চাঁদপুর, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৭-সূরা মুহাম্মাদ


৩৮ আয়াত, ৪ রুকু, 'মাদানী'


০২। যাহারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহাতে বিশ্বাস করে, আর উহাই তাহাদের প্রতিপালক হইতে প্রেরিত সত্য, তিনি তাহাদের মন্দ কর্মগুলি বিদূরিত করিবেন এবং তাহাদের অবস্থা ভাল করিবেন।


 


 


 


assets/data_files/web

প্রশংসা হচ্ছে আদর্শের ছায়া।

  -এম. এফ. টুপা।


যে পরনিন্দা গ্রহণ করে সে নিন্দুকের অন্যতম।  



 


ফটো গ্যালারি
বিতর্ক চর্চা অব্যাহত রাখতে কাজ করে যাবো
মঈনুল ইসলাম কাজল
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আজ থেকে বহু বছর আগের কথা। তখন কলেজে পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি ছিল আমার আগ্রহ। ছোট ছোট কবিতা, গল্প লিখে অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবের হাসির খোরাক হতাম। আবার অনেকেই উৎসাহ জোগাতো। সব মিলিয়ে সে সময়ের দিনগুলো ছিল জীবনের চিন্তা ও ঝামেলামুক্ত শ্রেষ্ঠ সময়। যাই হোক প্রায় দু যুগের কাছাকাছি সময় সাংবাদিকতা পেশায়। একজন প্রগতিশীল, আদর্শবান, মমতাময়ীর হাত ধরে সাংবাদিকতায় প্রবেশ আমার। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক বিলকিস আজিজ। যাত্রা শুরুর সময় যাঁর হাত ধরে কাজ শুরু করি তিনি চাঁদপুরে সাংবাদিক সমাজের অহংকার ও গর্ব কাজী শাহাদাত। তাঁর সম্পর্কে আমার আগে থেকে ধারণা ছিল না। কারণ লেখাপড়ার কারণে ছোট থেকেই আমাকে ঢাকাতে থাকতে হয়। যাই হোক, কাজ শুরু করার পর আস্তে আস্তে যখন তাঁকে জানা ও বুঝার সুযোগ হয়, তখন এমন একজন লোকের সানি্নধ্যে থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হয়।



আজকের বিষয়ের সাথে এ কথাগুলো কতটুকু যুক্তিসঙ্গত তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে। হয়ত বা আপনাদের প্রশ্ন করার সে সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমি বলতে চাই আমাদের সমাজের সকল ভালো ও মন্দ কাজগুলোর পেছনে যদি শক্ত ও সঠিক কোনো নেতৃত্ব না থাকে তা হলে কোনো কাজই সফল হওয়ার কথা নয়। আমাদের দেশে বিতর্কের জনক কে তা নিয়ে হয়তবা বিতর্ক লেগেই থাকবে। কিন্ত আমাদের জেলায় বিতর্কের জনক হিসেবে আমরা কাজী শাহাদাতকে এক বাক্যে স্বীকার করবো। সঠিক নেতৃত্ব না থাকলে কোনো কিছুতেই সফল হওয়া যায় না। আর কাজটি সঠিকভাবে করাও সম্ভব নয়।



আগের কথায় আবার ফিরে যাওয়া যাক। চাঁদপুর কণ্ঠে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুবাদে দেখতে পেলাম শুধু সাংবাদিকতায় নয়, এ পেশায় থেকে সমাজকে অনেক কিছু দেয়া যেতে পারে। তা শুধু কাজী শাহাদাত ভাইয়ের সাথে থেকেই বুঝা গেলো। আজ বিতর্কের একাদশ বছর- এটি ভাবলেই অবাক মনে হয়। একটি বিতর্ক আন্দোলন, যে আন্দোলনে শরিক হয়েছে চাঁদপুর জেলার কয়েক শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের আগামী প্রজন্মের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। যারা আগামীর নেতৃত্ব দিবে। যাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে নতুন দিনের ঠিকানায়।



চাঁদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নামে পরিচিত শাহরাস্তি উপজেলা। আয়তনের দিক দিয়ে জেলার দ্বিতীয় ছোট উপজেলা এটি। কিন্তু পিছিয়ে নেই বিতর্ক প্রতিযোগিতার দৌড়ে। এটি শুধু আমার কৃতিত্ব নয়, এটি উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সফলতা। আমরা শুধু পথ দেখিয়ে দিচ্ছি মাত্র। আমাদের এ অগ্রযাত্রার পেছন থেকে যারা নানাভাবে সহযোগিতা করে থাকেন তাদেরকে আমরা সেভাবে তুলে ধরতে পারি না হয়তো, কিন্তু তাদের ভালোবাসায় আমরা ধন্য। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা অফিসার, সম্মানিত রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ। তাদের সহযোগিতাই নয়, তাদের উৎসাহ আমাদের আগামী দিনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগায়। তাদের কারণেই আমাদের এ প্রতিযোগিতাটি উৎসবে রূপ নেয়। তারা আছেন বলেই এ কাজটি উৎসাহের সাথে করতে পারছি।



আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন সিকেডিএফ আরো শক্তিশালী করেছি। আমাদের সংগঠনের এক ঝাঁক তরুণ নেতৃত্ব বিতর্ক চর্চাকে এগিয়ে নিতে নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তাদের কারণেই আমাদের আগামী দিনের জন্য আর বসে থাকার সুযোগ হবে না। আমরা বছর জুড়ে উপজেলার সর্বত্র বিতর্ক নিয়ে কাজ করে যাবো। বিতর্কের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে চাঁদপুর জেলা ও শাহরাস্তি উপজেলা। এ আন্দোলনে শরিক করতে চাই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীকে। আশা রাখি সকলের সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে যেতে পারবো। সবাইকে এ আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আসুন আমরা আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিতর্ক চর্চায় উৎসাহিত করি। তাদেরকে যোগ্য নেতৃত্ব দেয়ার মতো করে তৈরি করি। হাত বাড়িয়ে দিই তাদের প্রতি। যেন তারা যুক্তি তর্কের মাধ্যমে ভালো-মন্দ বুঝতে শিখে। সমাজের অপরাধ জগৎ থেকে আলোর পথটি তারা যেন নিজেরাই বেছে নিতে পারে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৫৫২৬
পুরোন সংখ্যা