চাঁদপুর, শনিবার ৬ এপ্রিল ২০১৯, ২৩ চৈত্র ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • অনিবার্য কারণে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির আজকের চাঁদপুর সফর স্থগিত করা হয়েছে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

১৫। তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাইবে তখন যাহারা পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল, তাহারা বলিবে, ‘আমাদিগকে তোমাদের সঙ্গে যাইতে দাও।’ উহারা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করিতে চায়। বল, ‘তোমরা কিছুতেই আমাদের সংগী হইতে পারিবে না। আল্লাহ পূর্বেই এইরূপ ঘোষণা করিয়াছেন।’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিতেছ।’ বস্তুত উহাদের বোধশক্তি সামান্য।


assets/data_files/web

মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে আমি নিজের অভিভাবক। -নিকেলাস রান্ড।


 


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
বিতর্কে আমার পথচলা এবং এর পেছনের কাহিনী
মিঠুন চন্দ্র ত্রিপুরা
০৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সময়টা ছিলো ২০১২ সালের শেষের দিকে। আমি তখন পুরাণবাজার ডিগ্রী কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। একদিন কলেজে গিয়ে শুনি ঐ দিন নাকি আন্তঃকলেজ বিতর্কের ফাইনাল। ফাইনালে মুখোমুখি হবে কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ২য় বর্ষের আর সম্মান শ্রেণির বাচিক শিল্পীরা। উচ্চ মাধ্যমিক দলের দলপ্রধান ভিভিয়ান ঘোষ দাদা আর সম্মান শ্রেণির দলপ্রধান মেহেদি হাসান ভাই। ভিভিয়ান ঘোষ নামটা ঐদিন প্রথম শোনা। ফাইনাল বিতর্ক, তাই ১ম ক্লাস হয়েই সবাইকে অডিটোরিয়ামে গিয়ে বসতে বললেন আমাদের ইংরেজি শিক্ষক মজিব স্যার। বিতর্ক শুরু হলো। বিতর্কের বিষয়টা তারুণ্য নিয়েই কিছু একটা ছিল। ঐদিনের ঐ বিতর্ক দেখেই বিতর্কের প্রতি একটা টান তৈরি হয়েছিল আর ভিভি দা'র ফ্যানও হয়েছিলাম। যদিও ছোটবেলায় বিটিভি'তে ঢাকার বিভিন্ন নামি-দামি স্কুল-কলেজের বাচিক শিল্পীদের বিতর্ক মাঝে মাঝেই দেখতাম। যেটা পরিচালনা করতেন হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তবে ঐ টুকু বয়সে এই যুক্তির খেলা তখন বুঝতাম না।



কলেজের সেই ফাইনাল বিতর্ক দেখে বিতর্কের প্রতি ভালোবাসাটা শুরু হলেও নিজে বিতর্ক করবো এটা কখনোই ভাবিনি।



২০১৩ সালে চতুরঙ্গ ইলিশ উৎসব চলছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে। কোনো একটা কাজে ঐখান দিয়েই যাচ্ছিলাম। মঞ্চে কিছু একটা হচ্ছে, মনে হলো আর লোকজনও কিছুক্ষণ পর পরই হাততালি দিচ্ছিল। তাই আগ্রহ নিয়েই ভিতরে ঢুকে পড়লাম। ভিতরে ঢুকে দেখি, কেউ একজন যুক্তি-তর্কের খেলা দেখাচ্ছে। তার বাচিক শিল্পে মুগ্ধ হয়ে দর্শকসারিতে থাকা মানুষগুলো করতালিতে পুরো অডিটোরিয়াম উৎসবমুখর করে ফেলেছে।



আরে বাহ!!!



বিতর্ক করতে জানলে শিল্পকলার মঞ্চে যুক্তির খেলা দেখানো যায়!!!



এতো এতো মানুষকে কথার মন্ত্রজালে অভিভূত করা যায়!!!



