চাঁদপুর। শনিবার ২০ মে ২০১৭। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ২৩ শাবান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • উচ্চ মাধ্যমিকে পাস ৬৮.৯১ শতাংশ
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। মূসা যখন তাহার মেয়াদ পূর্ণ করিবার পর সপরিবারে যাত্রা করিল, তখন সে তূর পর্বতের দিকে আগুন দেখতে পাইল। সে তাহার পরিজনবর্গকে বলিল, ‘তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখিয়াছি, সম্ভবত আমি সেথা হইতে তোমাদের জন্য খবর আনিতে পারি অথবা একখন্ড জ্বলন্ত কাষ্ঠ আনিতে পারি যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পার।’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


প্রকৃতি বিধাতার অমূল্য দান।


-টমাস ফুলার।

যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবেনা।


বিতর্ক সংগঠক সাক্ষাৎকার-১
এ প্রতিযোগিতা দীর্ঘস্থায়ী করতে অবশ্যই কাজ জানা ও কাজে লেগে থাকাদের মূল্যায়ন করতে হবে
কামরুজ্জামান টুটুল
বিতর্কাঙ্গন প্রতিবেদন
২০ মে, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন (সিকেডিএফ) হাজীগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান টুটুল। তিনি চাঁদপুর কণ্ঠের হাজীগঞ্জ ব্যুরো ইনচার্জ। বিতর্ক সংগঠক হিসেবে তিনি বিগত বছরগুলোতে এবং বর্তমানেও নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। হাজীগঞ্জ উপজেলার হাই স্কুল, কলেজসহ সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে অংশগ্রহণ করানোর ক্ষেত্রে তিনি উদ্বুদ্ধ করেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে সমন্বয় সাধন করেন। এর ফলে তার উপজেলায় বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। বিতর্কায়নের পক্ষ থেকে তার একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। এই সাক্ষাৎকারে তিনি যা বলেছেন, তা নিম্নে তুলে ধরা হলো :-



বিতর্কায়ন : পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার এ আয়োজনে আপনি কি উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত, না বিরক্ত?



কামরুজ্জামান টুটুল : দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে চলমান এমন একটি আয়োজনের সাথে নিজেকে জড়িত রাখতে পেরে অবশ্যই আমি উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত। আমি এজন্যেই অনুপ্রাণিত বা উৎসাহিত যে, এই বিতর্কের প্রয়োজনে কাজ করতে গিয়ে ভালো ভালো কিছু লোকের সানি্নধ্য পেয়েছি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, এমনকি বিতার্কিকদের সাথে আন্তরিকতা বেড়েছে। আর বিরক্তির তো প্রশ্নই উঠে না।



বিতর্কায়ন : জেলা পর্যায়ে একটি পত্রিকা প্রকাশনার বাইরে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিতর্ক প্রতিযোগিতার মতো বিশাল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত বলে আপনি মনে করেন?



কামরুজ্জামান টুটুল : নিরবচ্ছিন্নভাবে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের সাথে ধারাবাহিকভাবে বছরের পর বছর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিতর্কের মতো একটি আয়োজনকে সফলতার সাথে ধরে রাখা চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশনের সফলতা বলে আমি মনে করি। সামাজিক দায়বোধ থেকে বিতর্কের আয়োজন অবশ্যই যুক্তিযুক্ত। কারণ বিতর্কে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে গিয়ে ঐ শিক্ষার্থীরা অনেক কিছু শিখতে পারছে। যেমন উচ্চারণ, শুদ্ধাচার, স্পষ্টভাবে কথা বলা, কথা বলার কৌশল ও ধরণ জানা, যে কোনো বিষয়ে যুক্তি খ-ন, মাইকের সামনে কথা বলা, মোদ্দা কথা সুন্দর বাচনভঙ্গি। এমনকি যে কোনো পরিবেশে কথা বলা সবই বিতর্ক চর্চায় সম্ভব। সেজন্যে চাঁদপুর কণ্ঠের বিতর্ক আয়োজনকে যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।



বিতর্কায়ন : সহযোগী পত্রিকা, সমাজসেবক ও সমাজের সুধীবৃন্দ এ আয়োজনকে কোন্ দৃষ্টিতে দেখছেন বলে মনে করেন?



কামরুজ্জামান টুটুল : পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক আয়োজনকে সহযোগী পত্রিকা, সমাজসেবক ও সুধীবৃন্দ বরাবর সাধুবাদ জানিয়ে আসছেন। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এ আয়োজনে ধারাবাহিকভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। এ থেকে বুঝা যায়, সবাই এই বিতর্ক আয়োজনকে ভালো দৃষ্টিতে দেখছেন।



বিতর্কায়ন : আপনি কি চান আপনার উপজেলার কোনো স্কুল বা কলেজ এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হোক? এ ক্ষেত্রে ইউএনও এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার যে প্রশিক্ষণের কথা বলেছিলেন সে ব্যাপারে আপনি কতটুকু চেষ্টা চালিয়েছেন?



কামরুজ্জামান টুটুল : প্রথমত আমি অবশ্যই চাই আমার উপজেলার কোনো স্কুল বা কলেজ দল চ্যাম্পিয়ন হোক। এটা যে কোনো বিতর্ক সংগঠকের মনের বাসনা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে আমি মনে করি। মজার কথা হলো, আমার উপজেলার দল চ্যাম্পিয়ন হলে আমিও সেরা সংগঠকের পুরস্কার পাবো-এই খায়েশটা মনে মনে সবসময় পোষণ করি। সম্প্রতি হাজীগঞ্জে অনুষ্ঠিত প্রান্তিক পর্বের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম মজুমদার ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলী রেজা আশরাফী তাঁদের স্ব-স্ব বক্তব্যে বলেছেন যে, বিতর্ক দলগুলোর জন্যে একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করবেন। আর এ বিষয়ে তাঁদের



 



সাথে আমার বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, অবশ্যই এই আয়োজন হবে অফিসিয়াল কাজের চাপ একটু কমে আসলে।



বিতর্কায়ন : এ প্রতিযোগিতার উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতাটি দীর্ঘস্থায়ী করতে আপনার বক্তব্য কী?



কামরুজ্জামান টুটুল : আমরা যারা এই আয়োজনের সাথে রয়েছি অবশ্যই এর উন্নয়ন চাই। এই প্রতিযোগিতাকে আরো গতিশীল করতে চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন যে দায়িত্ব দিবে তা আন্তরিকতার সাথে করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এ প্রতিযোগিতা দীর্ঘস্থায়ী করতে অবশ্যই কাজ জানা ও কাজে লেগে থাকাদের কাজে লাগাতে হবে ও যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। এখানে কাজ করতে এসে কিছু দেবার ইচ্ছা যাদের আছে তাদেরকে এই প্রতিযোগিতার সাথে রাখলে এ প্রতিযোগিতা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আমি মনে করি।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৫৫৯৬৩
পুরোন সংখ্যা