চাঁদপুর, শুক্রবার ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৮ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৩। তোমাদের মধ্যকার কাফিরগণ কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?


৪৪। ইহারা কি বলে, 'আমরা এক সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?


৪৫। এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে,


 


 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


যারা ধনী কিংবা সবকালয়, তাদের ভিক্ষা করা অনুচিত।


 


 


ফটো গ্যালারি
বিতর্কে আমার পথ-পরিক্রমা
মোঃ রিয়াজ রহমান (রিফাত)
২৪ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর কণ্ঠের বিতর্কায়নের পাতাটি খুললে গুটিকয়েক লেখক ছাড়া সবাই দেখি নিজেদের পথচলা, বিতর্কের জীবনে নিজেদের অধ্যায়ের কথা লিখে থাকেন। হয়তো ওইসব লেখক বিতার্কিকরা সবার সাথে তাদের কথা শেয়ার করতে চান অথবা তারা বিতর্ক নিয়ে কিছু লিখতে পারছে না, মাথায় আসছে না, তাই বিতর্ক নিয়ে নিজেদের পথচলাই লিখছে।



আমিও ভাবতাম যে, নিজেদের পথচলা কেনো লিখছে তারা। একটু হিংসে হলো মনে। সে হিংসের আক্ষেপ থেকে প্রথমে ভাবলাম আমি আর কী লিখব। আমার জীবনে বিতর্কের কীই বা এমন আছে। পরে ভাবলাম, যা-ই আছে লিখে দেই। শেয়ার করি সবার সাথে, অন্তত নিজের মনের আক্ষেপটাতো দূর হবে। অঃ ষবধংঃ নিজের মনকেতো বোঝাতো পারবো। তাই আজ নিজের জীবনে বিতর্কে অংশগ্রহণ সম্পর্কে লিখতে চলেছি।



আমি যখন হাইস্কুলে ভর্তি হই, তখন পর্যন্ত জানতাম না, বুঝতাম না বিতর্ক কী। এই যে শব্দটা বাংলায় বিতর্ক, ইংরেজিতে উবনধঃব, এটা যে কী এ সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিলো না। আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তখন একদিন মার্চ মাসের দিকে হয়তো, দেখি যে হেড স্যার ক্লাস অফ করে পুরো বিদ্যালয়ের সব ছাত্র-ছাত্রীকে হল রুমে ডাকলেন। সবাই গেলাম। স্যার বললেন, চাঁদপুর কণ্ঠ-পাঞ্জেরী থেকে বিতর্ক করার জন্যে একটা চিঠি এসেছে। আমি ভাবলাম, ধুর কী না কী? পেছনে বসে হরদম কথা বলে হ-য-ব-র-ল অবস্থা তৈরি করলাম। ওইদিন স্যার অনেক কথাই বললেন। কিন্তু আমি বেপরোয়াভাবে ছিলাম। তাই সব মাথার ওপর দিয়ে গেছে। পরে আরেকদিন দেখি, স্যার আবার সবাইকে নিয়ে হলরুমে বসেছেন। ওইদিন আমাদের জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের কিছু টপ স্টুডেন্টও সাথে ছিলো। বললেন যে, ওরা নাকি সিলেকটেড। তারপর ওদেরকে একটা বিষয় দেয়া হলো এবং ওরা পরে আরেকদিন এটা নিয়ে কিছু বলবে এমনটা ঠিক করে দেয়া হলো। নেঙ্ট কিছুদিন পর ওরা দেখলাম দাঁড়িয়ে কী হাবিজাবি বলছে, উল্টোপাল্টাও বকছে। দু একজন অবশ্য ভালোই বলছিলো। আমার এসব বিশৃঙ্খল বক্তব্য শুনে প্রচ- রাগ হলো। মনে মনে বিচারকার্য করতে লাগলাম। পরে আমার বড় ভাইয়ের থেকে বিষয়টি নিলাম এবং বাসায় গিয়ে চর্চা করা শুরু করলাম। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চর্চা করতাম, নিজের দিকে তাকিয়ে বকবক করতাম। তাই বাবাকে ফোন দিয়ে মা বললেন, ওগো শুনছো, ছেলেটা জানি কেমন কেমন করে! বাইরে চাচী-জেঠীরা বলতেন, হাবিবের ছেলেটা মনে হয় পাগল হয়ে গেছে। ও রিয়াজের মা, চিকিৎসা করা। আম্মা আমায় জিজ্ঞাসা করলে বলতাম যে, 'তুমি বুঝবানা, এটাকে বিতর্ক বলে। বিতর্ক স্কুলে দেখেছি ওরা এমনভাবে দাঁড়িয়ে কথা বলে। ওরা যা বলে তা ভালো লাগে না। তাই আমি ওদের থেকে সুন্দর করে বলবো।' আমি তো রেডি ফেডি হয়ে গেলাম। কিন্তু ওইদিন স্যার আর বললো না যে, কে আছে স্বেচ্ছায় বিতর্ক করবে। আমিও লজ্জায় বলতে পারিনি। পরে দেখি ৩ জন সিলেক্টেড। আমি খুব কষ্ট পাই। আর আমার শ্রেণী শিক্ষককে বলি যে, স্যার আমি বিতর্ক করতে চাই। স্যার পরে এটি হেডস্যারকে জানান। তারপর হেডস্যার আমার বক্তব্যটা শুনেন। আমাকে বলেন যে, তুমি দলে আছো কিনা। নির্দিষ্ট স্যার কে বলেন যে, ওকে ওইদিন সাথে নিয়ে যাবেন। স্যার আমাকে বলেন যে, অমুক দিন ওই টাইমে রেডি থেকো। আমাদের সাথে যাবা।