নিশ্চয় ওদেরকে সবাই চিনে, এমনকি ভালোও জানে। বিষয়টা ঐদিন বেশ রোমাঞ্চিত করেছিল আমাকে। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম সুযোগ পেলে আমিও বিতর্ক শিখবো, একজন বিতার্কিক হবো।



এরপর কেটে যায় অনেকটা দিন। যেহেতু ২০১৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম, তাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি পড়াশোনা নিয়ে। বিতর্কের কথাটা তখন মাথায় ছিল না বললেই চলে। ২০১৫ সালে ভর্তি হই চাঁদপুর সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে। প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুদিন পর আবারও সেই ভিভি দা হাজির বিতর্কের কথা নিয়ে। ডিপার্টমেন্টে সিনিয়র হিসেবে উনি আসলেন নতুন বিতার্কিকের খোঁজে। নিজের নামটা জমা দিয়ে দিলাম। বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের আমার মতো আরো অনেকেই নাম দিয়েছিল। নতুনদের তৈরি করা প্রয়োজন, তাই চাঁদপুর কলেজ ডিবেট ফোরাম (সিসিডিএফ) চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে এসেছিল সাইফুদ্দিন মুন্না ভাই ( বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশন-এর বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) এবং তন্ময় বড়ুয়া দাদাকে। দিনব্যাপী চলল বিতর্ক কর্মশালা। ঐদিন জানতে পারেছিলাম বিতর্কের অনেক ফরম্যাট আছে। যেমন- সনাতনী, সংসদীয়, বারোয়ারি, জাতিসংঘ মডেল বিতর্ক ইত্যাদি। আমাদের ঐদিনের কর্মশালাটি ছিল সংসদীয় ফরম্যাটের। তাই বলা যায় আমার বিতর্কের হাতেখড়ি সংসদীয় বিতর্ক দিয়েই। এটার প্রতি ভালোবাসাটা অন্যরকম। ঐদিনের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কের প্রাণপুরুষ কাজী শাহাদত আংকেল। তিনি তাঁর বক্তব্যে একটা কথা বলছিলেন, 'প্রশিক্ষণ বাড়ায় দক্ষতা, চর্চায় আনে সফলতা।' কথাটা প্যাডে ভালোভাবে লিখে রেখেছিলাম। সেদিনের কর্মশালার পর ডিপার্টমেন্টে একটা প্রদর্শনী বিতর্ক করেছিলাম (জীবনের প্রথম বিতর্ক ছিল এটা)। প্রথম বক্তা হিসেবে কোনরকম ৩ মিনিট মনে হয় বলেছিলাম (স্ক্রিপ্ট তৈরি করা ছিল আগেই, তাই)। এরপর আবারও বিতর্কের সাথে বিচ্ছেদ। অনার্স ১ম বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষার ঠিক ২ মাসে পূর্বে বাবার মারা যাওয়াটা আমাকে অনেক বেশি এলোমেলো করে দিয়েছিল। সবকিছুর সাথে কেমন একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একদিন সকালে পত্রিকা খুলে দেখি আবদুল্লাহ আল নোমান নামে একজনের জয়জয়কার। ২০১৬ সালের পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কের ফাইনালের শ্রেষ্ঠ বক্তা উনি। তাই পত্রিকায় উনাকে নিয়ে খুব সুন্দর লেখা ছাপা হয়েছে। আবারও বিতর্কের প্রতি ঝোঁক কাজ করতে থাকে। কিছুদিন পর ফেসবুকে দেখলাম, তথ্য প্রযুক্তি বিতর্কের আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন চাঁদপুর সরকারি কলেজ। চাঁদপুর কলেজের তিন বিতার্কিক ভিভি দা, তন্বী আপু, মৌসুমি দি তারা বিতর্ক করতে ঢাকায় যাবে!



ইশ! তাদের কতো সুনাম! কত পরিচিতি!



