চাঁদপুর। রোববার ১৩ মে ২০১৮। ৩০ বৈশাখ ১৪২৫। ২৬ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭-সূরা সাফ্ফাত


১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৪৩। যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,


১৪৪। তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।


১৪৫। অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ-বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপকরি, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।


১৪৬। আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।


১৪৭। এবং তাঁকে, রক্ষক বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


চরম ধ্বংসের মধ্যে দাঁড়িয়ে মানুষ মহৎ দৃষ্টান্ত রেখে খেতে পারে। -হান্নামুর।


 


 


যে কোন ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দোয়া করলে তা অতিসত্বর কবুল হয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
দলপ্রধানের করণীয়
ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
১৩ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বিতর্ক একটি দলগত শিল্প এবং অবশ্যই একটি দলগত প্রয়াস। একটি ভালো মানের দল গঠন করতে না পারলে বিতর্কে ভালো কিছু আশা করা কঠিন। ভালো মানের দল বলতে মূলত ভারসাম্যপূর্ণ দল। যেহেতু প্রতিটি বক্তারই যার যার বক্তব্য পেশ করতে হয়, তাই কেউ একজন দুর্বল হলে তার সঙ্কট পুরো দলকে ভোগ করতে হয়। একজন বক্তার দুর্বলতায় ফলাফল উল্টে যেতে পারে। তাই একটি বিতর্ক দলে এক বক্তা দুর্বল হয়ে দলপ্রধান তুখোড় হলে কোনো লাভ নেই। তিনজন বক্তার মধ্যে ব্যবধান ঊনিশ-বিশ হতে পারে, তবে তা আকাশ-পাতাল নয়।



বিতর্কের প্রস্তাবনা পাওয়ার পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দলনেতার বসা উচিত। সব দায়-দায়িত্ব কেবল দলপ্রধানের ঘাড়ে চাপানো ঠিক নয়। একজন দলপ্রধানের কী কী করণীয় তা পরবর্তী আলোচনা হতে জানা যাক।



ক) বিষয়বস্তু নিয়ে সবাই একসাথে বসে গভীর অভিনিবেশে চিন্তা করুন। নিজেদের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান পরিষ্কার করুন। কীভাবে পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াবেন তা নির্ণয় করুন।



খ) দলের তিন বক্তাই আলাদা আলাদা নিজের মূল বক্তব্য তৈরি করুন।



গ) অতঃপর মূল বক্তব্যে কী কী ঘাটতি তা নিরূপণ করুন। প্রয়োজনে বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করুন।



ঘ) অন্য দুই বক্তার বক্তব্যের সাথে সমন্বয় করে দলপ্রধান নিজের বক্তব্য তৈরি করুন।



ঙ) নিজেদেরকে প্রতিপক্ষ ভেবে প্রতিপক্ষের যুক্তিগুলো তৈরি করুন। এবার এই যুক্তির বিপক্ষে যুক্তিখ-নগুলো আলাদা কাগজে লিখে রাখুন, যা নিজেদের যুক্তি খ-ানোর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।



চ) আপনার প্রথম ও দ্বিতীয় বক্তার সূচনা ও উপসংহার ঠিক করুন। নিজের বক্তব্যের জন্য চমকপ্রদ একটি সূচনা ও উপসংহার তৈরি করে রাখুন।



ছ) দুই বক্তার বক্তব্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।



জ) তিনজন বক্তা ঐকমত্য হয়ে সংজ্ঞাগুলো ঠিক করুন। সংজ্ঞা নিরূপণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাঠ্যপুস্তক কিংবা গুগলের সাহায্য নিন। সংজ্ঞায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বক্তার সংজ্ঞাকে বিস্তৃতকারী কিছু উদাহরণ ও উদ্ধৃতি ঠিক করুন এবং দ্বিতীয় বক্তা ও দলনেতা নিজেদের বক্তব্যে তার প্রয়োগ ঘটান।



ঝ) অন্য দুই বক্তার বক্তব্য ঠিক করতে গিয়ে দলপ্রধান নিজের বক্তব্য বা প্রস্তুতি দুর্বল করবেন না। বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা প্রাপ্তি ও নিজেদের অবস্থানবিন্দু নির্ণয়ের পর সবাই যার যার প্রচেষ্টায় নিজেদের তৈরি করবেন।



ঞ) দলপ্রধান অবশ্যই নিজেদের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ তৈরি করবেন এবং তা যথাযথভাবে বলবেন। প্রযোজ্যক্ষেত্রে অবশ্যই সমাধান দিয়ে আসবেন। সমাধানে আইনের উল্লেখ থাকলে তার ধারাগুলো প্রকাশ করবেন। যেমন : 'হরতাল বন্ধে কঠোর আইন জরুরি।' এই প্রস্তাবনার পক্ষে যদি আপনার অবস্থান হয় তবে দলনেতাকে আইনের স্বরূপ, শাস্তির বিধান, শাস্তির প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন ইত্যাদি সব উল্লেখ করে সমাধান দিতে হবে।



একজন দলপ্রধান একটি বিতর্ক দলের অমূল্য সম্পদ। দলপ্রধানের নৈপুণ্য একটি দলকে টেনে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যায়। কাজেই দলপ্রধানকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ দিন এবং তাকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করুন। দলপ্রধানের উপর বোঝা হয়ে না চেপে তাকে আশ্বস্ত করুন। নিজ দলের প্রথম দুই বক্তার উপর আস্থা রেখে দলপ্রধান নিজের জন্যে পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ রাখা আবশ্যক। তাতে দলকে এগিয়ে নিতে তার সহজ হয়ে যায়।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩১৭৬৬
পুরোন সংখ্যা