চাঁদপুর। শনিবার ৪ আগস্ট ২০১৮। ২০ শ্রাবণ ১৪২৫। ২১ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু'মিন


৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। তারা কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে না, যাতে দেখত তাদের পূর্বসূরিদের কী পরিণাম হয়েছে? তাদের শক্তি ও কীর্তি পৃথিবীতে এদের অপেক্ষা অধিকতর ছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে তাদের গুনাহের কারণে ধৃত করেছিলেন এবং আল্লাহ থেকে তাদেরকে রক্ষাকারী কেউ হয়নি।


২২। এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে আগমন করত, অতঃপর তারা কাফের হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তাদের ধৃত করেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিধর, কঠোর শাস্তিদাতা।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


 


আল্লাহর কাছে আত্মসমপর্ণই একমাত্র মলম যা দ্বারা তাঁর দেয়া ক্ষত সারানো যেতে পারে।


-ইমোনস্।


 


 


 


 


নারী পুরুষের যমজ অর্ধাঙ্গিনী।


 


 


বিতর্ক একাডেমি নিয়ে আমার কিছু কথা
সানজিদা আক্তার নীলা
০৪ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এখনও মনে পড়ে সেই রৌদ্রোজ্জ্বল দিনটির কথা। ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮। বলছি বিতর্ক একাডেমির প্রথম দিনটির কথা। অনেক উত্তেজনা নিয়ে ক্লাস করতে গিয়েছিলাম। ঐদিন বিতর্ক একাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল রেলওয়ে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মাঠে। ছোট্ট মাঠ। অনেক রোদ ছিল। সেখানে গিয়ে দেখলাম অনেক শিক্ষক এবং অতিথিরা এসেছেন, যাদের অনেককেই তখন আমি চিনতাম না। যাই হোক, অনুষ্ঠান দেখতে লাগলাম। সেদিন কাজী শাহাদাত আংকেল যে কোনো একজনকে সামনে গিয়ে মাইক্রোফোনে কথা বলতে বলেছিলেন। কিন্তু সেদিন কেউই যায়নি। আমিও সাহসের অভাবে যেতে পারিনি। যাই হোক, তারপর ক্লাস শুরু হলো। ক্লাস করলাম। খুব ভালো লাগলো। তারপর ধীরে ধীরে বিতর্ক একাডেমির শিক্ষকম-লী যথাক্রমে পীযূষ স্যার, সামীম স্যার, রাসেল স্যার, বন্যা ম্যাম এছাড়াও রাজন দা অন্যান্য সবার সাথেই পরিচয় হলো। তাদের সাাথে ক্লাস করার পর থেকে অভিভূত হয়ে একটি কথাই বারবার ভাবতাম, একজন মানুষ কীভাবে এত সুন্দর করে কথা বলতে পারে? তারপর থেকে একটি ইচ্ছা আমাকে অাঁকড়ে ধরতে শুরু করলো-'ইশ্, আমিও যদি একদিন তাদের মতো অনবরত কথা বলতে পারতাম।'



এই বিতর্ক একাডেমির কারণেই আমি জানতে পেরেছি বিতর্ক কী, বিতার্কিকদের উদ্দেশ্য কী, বিতর্কের স্বাদ কেমন, বিতর্কের রংটাই বা কেমন? বিতর্ক একাডেমির কারণেই আমি পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেরাদের সেরা হতে পেরেছি। বিতর্ক একাডেমির কারণেই আমি জানতে পেরেছি একজন বিতার্কিকের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হওয়া নয়। একজন বিতার্কিক হিসেবে আমার বিতর্কের উদ্দেশ্য একটিই-আমি বিজয়ী না হই কিন্তু আমি যাতে বিতর্ককে নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারি। আমি সত্যিই বিতর্ক একাডেমি নিয়ে গর্বিত। আমি বেশি গর্বিত কারণ আমি বিতর্ক একাডেমির প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। আমার এখন একটি ইচ্ছা আছে, তা হলো-এই বিতর্ক একাডেমি যতদিন থাকে আমি যেন ততদিন এই বিতর্ক একাডেমির শিক্ষার্থী হিসেবে থাকতে পারি। সবশেষে যারা বিতর্ক একাডেমির জন্যে কাজ করছেন, যাঁরা আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের একজন বিতার্কিক হিসেবে গড়ে তুলছেন তাদের প্রতি আমার পক্ষ থেকে রইলো অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।



 



লেখক : বাবুরহাট হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৮৬৪০
পুরোন সংখ্যা