বিতর্কের প্রতি আগ্রহটা ক্রমেই বাড়তে থাকে। একদিন ভিভি দা'র কাছে জানতে পারলাম উনার সংগঠন 'তারুণ্যের অগ্রদূত' একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। সেখানে নামমাত্র রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে। আর সেই টাকা দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের খাতা-কলম দেয়া হবে। নিজের নামটা প্রতিযোগিতায় এন্ট্রি করে দিলাম। প্রথম কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, তাই একটু উত্তেজনা সাথে জড়তাও কাজ করছিল। আমার মনে আছে প্রথম বিতর্কে এক মিনিট ১৫ সেকেন্ড বলেই বসে পড়েছিলাম। বিতর্কের পর অধরা আপু আর তাপসী আপু বলেছিলেন, "ব্যাপার না। হয়ে যাবে, বিতর্কে লেগে থাকো"। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এ দুজন মানুষের প্রতি। তাদের সেই কথা আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে বিতর্কের প্রতি।



পরের বছর ২০১৭ সালে কলেজ থেকে পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কের জন্য দল দেয়া হবে। ৬টি দলে বিতর্ক করবে ১৮ জন বিতার্কিক। কিন্তু আগ্রহী অনেকেই। তাই দল গঠন করা হবে প্রত্যেকের মক টেস্ট নিয়ে। বাদ পড়ে গেলাম মক টেস্টে। প্রত্যেক দলে যে একজন স্ট্যান্ডবাই বিতার্কিক থাকে সেখানেও নাম ছিল না আমার। হতাশ হয়ে গেলাম। ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। এরপরতো আর সুযোগই থাকবে না। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক করার স্বপ্নটা মনে হয় স্বপ্নই থেকে যাবে। এর কিছুদিন পর শুনলাম চাঁদপুর সরকারি কলেজ তার ২য় আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। কলেজে নিয়মিত বিতর্কের সেশন হতে থাকল। কিন্তু আমি বেশ কিছু সেশন ইতোমধ্যে মিস করে ফেলেছি। সেশন কোন্ কোন্ দিন, কখন হয় সেটাই জানতাম না আমি। পরে আমার বন্ধু শামীমের কাছ থেকে জেনে নিয়মিত সেশনে উপস্থিত থাকতে শুরু করলাম। ভিভিয়ান দা, তন্বী আপু, নোমান ভাই, সুব্রত দা, মৌসুমি দিদির পর মুশফিকা, রাবেয়া, রিভা, তানিয়া, উচ্চ মাধ্যমিকের ফাহিম এরা চাঁদপুর কলেজ বিতর্কের পরিচিত মুখ।



এদের সাথে নিয়মিত চলতে থাকে আমার বিতর্ক শেখা। টুর্নামেন্টের জন্যে ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক দল গঠন হবে। কিন্তু আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে ৬/৭ জন আছে যারা বিতর্ক করতে চায়। একটা ভয় কাজ করলো, আমি থাকবো তো দলে। এর মধ্যে একদিন ভিভি দা বলে বসলেন, তোর বিতর্ক করা লাগবে না। তুই সংগঠক হিসেবে থাকিস। না করিনি সেদিন। এই মানুষটাকে আমি না করতে পারি না। কেননা আমি তাকে আমার বিতর্কের আইডল মানি। নিজেকে বুঝালাম, যাক বিতর্ক করতে না পারি বিতর্কের সাথেতো থাকতে পারবো।



