চাঁদপুর, রোববার ১২ মে ২০১৯, ২৯ বৈশাখ ১৪২৬, ৬ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

১২। উহাদের পূর্বেও সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল নূহের সম্প্রদায়, রাস্স ও ছামূদ সম্প্রদায়,

১৩। আদ ফিরআওন ও লূত সম্প্রদায়

১৪। এবং আয়কার অধিবাসী ও তুব্বা সম্প্রদায়; উহারা সকলেই রাসূলদিগকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, ফলে উহাদের উপর আমার শাস্তি আপতিত হইয়াছে। 


assets/data_files/web

একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি সাদা কাকের মতোই দুর্লভ। -জুভেনাল।


 


 


মানুষ যে সমস্ত পাপ করে আল্লাহতায়ালা তার কতকগুলো মাপ করে থাকেন, কিন্তু যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্যতাপূর্ণ আচরণ করে, তার পাপ কখনো ক্ষমা করেন না।


 


 


ফটো গ্যালারি
শিল্পের উৎকর্ষে গণমাধ্যম
পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
১২ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিল্প ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক কেবলমাত্র প্রচারণা নির্ভর তা বোধকরি বোদ্ধা মাত্রেই স্বীকার করতে ব্রতী হবেন না। গণমাধ্যমের গণমানুষের মনে নিজেদের বিজ্ঞাপিত করতে চমকপ্রদ আঙ্গিক এবং গুণগত নৈপুণ্য প্রয়োজন হয় বটে। সেই প্রয়োজনে তারা কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিল্পকে নিজের আঙ্গিকে ও চেতনায় ধারণ করেন। ঠিক এ কারণেই সেলিব্রিটিরা তাদের শিকারের তালিকায় থাকেন শীর্ষে। এক্ষেত্রে তা শিল্পকে প্রাধান্য দেয় না, প্রাধান্য দেয় শিল্পের মানুষটিকে ঘিরে আবর্তিত সংবাদকে। অফিসের জাঁদরেল কর্মকর্তা থেকে শুরু করে হেঁশেলের কর্মী অবধি সকলের কাছে গণমাধ্যম পৌঁছায় এই সেলিব্রিটি সম্পর্কিত হাওয়া থেকে পাওয়া সংবাদ পরিবেশন করে এবং তা মানুষের চরম আগ্রহকে বাহক হিসেবে মিথোজীবী করে। আবার শিল্পেরও সংবাদ হয়ে ছড়িয়ে পড়ার প্রয়োজনে গণমাধ্যমের নৈকট্য দরকার হয়। তাতে শিল্পের উৎকর্ষ হয়তো সাধিত হয় না, কিন্তু শিল্পকে ছড়িয়ে দেওয়া যায় আমজনতার কাছে।



শিল্পের প্রতি গণমাধ্যমের দায়বোধ কিন্তু সংবাদ পরিবেশনেই শেষ নয়। বাস্তবিক সংবাদ পরিবেশনে শিল্পের বিস্তার ঘটতে পারে অবহিতির মাধ্যমে কিন্তু তা শিল্পের বিকাশ কিংবা উৎকর্ষে তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারে না। একটি গণমাধ্যম যখন গণমানুষের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় তখন বরং শিল্পের জন্যে তার কাজ করার পরিসর ও ক্ষেত্র তৈরি হয় অধিক। গণমাধ্যমের পক্ষে শিল্পের পৃষ্ঠপোষক খুঁজে বের করা কিংবা তৈরি করা তুলনামূলক সহজ। প্রথমত নিজেকে বড় পরিসরে বিজ্ঞাপিত করার মানসে অথবা দ্বিতীয়ত বড় পরিসরে আদৌ প্রচারিত না হওয়ার অভিলাষে গণমাধ্যমের অভিপ্রায়ে বিত্তবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংবেদন থাকে সর্বদা। ফলে তার ডাকে শিল্পের পৃষ্ঠপোষক এগিয়ে আসা সুলভ। কখনো কখনো সত্যিকারের শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতায় যে বিত্তবানরা এগিয়ে আসে না তা নয়। তবে সেরকম উদ্যোগী মানুষের সংখ্যা নগণ্য।



