চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৪ জুন ২০১৮। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৮ রমজান ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৮-সূরা ছোয়াদ

৮৮ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৭০। যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেশতাগণকে বললেন, আমি মাটির মানুষ সৃষ্টি করব।

৭২। যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সম্মুখে সেজদায় নত হয়ে যেয়ো।

৭৩। অতঃপর সমস্ত ফেরেশতাই একযোগে সেজদায় নত হল,

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


একজন কবির ঐশ্বর্য হচ্ছে তাঁর কবিতা সম্ভার।

 -এডমন্ড স্পেনসার।


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


ফটো গ্যালারি
জুয়েলারি গহনার চেয়ে চাহিদা বেড়েছে ইমিটেশনের গহনার
জমে উঠেনি জুয়েলারি দোকানগুলো
স্টাফ রিপোর্টার
১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ঈদকে সামনে রেখে সব ধরনের বিপণীবিতানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় বাড়তে থাকলেও রমজানে ক্রেতার দেখা পাচ্ছে না জুয়েলারি দোকানগুলো। গতকাল চাঁদপুর শহরের কয়েকটি জুয়েলারি দোকান ঘুরে দেখা যায়, কোনো কোনো দোকানে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো ক্রেতাই ছিলো না। কোনো কোনো দোকানে দু-একজন ক্রেতার দেখা পাওয়া গেলেও তারা কেনাকাটা তেমন করছেন না। সব মিলিয়ে এসব দোকানে মন্দাভাব বিরাজ করছে।



জেএম সেনগুপ্ত রোডের সুমন জুয়েলার্সের মালিক সুমন বিশ্বাসের সাথে এ ব্যাপারে কথা হলে তিনি জানান, রমজান শুরুর আগ থেকেই আমাদের বেচা-বিক্রিতে মন্দা যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে ক্রেতা অনেকেই আসে। কিন্তু স্বর্ণের দাম খানিক বেড়ে যাওয়াতে ক্রেতারা রেট জেনে চলে যায়। মনে হচ্ছে ঈদের ২/১ পর দিন হয়তো বেচা-বিক্রি বাড়তে পারে।



চাঁদপুর স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজু জানালেন, এখন সময়টা হচ্ছে জামা কাপড় বিক্রির। এই সময়টা আমাদের ব্যবসার জন্য মন্দা সময়। রোজা উপলক্ষে কেউ তেমন আসে না। তবে ঈদের পর বিক্রি বৃদ্ধি পাবে। ঈদের আগেও কিছুটা ক্রেতা সমাগম থাকবে। এখন টুকটাক বিক্রি হয়। তবে গত মাসের তুলনায় এ মাসে স্বর্ণের ভরিপ্রতি দম কমেছে দেড় হতে দুই হাজার টাকা। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪৬ হাজার টাকা।



অনেক স্বর্ণ ব্যবসায়ীই জানান, এখন মূলত আমাদের ব্যবসার মৌসুম না। তবু বিক্রি যে একেবারেই হয় না তা নয়। আগে যা বিক্রি হতো এখন তার তিন ভাগের এক ভাগ হয়। এখন শুধু অলঙ্কার বানানোর জন্য অর্ডার পাই। সব মিলিয়ে কোনো মতে চলছে ব্যবসা।



ঈদের পরপরই জুয়েলারি দোকানগুলোতে বিক্রি বাড়বে, ক্রেতার দেখা পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি চাঁদপুর জেলা শাখা নেতৃবৃন্দ।



বর্তমান সময় সোনার তৈরি গহনার চেয়ে ইমিটেশনের গহনার চাহিদা রয়েছে প্রচুর। অনেকটা দুধের স্বাদ গোলে মিটানোর মতো অবস্থা। আবার নিরাপত্তার কথা ভেবেও অনেক নারী ইমিটেশনের তৈরি গহনার উপর হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় নতুন ডিজাইনের সুদৃশ্য ইমিটেশনের জিনিস পাওয়া যায়। যা সোনার তৈরি গহনাকেও হার মানায়। দেখলে মনে হবে না সোনার তৈরি না ইমিটেশনের। তাই স্কুল-কলেজপড়ুয়া থেকে শুরু করে সকল বয়সী নারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইমিটেশনের গহনা। বর্তমান সময় জুলেয়ারি দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানেই মিলছে হরেক রকম ডিজাইনের ইমিটেশনের গহনা। আর দামের দিক থেকে অনেক কম।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৪০৭০
পুরোন সংখ্যা