীপু মনিই কিছুটা বুঝতে পেরেছিলেন। এর জন্যে অবশ্য শেখ হাসিনা আগ থেকেই তাঁকে তৈরি করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি পররাষ্ট্র বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন।



চাঁদপুর-৩ আসনটি সদর ও হাইমচর উপজেলা নিয়ে গঠিত। যদিও ২০০৮ সালের আগে এটি চাঁদপুর-৪ আসন হিসেবে ছিলো। স্বাধীনতার পর (১৯৭৩ সালের পর) থেকে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত টানা ৩৫ বছর এ আসনটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া ছিলো। এ পঁয়ত্রিশ বছরের মধ্যে জাতীয় পার্টির শাসনামলের নয় বছর বাদ দিলে অন্য সময়গুলোতে বিএনপির প্রার্থীই ছিলো এ আসনের এমপি। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসলো তখনও বর্তমান চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করতে পারেন নি। যদিও তখন চাঁদপুরের ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হন। এতেই বুঝা যায় তৎকালীন চাঁদপুর-৪ বর্তমানে চাঁদপুর-৩ আসনটি বিএনপির কেমন শক্ত ঘাঁটি বা দুর্গ ছিলো। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বিএনপির এ দুর্গেই আঘাত হানলেন ডাঃ দীপু মনি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ডাঃ দীপু মনি। প্রায় ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং সাবেক সংসদ সদস্য জিএম ফজলুল হককে পরাজিত করে ডাঃ দীপু মনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দেন। এ আসনটি ফিরে পেয়ে বৃহত্তর আওয়ামী পরিবার এবং স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি তো আনন্দে উদ্বেলিত। দীর্ঘ ৩৫ বছর এ আসনটি আওয়ামী লীগ ফিরে পেলো, তাই আওয়ামী শিবিরে আনন্দের বন্যা। আর আসনটি ফিরে পাওয়া এমন এক নেত্রীর হাত ধরে, যিনি তাঁর নির্বাচনী ওয়ার্কের মাধ্যমে জনগণের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন, তাঁর কৃতিত্বের আগাম বার্তা তিনি তখনই জানান দিয়েছেন। চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার প্রতিটি গ্রাম-বাড়ি তিনি চষে বেড়িয়েছেন। অনেক সময় তাঁর সাথে থাকা সহযোদ্ধাদের ক্লান্তি ভর করলেও তাঁর মাঝে কোনো ক্লান্তি আসতো না। সকালে ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে গিয়েছেন, আবার বিকেলে ১নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে এসে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছেন। সে নির্বাচনেই বুঝা গেছে, তাঁর মাঝে মানুষকে আপন করে নেয়ার যাদুকরী শক্তি আছে। তাঁর সাথে যে কারোই যতো মনোমালিন্য বা বৈরিতাই থাকুক, যদি সে একবার তাঁর সরাসরি সাক্ষাৎ পেয়েছে অথবা কথা বলতে পেরেছে, সে দীপু মনির ভক্ত না হয়ে পারে না। এর বেশ ক'টি দৃষ্টান্ত আমার কাছে রয়েছে। তবে তিনি নীতি এবং আদর্শের ক্ষেত্রে আপসহীন। এ ক্ষেত্রে তাঁর কোনো আপসকামীতা নেই। তিনি যখন নির্বাচনী ওয়ার্কে যেতেন এবং এখনো যান, দেখা গেছে যে, নারীরা তাঁর জনসভাস্থলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। আর তরুণ প্রজন্ম এবং বয়োবৃদ্ধরা তো তাঁর একান্তই ভক্ত। তাঁর গ্রহণযোগ্যতাটা সর্বশ্রেণীর মানুষের কাছে এমন পর্যায়ের যে, সরকারের ঘোর বিরোধী লোকও সততার মানদ-ে থেকে তাঁকে নিয়ে বিরূপ কোনো মন্তব্য করবেন না। কারণ, তিনি সে ধরনের কোনো কাজ করেন নি। আর যারা দলনিরপেক্ষ লোক তারাও ডাঃ দীপু মনির প্রতি প্রচ-ভাবে দুর্বল এবং আস্থাশীল। এটি সত্য যে, এ দুটিই ভোটের রাজনীতিতে অন্যতম নিয়ামক শক্তি। ডাঃ দীপু মনি হয়তো সকলকে খুশি করতে পারেন নি, কারো কারো হয়তো ব্যক্তিগত আবদার রক্ষা করতে পারেন নি, কিন্তু তাঁর দ্বারা কারো কোনো ক্ষতি হয়েছে এমন কোনো উদাহরণ হয়তো কেউ দিতে পারবেন না। একজন মাঠের সংবাদ কর্মী হিসেবে দীর্ঘসময় তাঁকে নিয়ে কাজ করার সুবাদে তাঁর বিষয়ে আমার এই অনুভূতি এবং মূল্যায়ন।