শিল্পের উৎকর্ষ সাধনে প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার অবস্থা ও ভূমিকা অনেক বেশি সুদৃঢ়। সেক্ষেত্রে টিআরপি রেটিং একটা বিষয় হলেও গণমাধ্যম দাঁড়িয়ে গেলে তাতে আর ক্ষুদ্র স্বার্থ প্রাধান্য পায় না। পাশ্চাত্যের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো যেভাবে বিগ বস জাতীয় ট্যালেন্ট হান্টিং প্রোগ্রামগুলো চালিয়ে নেয় তাতে মনে হয়, তাদের এই আয়োজন সত্যিকার অর্থেই প্রতিভার অন্বেষণই বটে। আমরা পার্শ্ববর্তী দেশের গণমাধ্যমের কথা জানি যারা ড্যান্স ইন্ডিয়া ড্যান্স কিংবা সারেগামাপা-এর মাধ্যমে মেধাকে শাণানোর কাজে ব্রতী হয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলে থাকা এইসব আয়োজনে শিল্পী কেবল প্রতিযোগী হয়ে নিজেকে মেলে ধরতেই পারে না বরং শিল্পী নিরন্তর এখানে তার শিক্ষাপর্ব সমাপন করে মেন্টরের দীক্ষা পায় এবং প্রতিযোগিতা সূচনার অপরিণত কাঁচামাল প্রতিযোগিতার শেষদিকে এসে একটি আন্তর্জাতিক মানের পণ্যে পরিণত হয়। অর্থাৎ, এইসব আয়োজনের মাধ্যমে শিল্পের উৎকর্ষ সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশেও কয়েকটি প্রাইভেট চ্যানেলে শিল্পের উৎকর্ষ সম্পন্নকারী বড় মাপের যজ্ঞ চলমান আছে। এর মধ্যে খুদেগানবাজ কিংবা 'তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ'-এর মাধ্যমে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগ ও মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকটি চ্যানেলে বিতর্ক বিষয়ক প্রতিযোগিতাকে পরিসর প্রদান করে সত্যিকারের শিল্প অনুরাগ প্রদর্শনের নমুনা পাওয়া যায়। শিল্প এতে নিজে যেমন উৎকর্ষের পথ খুঁজে নেয় তেমনি অনেকের উৎকর্ষের জন্যে পথ খুলে দেয়।



প্রিন্ট মিডিয়াগুলো হয়তো শিক্ষাহীন মানুষের কাছে তত কার্যকর নয়, তবুও তাদের শিল্পোৎকর্ষের প্রয়াস ইলেকট্রনিক মিডিয়ার চেয়ে কিছুটা শ্লথ হলেও দীর্ঘজীবী। বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকগুলোর অনেকেই শিল্পের উৎকর্ষ সাধনে কেবল প্রণোদনা নয় পরিকল্পিত প্রয়াস নিয়ে থাকে। তবে এতে কর্পোরেট বাণিজ্য ও তার ব্যবস্থাপনার বিষয়টি মূল ইন্ধনদাতা। অধিকাংশ জাতীয় দৈনিকের জন্ম যেনো একজন শিল্পপতির ঔরসে যিনি তার অর্জিত অর্থের সুনাম বৃদ্ধিতে অন্য ব্যবসাকে সুরক্ষা দানের অভিভাবকসুলভ সত্তা হিসেবে প্রকাশনামূলক সংবাদ মাধ্যমকে দাঁড় করান। এতে করে তাদের পক্ষে সামাজিক দায়বদ্ধতা বিষয়টি কম গুরুত্ব পেয়ে আত্মসুরক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পায় এবং সেই চলনরেখা ধরে তারা শিল্পের উৎকর্ষে বিনিয়োগ করে।



