চাঁদপুর। রোববার ১৯ আগস্ট ২০১৮। ৪ ভাদ্র ১৪২৫। ৭ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু'মিন


৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫১। আমি সাহায্য করব রসূলগণকে ও মুমিনগণকে পার্থিব জীবনে ও সাক্ষীদের দ-ায়মান হওয়ার দিবসে।


৫২। সে দিন জালেমদের ওজর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।


৫৩। নিশ্চয় আমি মূসাকে হেদায়েত দান করেছিলাম এবং বনী ইসরাইলকে কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছিলাম।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


মহৎ কাজে যাঁরা ব্রতী তাঁরা নিঃসন্দেহে আত্মত্যাগী।


-ফেডারিক ভন


 


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


 


 


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
আমিও এ মহৎ প্রয়াসের ক্ষুদ্র এক ফসল
অভিজিৎ রায়
১৯ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'যুক্তিতে বেঁধেছি ঘর/বিতর্কের দশ বছর' এই শ্লোগানকে স্মরণ করে আমার ভালোবাসা, ভালোলাগার স্মৃতিতে উজ্জ্বল সিকেডিএফ-এর ১০ম আয়োজনের শুভ কামনা করছি। আমি অভিজিৎ রায় ২০১৭ সালের ৮ম পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক আসরের সেমি-ফাইনালে রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতর্ক দলের দলপ্রধান হিসেবে অংশ নিয়ে আমার মধুর অভিজ্ঞতা অর্জনের কথা ইতিপূর্বে কয়েকবার চাঁদপুর কণ্ঠের বিতর্কায়ন পাতায় লিখেছি। তাই নতুন করে আর বিস্তারিত লিখবো না।



সিকেডিএফ-এর আয়োজনে বিতর্ক মঞ্চটার প্রতি আমি খুবই আবেগপ্রবণ। সেজন্যেই গত ৯ম আসর আয়োজনের সময় এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত করে কোনো প্রতিষ্ঠানের ছাত্র না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত মোহে কচুয়া, হাজীগঞ্জ ও চাঁদপুরের আয়োজনগুলোতে হাজির হয়েছিলাম। সে সময় সিকেডিএফ আমাকে মডারেটরের দায়িত্ব দিয়ে গর্বিত করে। ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মডারেটরের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহিত করে। এজন্যে সিকেডিএফ-এর নিকট আমি চির কৃতজ্ঞ। আমি কুমিল্লা ডিক্টোরিয়া কলেজে অধ্যয়ন করায়, ভিন্ন জেলার অবস্থানের কারণে সিকেডিএফ-এর এবারকার ১০ম আসরে অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি। তবে সিকেডিএফ-এর অভিজ্ঞতার ফসল নিয়ে বর্তমানে 'ভিক্টোরিয়া কলেজ বিতর্ক পরিষদ' (ঠঈউঝ)-এর একজন সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পড়াশোনা এবং বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষার চাপের কারণে এখন যদিও বিতর্কের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ হয় না, তবে ভবিষ্যতে মনপ্রাণ দিয়ে বিতর্কের মঞ্চে জড়িত হওয়ার আশা রাখি।



যে কোনো প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের সাফল্য ও মানদ- নির্ভর করে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতার সাথে যোগ্যতা প্রমাণে। সেটাতে সিকেডিএফ শতভাগ সফল বলেই আমার বিশ্বাস। বিগত ৯টি আসর কারো কোনো অভিযোগ করার মতো সুযোগ সৃষ্টি না করাতেই এ বছর ১০ম বছরপূর্তির আয়োজনটি সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছে। এ সাফল্য ধরে রেখে আগামীতে সমগ্র দেশব্যাপী আয়োজনটি প্রসারিত করার মাধ্যমে চাঁদপুরবাসীকে গর্বিত করবেন সে স্বপ্নই এখন দেখি। এরই ধারাবাহিকতায় 'চাঁদপুর বিতর্ক একাডেমি' প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চাঁদপুরকে বিতর্কের ব্র্যান্ড জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছে।



আমি অনেক সংগঠন দেখেছি যারা বিতার্কিকদের নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা করে, কিন্তু সিকেডিএফ আমার দৃষ্টিতে এমন এক সংগঠন, যারা শুধু প্রতিযোগিতা পরিচালনাই করে না বরং বিতার্কিক জন্ম দেয়। আমিও সেই মহৎ প্রয়াসের ক্ষুদ্র এক ফসল। আমি বিতার্কিক পরিচয়টা নিয়ে গর্ব করি।



এই সংগঠন জন্ম দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কের জন্যে রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত বিতার্কিক জান্নাতুল রাফেয়া আপুসহ রাসেল ভাইয়া, ইজাজ ভাইয়া, ছোঁয়া আপু, মুসলিমার মতো দেশ কাঁপানো হাজার হাজার স্বাপি্নক বিতার্কিক। যাঁরা বলতে জানে 'বিতর্ক_এ আমার শিল্প'।



সিকেডিএফ-এর বর্তমান দুই কা-ারী পরম শ্রদ্ধেয় কাজী শাহাদাত ও রাজন আঙ্কেলসহ হাসিমুখে নিরসল পরিশ্রমী এক ঝাঁক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতাকে এমন উচ্চতায় নিয়ে এসেছেন, যেখান থেকে পেছনে ফেরার কথা কল্পনাও করা যায় না। আমরা অনেকেই এই আয়োজনের কল্যাণে কিছুটা হলেও অর্জন করেছি, শিখেছি। তাই এখন সবাই মিলে সহযোগিতার মাধ্যমে বিতর্ক মঞ্চটার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা আমাদের দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে বলে আমি মনে করি।



অবশেষে, বিতর্কের প্রাণপুরুষ দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশ আলহাজ্ব অ্যাডঃ ইকবাল-বিন-বাশার, কাজী শাহাদাত আঙ্কেল, রাজন আঙ্কেল, বিতর্ক একাডেমির অধ্যক্ষ ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়াসহ সিকেডিএফ-এর সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর দীর্ঘায়ু কামনা করছি এবং আমার জন্যে সকলের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা কামনা করছি।



 



লেখক : অভিজিৎ রায়, দ্বাদশ শ্রেণী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৫৪৯৪
পুরোন সংখ্যা