চাঁদপুর। শনিবার ২০ মে ২০১৭। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ২৩ শাবান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। মূসা যখন তাহার মেয়াদ পূর্ণ করিবার পর সপরিবারে যাত্রা করিল, তখন সে তূর পর্বতের দিকে আগুন দেখতে পাইল। সে তাহার পরিজনবর্গকে বলিল, ‘তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখিয়াছি, সম্ভবত আমি সেথা হইতে তোমাদের জন্য খবর আনিতে পারি অথবা একখন্ড জ্বলন্ত কাষ্ঠ আনিতে পারি যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পার।’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


প্রকৃতি বিধাতার অমূল্য দান।


-টমাস ফুলার।

যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবেনা।


বিতর্ক সংগঠকের সাক্ষাৎকার-৩
ফরিদগঞ্জে বিতর্কের উর্বরতাকে আরো শাণিত করতে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা : প্রবীর চক্রবর্তী
বিতর্কায়ন প্রতিবেদন
২০ মে, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনে বিগত ৮ বছর ধরে এবং চলতি বছরে একজন সংগঠক হিসেবে যিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চলছেন, তিনি হচ্ছেন সিকেডিএফ ফরিদগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং চাঁদপুর কণ্ঠের ফরিদগঞ্জ ব্যুরো ইনচার্জ প্রবীর চক্রবর্তী। অবস্থা এমন, বিতর্কের পেছনে তিনি এখন কেবল ঘুরেন না, বিতর্কও তার পেছনে ঘুরে। বিতর্কায়নের পক্ষ থেকে তার একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। এই সাক্ষাৎকারে তিনি অকপটে বলেন এমন কিছু কথা, নিম্নে যা হুবহু তুলে ধরা হলো:-



বিতর্কায়ন : কেন, কী কারণে ফরিদগঞ্জকে বিতর্কের উর্বর ভূমি বলা হয়?



প্রবীর চক্রবর্তী : অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিতর্ক বিষয়ে আগ্রহের কারণে ফরিদগঞ্জকে বিতর্কের উর্বর ভূমি হিসেবে বলা হয়। গত ৮ বছর স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৮টি ফাইনালের ১৬টি চ্যাম্পিয়নশীপের মধ্যে ৮টিই ফরিদগঞ্জ উপজেলার দখলে। তবে এ উর্বরতাকে আরো শাণিত করতে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা।



বিতর্কায়ন : আপনি পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক করতে গিয়ে কতটা আনন্দিত ও বিরক্ত ?



প্রবীর চক্রবর্তী : আনন্দের যেমন ভাষা নেই, তেমনি সীমা নেই। তবে বিরক্তির দুটোই রয়েছে। যখন দেখি কোনো প্রতিষ্ঠান নিজেরা আগ্রহী হয়ে নাম এন্ট্রি করেও পরবর্তীতে নানা অজুহাত দেখিয়ে প্রতিযোগিতার সময় আসে না। তখন তা নিজের কাছে খুব কষ্টকর মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়।



বিতর্কায়ন : একজন বির্তক সংগঠক হিসেবে পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ককে আপনি কোন্ দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করতে চান ? আর সমাজের সুধীবৃন্দ এই বিতর্ককে কতটা ইতিবাচক হিসেবে ভাবছে বলে আপনি মনে করেন?



প্রবীর চক্রবর্তী : একজন সংগঠক হিসেবে বলবো, আমাদের প্রাপ্তি অনেক। এক সময় শুধু লেখাপড়া করে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেই তাকে সকলে ভাল ছাত্র হিসেবে মূল্যায়িত করতো। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরুর পর দেখেছি, কোনো শিক্ষার্থী যদি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, তাহলে তাকে প্রকৃত মেধাবী বলে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ তার মধ্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়তি কিছু দেয়ার আছে, যা বিতর্কে পরিস্ফুটিত হয়। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতাকে সমাজের সকল স্তরের লোকজন ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বলে আমি মনে করি। তবে এ প্রতিযোগিতাটিকে আরো সম্প্রসারিত ও মানসম্পন্ন করতে প্রয়োজন অর্থের। সে ক্ষেত্রে সমাজের বিত্তশালীরা তাদের চিত্তটিকে ভালভাবে সম্প্রসারিত করছেন না বলে আমার মনে হয়।



বিতর্কায়ন : আপনি কি মনে করেন আপনার উপজেলার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো যোগ্যতা রাখে? মাননীয় এমপি, সম্মানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র বিতর্কের প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনে যে পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দিয়েছেন, সে আশ্বাস অনুযায়ী সিকেডিএফ ফরিদগঞ্জ কতটা লেগে আছে? আদৌ কি এই কর্মশালা হবে?



প্রবীর চক্রবর্তী : অবশ্যই। অন্তত দু'তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা এবার জেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আসলে রাজনীতিবিদরা সব সময় আশ্বাস দিতে ভালবাসেন। বাস্তবায়নটা একটু সময় সাপেক্ষ। আশা করছি অচিরেই ফরিদগঞ্জ উপজেলার অন্তত ২৫-৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করতে সিকেডিএফ ফরিদগঞ্জ সক্ষম হবে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকার এজন্যে ফান্ড রেখেছেন বলে জানিয়েছেন।



বিতর্কায়ন : উপরোক্ত প্রশ্নমালার বাইরে আপনার কোনো বক্তব্য থাকলে উল্লেখ করতে পারেন।



প্রবীর চক্রবর্তী : বিতর্ক একটি শিল্প। আমরা যারা এর শ্রমিক রয়েছি, তাদের কাজ হলো শুধু শ্রম দিয়ে যাওয়া। যারা অংশগ্রহণকারী, তাদের কিছু প্রতিষ্ঠান প্রধানের বক্তব্য শুনলে কষ্ট পাই। নিজেদের ভুল না দেখে শুধু বিচারকদের দায়ী করতে ভালবাসেন(!)। তাদেরকে একজন সংগঠক হিসেবে বিনীত অনুরোধ, বিতর্কানুষ্ঠানকে একটি শিল্প ও মেধা বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবে ভেবে শিক্ষার্থীদের আরো উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বিতর্কে যারা আসে তারা কেউ পরাজিত হয় না-এ কথাটিকে মাথায় রাখতে হবে। পরিশেষে সকলকে সিকেডিএফ ফরিদগঞ্জের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮১০৬৫
পুরোন সংখ্যা