যে রকমভাবে জাতীয় দৈনিকগুলো কর্পোরেট ক্যাঙ্গারু মাদারের পরিচর্যা পায় ঠিক তার উল্টোভাবেই স্থানীয় বা মফস্বলের দৈনিকগুলো অবহেলিত থাকে মিডিয়া মোগলদের কাছে। স্থানীয় দৈনিকগুলোর ভেদন সক্ষমতা কিন্তু অধিকতর তীক্ষ্ন, কেননা স্থানীয় পর্যায়ে খুঁটিনাটি খবর তারা যত্ন সহকারে পরিবেশন করতে পারে, যাতে ভুক্তভোগী মানুষের দুর্দশা লাঘব হতে পারে। অনিশ্চিত অর্থনীতির উপর দাঁড়িয়েও কিছু কিছু স্থানীয় দৈনিক চিন্তা করে অল্প-স্বল্প স্বতঃপ্রণোদিত সামাজিক প্রয়াসের। ইলিশের বাড়িখ্যাত চাঁদপুরের প্রতিষ্ঠিত দৈনিক পত্রিকা 'দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ'ও নিজের প্রাচুর্যহীন অর্থনীতির উপর দাঁড়িয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে শিল্পের উৎকর্ষ সাধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার। তৃণমূলের মানুষের সবচেয়ে বড় বাধা হলো সাহসে ভর করে কথা বলা। অর্থাৎ নিজের মতামত বা চাহিদা প্রকাশে স্বরশক্তির দুর্বলতা। এই দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠতে পারে না বলেই মফস্বলের মেধাবী মানুষ থেকে যায় অমূল্যায়িত বা অবমূল্যায়িত। অথচ বাংলাদেশকে এগিয়ে সামনের কাতারে নিতে হলে মফস্বলের এইসব কণ্ঠকে শোনা দরকার। মূলতঃ এই তাগিদ থেকেই চাঁদপুর কণ্ঠ এগিয়ে এসেছে তৃণমূলের কণ্ঠকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে। পাঞ্জেরী যদিও এখানে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে, তবুও চাঁদপুর কণ্ঠের আত্মপ্রত্যয়ী নিবেদনধর্মী পদযাত্রার কারণেই মফস্বলের এই জেলা শহরে বিতর্কের মতো একটি নিরস বিষয়কে চর্চার কর্মযজ্ঞ আজ সফল হয়ে উঠেছে।



বিতর্ক কী তা আদৌ মফস্বলে জানার কথা নয় তৃণমূলের লোকদের। অথচ এই বাচিক মাধ্যমটিই শিল্পের মর্যাদায় সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে জেলাব্যাপী কেবলমাত্র স্বার্থের ঊধর্ে্ব থেকে চাঁদপুর কণ্ঠের কর্ম পরিচালনার কারণে। প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং এই কর্মযজ্ঞের উৎসাহদাতা আর প্রধান সম্পাদক নিজেই এই মহৎ কর্মের অবৈতনিক শ্রমিক। কেবল শ্রম নিবেদনেই যথেষ্ট নয় তাঁর অবদান। নিজের নিদ্রাকালকে সংকীর্ণ করে তিনি বিতর্ক শিল্পীর ভোরকে ত্বরান্বিত করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। সিংহভাগ আর্থিক সহযোগিতার যোগানদানের পাশাপাশি পত্রিকার কর্মীবাহিনীকে আট উপজেলাজুড়ে বিতর্কশিল্পী চাষের মহান কাজে নিয়োজিত রাখাটা কোনো দৈনিকের পক্ষে সহজ কাজ নয়। শিল্পের প্রতি গভীর অনুরাগে সমাজ ও সময়ের প্রতি পবিত্র দায়বোধ হতে উৎসারিত কর্মস্পৃহাকে বাস্তবে অনূদিত করে চলেছে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জেলাব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতার এ মহামঞ্চ আজ ব্র্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।



