চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২০ ভাদ্র ১৪২৫। ২৩ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস







৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

০১। হা-মীম।

০২। এটা দয়াময়, পরম দয়ালুর নিকট হতে অবতীর্ণ।

০৩। এটা (এমন) এক কিতাব, বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে এর আয়াতসমূহ, আরবী ভাষায় কুরআন-রূপে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্যে।

০৪। সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিমুখ হয়েছে। সুতরাং তারা শুনবে না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


শিক্ষা ও বুদ্ধি সদা সর্বদাই আশীর্বাদ।

 -জন. এ. শেড।


মজুরের গায়ের ঘাম শুকাবার আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।



 


ফটো গ্যালারি
প্রধান অতিথির বাণী
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সভ্য মানুষের উৎকৃষ্ট পরিচয় প্রকাশিত হয় তার যুক্তিনিষ্ঠতায়। যুক্তির নিরন্তর চর্চাই উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের নির্মল বীজতলা। স্বচ্ছ ও প্রাঞ্জল যুক্তি ব্যতিরেকে কোনো সিদ্ধান্তই সফল ও সার্থক হয়ে উঠে না। তাই সমাজকে সার্বজনীন সক্রিয়তায় এগিয়ে নিতে হলে কার্যকর যুক্তির চর্চা একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যুক্তির সুস্থ চর্চাই পারে সত্য-মিথ্যা ও ভালো-মন্দের দ্বন্দ্ব মীমাংসা করে ব্যক্তি ও সমাজের প্রগতি-চক্রকে বেগবান করতে।



অাঁধারাবৃত গুহাবাসী মানুষের চন্দ্র ও সমুদ্রতল বিজয় কিংবা পর্বতশীর্ষ আরোহণের যে সাফল্য তার সবটাতেই নিহিত আছে যুক্তির অপরিমেয় শক্তি ও ধারাবাহিকতা। যুক্তি দিয়ে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের ন্যায্য অধিকারের দাবি তুলেছিলেন আর যুক্তির শক্তিতেই গড়ে তুলেছিলেন পাকিস্তানী শাসকদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন। তারই ফলস্বরূপ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়।



আগামীর বাংলাদেশ তারুণ্যের অমিত শক্তিতে শক্তিমান বাংলাদেশ। এই অমিত শক্তির আধার তরুণদের মধ্যে যুক্তির নিরন্তর চর্চা বহমান রাখতে পারলেই আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে, জঙ্গিবাদ হতে দূরে রেখে নিখাদ দেশপ্রেমী হিসেবে গড়ে তুলতে যাপিত জীবনে নিরন্তর যুক্তি চর্চার কোনো বিকল্প নেই।



যুক্তি চর্চার এক স্বীকৃত ও সর্বজনগ্রাহ্য মাধ্যম হলো বিতর্ক শিল্প। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোতে বিতর্ক শিল্পের চর্চা যতো বৃদ্ধি পাবে ততোই আগামী প্রজন্ম আদর্শবান প্রজন্ম হিসেবে গড়ে উঠবে।



পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতা আদর্শ তরুণ প্রজন্ম তৈরিতে একটি মহৎ উদ্যোগ। গত সুদীর্ঘ দশটি বছর ধরে একটানা বিতর্কের এই সুবৃহৎ মঞ্চটি জীবন্ত ও চলমান রেখে আয়োজকবৃন্দ একটি অনন্য সুকর্ম সম্পাদন করে চলেছেন। জেলাব্যাপী তৃণমূল স্তর হতে বিতার্কিক তৈরির মহান ব্রতকে ধারাবাহিকভাবে একটানা এক দশক চালিয়ে নিয়ে আসা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। আমি নিশ্চিত জানি, সময় একদিন বিতার্কিক তৈরির এই সাধনাকে যথা দান দিয়ে বরণ করে নেবে।



আমি জেনে আনন্দিত যে, 'প্রান্তিক' পর্ব দিয়ে তৃণমূল স্তরে সূচিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা 'উল্লাস' পর্বের মধ্য দিয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের বিজয়ীকে বরণ করে নিতে যাচ্ছে। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিতব্য 'বিতর্কায়ন' শীর্ষক প্রকাশনার আমি সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি এবং এ আয়োজনটি কালজয়ী হয়ে শতবর্ষী হবে একদিন, নিরন্তর এই কামনা করি।



বাংলাদেশে এবং ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে বিতর্ক চর্চা দীর্ঘজীবী হোক।



 



ডাঃ দীপু মনি



জাতীয় সংসদ সদস্য, চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর)



ও সভাপতি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯২৫৯৮
পুরোন সংখ্যা