ডাঃ দীপু মনির সামনে এগিয়ে চলা ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে যে শুরু, এখনো পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে। নেত্রীর কাছে তাঁর মূল্যায়ন এবং গ্রহণযোগ্যতায় বিন্দুমাত্র ছেদ পড়েনি। আমরা দেখছি যে, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খুবই আস্থা এবং বিশ্বস্ততায় থেকে তাঁর পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনায় দেশের জন্যে ও দলের জন্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি যদিও বর্তমানে সরকারের মন্ত্রীসভায় নেই, কিন্তু দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সাথে আওয়ামী লীগের কূটনৈতিক যোগাযোগ তিনি রক্ষা করে চলছেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী না হলেও জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্বে থাকায় তাঁকে প্রায়ই জাতীয় সংসদের প্রতিনিধি টিম নিয়ে বিভিন্ন দেশ সফর করতে হয়। এসব সফরে গিয়ে সরকারের এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে তিনি সফল হচ্ছেন। যা সম্প্রতি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যু। আর রোহিঙ্গা বিষয়টি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ডাঃ দীপু মনি যেভাবে উত্থাপন করেছেন হাজার বছরের ইতিহাস তুলে ধরে, যার দ্বারা বিশ্ব বিবেককে তিনি জাগ্রত করেছেন। রোহিঙ্গাদের হাজার বছরের ইতিহাস এর আগে আমরা অনেকেই জানতাম না।



এখন আসা যাক ডাঃ দীপু মনির উন্নয়ন কর্মকা- এবং দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে আংশিক পর্যালোচনায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে ডাঃ দীপু মনি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পুনরায় নির্বাচিত হন। এ নিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এবার এর সাথে আরো যোগ হয়েছে দলের অন্যতম মুখপাত্র এবং দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্ব। অর্থাৎ দল গোছানোর দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে বেশি পড়ে। আরো হয়েছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দলের মনোনয়ন বোর্ডের অন্যতম সদস্য।



ডাঃ দীপু মনি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সকল উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং এখনো করে যাচ্ছেন। মধুমতি পাড়ের কন্যা শেখ হাসিনার সাথে মেঘনাপাড়ের কন্যা ডাঃ দীপু মনির ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথোপকথনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার এক বছরের মাথায় চাঁদপুর-হাইমচরকে নদী ভাঙ্গন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেন। এ খাতে বিরাট অংকের অর্থ বরাদ্দ এক সাথে হয়। যা বিগত ১শ' বছরেও হয়নি। তিন শ' কোটি টাকারও অধিক অর্থ ব্যয়ে চাঁদপুর ও হাইমচরের নদীভাঙ্গন স্থায়ীভাবে রক্ষা পায়। এমনিভাবে বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, ব্রিজ, কালভার্ট, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে তাঁর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সাধারণ হতদরিদ্র নিরন্ন মানুষগুলোর পাশে তিনি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বর্তমান সরকারের পর পর দুই মেয়াদের এই নয় বছরে ডাঃ দীপু মনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার অনেক শিক্ষিত বেকারকে চাকুরি দিয়েছেন। তবে তা যোগ্যতার আলোকেই হয়েছে।



ডাঃ দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন পাঁচ বছর এতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীসভার দায়িত্ব পালনের পরও তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রায়ই এসেছেন। তখন তিনি কোনো কোনো মাসে ২-৩ বারও এসেছেন, আবার বহির্বিশ্বে সফর এবং বাংলাদেশে আগত বিদেশী কূটনীতিকদের সাথে দফায় দফায় নানা বৈঠকের কারণে ওই সময়টুকুতে তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় আসতে কিছুটা সময় পার হতো। তাও সেটা সর্বোচ্চ ২/৩ মাসের ঊধর্ে্ব নয়। আর এখন তো তিনি মাসের মধ্যে গড়ে প্রায় ৩/৪ বারও চাঁদপুর আসেন। এখন তিনি এলাকায় এসে রাষ্ট্রীয় এবং দলীয় প্রায় কর্মসূচিতেও অংশ নেন। বৃহত্তর আওয়ামী পরিবারকে সুসংগঠিত করতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এই আসনে পর পর দু' বার এমপি থাকার সুবাদে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় যে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা-ের রেকর্ড গড়েছেন তার ফলস্বরূপ তাঁর নিবাচনী এলাকার ১টি পৌরসভার মেয়র এবং দুটি উপজেলার মধ্যে ১টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের দখলে। আর দুই উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের মধ্যে ২/৩টি ছাড়া সব ইউপি চেয়ারম্যানই আওয়ামী লীগের। তাই সার্বিক বিবেচনায় এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়_চাঁদপুর ও হাইমচরের সাধারণ জনগণের সাথে এবং দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে ডাঃ দীপু মনির নিবিড় আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। আর কোনো কোনো নেতার সাথে যদি কোনো দূরত্ব থেকেও থাকে তা নিতান্তই ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নিয়ে, সমষ্টিগত কোনো স্বার্থ বিষয়ে নয়। সাধারণ জনগণ, ভোটার এবং দলের নেতা-কর্মীদের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক ঠিকই রয়েছে। অনেকে তাঁকে ভুল বুঝে বাঁকা পথে হাঁটলেও ইতঃমধ্যে অনেকেই সেখান থেকে ফিরে এসেছেন। যা মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা জানতে পেরেছি।



 



সর্বোপরি আমি এ কথাই বলবো, একজন সংবাদ কর্মী হিসেবে, মাঠ পর্যায়ের সাধারণ জনগণের একজন নিবিড় পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসন নিয়ে আমার বিশ্লেষণধর্মী মতামত হচ্ছে_এ আসনটি আওয়ামী লীগকে ধরে রাখতে হলে ডাঃ দীপু মনির বিকল্প প্রার্থী এখনো তৈরি হয়নি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৬৮৭৩
পুরোন সংখ্যা