একদিন সেশনে প্রদর্শনী বিতর্কের আগে হঠাৎ ভিভি দা বললেন, তুই আজকে বিতর্ক করিস। রাজি হয়ে গেলাম। ঐদিন কোনো রকমে ৩ মিনিট মনে হয় বলতে পেরেছিলাম। এরপর থেকে নিয়মিত সেশনগুলোতে বিতর্ক করতে থাকি। ভিভি দা, আর তন্বী আপু প্রতিদিন বিতর্কের বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে আমাদেরকে ব্রিফ করতেন। আমরা তাদের থেকে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় শিখতাম। এভাবেই প্রায় দুই-আড়াই মাস চলতে থাকে এই দুই বিতর্ক গুরুর কাছে থেকে আমার তালিম নেয়ার কাজ। এরপর আসে সেই আকাঙ্ক্ষিত টুর্নামেন্ট। সুযোগ পেয়ে যাই ডিপার্টমেন্টের হয়ে বিতর্ক করার। সুযোগটা কাজে লাগালাম। ডিপার্টমেন্টকে এনে দিয়েছিলাম কলেজের ২য় আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০১৭-এর চ্যাম্পিয়নের স্বাদ। প্রমাণ করতে পেরেছিলাম নিজেকে। ১২ টি দলের ৩৬ জন প্রতিযোগীর মধ্যে টুর্নামেন্টের সেরার তালিকায় নিজের নামটা যৌথভাবে ২য় অবস্থানে আনতে পরেছিলাম। এই টুর্নামেন্ট থেকে বিতর্কের সাথে আমার পুরোপুরি পথ চলা শুরু। এরপর ২০১৮ সালের পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে সুযোগ পেতে তেমন সমস্যা হয়নি। প্রথমবারের মতো পাঞ্জেরীর মঞ্চে। স্বপ্নটা সত্যি হলো আমার। এরপর কলেজের হয়ে কয়েকটা ন্যাশনাল বিতর্ক করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। যার মধ্যে একটি টেলিভিশন বিতর্কও ছিল। সব মিলিয়ে গত আড়াই বছরে আমার বিতর্কের জার্নিটা ভালোই ছিল। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে একটা আলাদা আগ্রহ, কারণ এটি চাঁদপুরে বিতর্কের বিশ্বকাপ। আর একটি নিরেট সত্য হলো, পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক না হলে চাঁদপুরে বিতর্কই থাকত না। চাঁদপুরের বাইরে যেন সারাবছরই কোনো না কোনো বিতর্ক প্রতিযোগিতা থাকে, চাঁদপুরে তেমনটা নেই। তাই এখানকার বাচিক শিল্পীদের অপেক্ষা করে থাকতে হয় এই টুর্নামেন্টের জন্য। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পাঞ্জেরী ও চাঁদপুর কণ্ঠকে তাদের এই মহৎ কাজের জন্য।



এখন যখন প্রাইমারির খুদে বাচিক শিল্পীরা মঞ্চ মাতায় তখন খুব হিংসে হয় আমার। হিংসে হয় শহরের বাইরের সেই প্রত্যন্ত বিদ্যালয়ের বাচিক শিল্পীদের। যারা তাদের যুক্তির জালে মুগ্ধ করেছে চাঁদপুরকে। সাথে সাথে অভিমান হয় আমার সাবেক বিদ্যাপীঠ বহরিয়া নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতি। শহরতলীর এতো কাছে থেকেও কেন এই শিল্পের সাথে আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিলো না। যদি বিদ্যালয়টিতে বিতর্কের চর্চা থাকতো তাহলে হয়তো আমাকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষাই করতে হতো না এই মঞ্চের জন্যে। তবে এটা শুনে ভালো লাগছে, বিদ্যালয়টি এখন বিতর্কের প্রতি জোর দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও আগ্রহী খুব। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠের কাছে আমার অনুরোধ, আগামী আসরে যেন ওদেরকে একটা সুযোগ দেয়া হয়।



গত আড়াই বছর বিতর্কে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু নিজেকে বিতার্কিক হিসেবে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়। এই আড়াই বছরে যা বুঝলাম বিতার্কিক হওয়াটা চাট্টিখানি কথা না। একজন বিতার্কিকের যে গুণগুলো থাকা দরকার তা এখনও আয়ত্ত করতে পারিনি। তাই নিজেকে একজন বিতার্কিক না, বিতর্কপ্রেমী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।



সকলের বিতর্ক যাত্রা শুভ হোক।



বিতর্কের জয় হোক।



জয়তু বিতর্ক।



 



লেখক : মিঠুন চন্দ্র ত্রিপুরা,



সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর সরকারি কলেজ ডিবেট ফোরাম (সিসিডিএফ)।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৯৭৩৫
পুরোন সংখ্যা