শিল্পের প্রতি গণমাধ্যমের যে অনুরাগ তারই একটি নিঃস্বার্থ দৃষ্টান্ত দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ কর্তৃক একাদশ বছর ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া পাঞ্জেরী-দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। কেবল আয়োজন নয়, এইসব নবআলোকিত শিল্পযোদ্ধাদের উপযুক্ত উপকরণ সরবরাহ করতে চাঁদপুর কণ্ঠ দিয়েছে শিল্পের পাঠ। উপযুক্ত গ্রন্থের সহায়তা দিয়ে, উপযুক্ত কর্মশালার মাধ্যমে শাণিত করে যুক্তির বিপ্লবকে এগিয়ে নিতে পত্রিকা হয়েও সে জন্ম দিয়েছে বিতর্ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। বিতর্ক কেবল এখানে একটি শিক্ষণের বিষয় নয়, বিতর্ক একটি চেতনার নাম। এই চেতনাকে জাগিয়ে দিয়ে, যুক্তিশিল্পযোদ্ধাদের তাঁতিয়ে দিয়ে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ আজ সারাদেশে হয়ে আছে অনুকরণীয়, যদিও এই প্রচার দেশজুড়ে এখনও ছড়িয়ে পড়েনি। যেদিন ছড়াবে সেদিন ইতিহাস তার শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে যাবে। পত্রিকাটি সবেমাত্র তার রজতজয়ন্তীর পূর্ণতা উপভোগ করছে। এরই মধ্যে শিল্পের উৎকর্ষ সাধনে তার অবদান পার হয়েছে একদশকের চেয়ে এক মৌসুম বেশি। বিত্ত নয়, মনোবৃত্তিই তার কর্মোদ্যম। আর এর মাধ্যমে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ পাড়ি দিয়েছে সময়ের বন্ধুর পথ, তথ্যের শত্রুসংকুল জগৎ।



প্রতিনিয়ত যে অমূল্যস্থান বিতর্কের জন্যে বিসর্জিত হয় পত্রিকায়, তা যদি বিজ্ঞাপনে ভরাট হতো তবে এতোদিন দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ একটি ব্যাংকের মালিকানা পেতো। কিন্তু আর্থিক ব্যাংকের মালিকানা না পেলে কী হবে, চাঁদপুর কণ্ঠ আজ তার এই স্বর্গীয় বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিতর্কপ্রেমী সকলের মনে কিনে নিয়েছে আপন স্থান। এই অর্জন বিরল, এই অর্জন অমূল্যের। বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই কেবল শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হচ্ছে তা নয়, বিতর্ককে কেন্দ্র করে প্রকাশিত 'বিতর্কায়ন' নামক বিশেষ প্রকাশনায় দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ সৃষ্টি করতে পেরেছে বিতর্ক সাহিত্য নামে একটি আলাদা সৃজনশীল জগৎ। এতে বিতর্কের কারিগরি ও কৌশলের দিকগুলো যেমন উঠে আসে তেমনি বিতর্কযোদ্ধাদের প্রেরণা দিতে জাগরণী সাহিত্যের অবতারণা ঘটেছে। এইসব সাহিত্য-সন্দেশ আহরণ করে বিতর্ক-কিশলয়েরা ঋদ্ধ ও সুনির্মিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পাশাপাশি বিতার্কিকেরা নিজেও বিতর্ক বিষয়ক ভাবনাগুলো সৃজনশীল প্রক্রিয়ায় লিপিবদ্ধ করে বিতর্কায়নের মাধ্যমে রেখে দিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতের কোলে। এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যে সকল মা বা অভিভাবক নিয়মিত তাদের সন্তানদের নিয়ে আসেন, তারা নিজেরাও আজকাল চিন্তার সীমানাকে প্রসারিত করতে পেরেছেন। যারা কেবল সুগৃহিণী হলেই বর্তে যেতেন তারা আজ এই প্রতিযোগিতার চৌম্বকীয় ক্রিয়ায় এক একজন মহান চিন্তাবিদে পরিণত হচ্ছেন। অন্তত তাদের ভাবনা-চিন্তাগুলো আজ যুক্তির ঋদ্ধতায় উৎকর্ষ লাভ করেছে।



শিল্পের উৎকর্ষ সাধনে গণমাধ্যম একটি পিতৃপ্রমাণ অস্তিত্ব। গণমাধ্যম যদি সুপ্রয়াসের মাধ্যমে শিল্পকে শাণিত ও প্রাণিত করে তোলে তবে সমাজ আলোকনের মহান কাজটি তাদের দ্বারা অনায়াসে সুসম্পন্ন করা সম্ভব হবে। গণমাধ্যম কেবল রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ নয়,গণমাধ্যম রাষ্ট্রের শিল্পসূতিকাগার হয়ে উঠুক এই হোক আজকের পবিত্র কামনা। প্রতিটি গণমাধ্যম হয়ে উঠুক এক একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প-বিদ্যালয়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৫৭০৯
পুরোন সংখ্যা