আমিতো ওটা শুনেই খুব খুশি। বাড়িতে আসার পর তো একেবারে আনন্দে আত্মহারা। পরে যেদিন বিতর্ক সেদিন গেলাম তাদের সাথে। কিন্তু দেখলাম যে, আমরা স্যারসহ ৫ জন। ভাবলাম যে, বিতার্কিক না ৩ জন, ৪ জন কেনো এসেছে? ভয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করি নি, যদি বকা দেয়। ওখানে গেলাম, হাজির হওয়ার পর দেখি কত মানুষ ক্যাপ, টিশার্ট পরা এক রকমের। রেজিস্ট্রেশনের সময় দেখি, ওরা ৩ জন আর স্যার গেলো কী যেনো লিখতে। আমায় নিলো না। আমি ভাবলাম, স্যার তো সব জানেই, লিখে দিবে ক্ষণ। যখন আমাদের বিষয়টি মডারেটর বললেন যে, 'নারী নির্যাতিত হওয়ার প্রধান কারণ অতি আধুনিকতা অশিক্ষা নয়।' পক্ষ দল জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়, তখন আমি ভয়ে কাতর হয়ে গিয়েছিলাম। ভাবলাম কীভাবে ওখানে যাবো! পরে দেখি যে, স্যার ওই ২ বড় ভাই আর এক আপুকে ডেকে নিয়ে বসিয়ে দিলেন। ওরাতো রীতিমতো ওখানে গিয়ে বকবক শুরু করে দিলো। আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু নির্বাকভাবে শুনেছি, দেখেছি কাউকে কিছু বলতে পারিনি। শুধু মনে মনে ভেবেছি যে, পরের বছর আমিও ওখানে যাবো আর সবার সামনে বিতর্ক করবো। এইভাবে মনের মধ্যে গাঁথা হয়ে গেলো বিতর্কের বীজ, পাঞ্জেরীতে বিতর্ক করার প্রবল ইচ্ছা।



পরের বছর ২০১৪ সালে ৬ষ্ঠ পাঞ্জেরীতে আমি জিলানী স্কুলের হয়ে বিতর্ক করার সুযোগ পাই। বিষয় ছিলো 'পেশা নয় ভোগবাদিতাকে প্রাধান্য দেয় বলেই ডাক্তাররা গ্রামে থাকেন না।' আমি ছিলাম পক্ষ দলের ১ম বক্তা। দুর্ভাগ্য নাকি সৌভাগ্য জানি না, ওই বিতর্কে আমিই শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হই। আর আমরা বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করি। পরে অভিযাত্রা পর্বে আমরা আবারো অংশগ্রহণ করি এবং জয়ের ধারা অব্যাহত থাকে। অগ্রযাত্রা-১ পর্বে আমরা সামান্য ব্যবধানে হেরে যাই এবং যার ফলে আমরা ওই বছর আর এগোতে পারি নি। পরের বছর ২০১৫ সালে আমি এবং আমার দল পুনরায় অংশগ্রহণ করি এবং প্রান্তিক, অভিযাত্রা পর্বে জয়ের ধারা আগের মতো অব্যাহত থাকে। কিন্তু সেই একই ঘটনা, অগ্রযাত্রা পর্বে আবারো বিদায়। ২০১৬ সালে প্রান্তিক পর্বে নিয়মানুযায়ী চাঁদপুর সদরের দলগুলো মুখোমুখি হয় এবং যার ফলে আমাদের প্রতিপক্ষ হয় আল-আমিন একাডেমী। একটু কষ্ট হয়েছিল, ২য় বক্তার ভূমিকায় ছিলাম, দলনেতা ছিলো বিতর্কে প্রথমবারের মতো আমার সহপাঠী রাইফুল ইসলাম। বিতর্কটি অত্যন্ত জমজমাট হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রান্তিক পর্বেই বিদায় নিতে হয়, তাও মাত্র ১ নম্বরের ব্যবধানে। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। কারণ ওইদিন আমরা খুব ভালো বিতর্ক করেছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ আরো একটু ভালো ছিলো, যার ফলে জয় হয় ওদের। তারপর আসলো বিতর্কের শেষ বছর আমার জন্যে। তখন আমি দশম শ্রেণির ছাত্র। বিতর্কের চিঠি আসলো। ২০ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে বিতর্ক। কিন্তু আমি আউট অফ ডিস্ট্রিক্ট। কোনো এক জরুরি ও অনিবার্য কারণে ছিলাম নানুবাড়ি পটুয়াখালী, বরিশালে। যখন ওখানে থেকে জানলাম যে, আমার বিতর্ক সামনে, তখন মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠে। কারণ আমি বিতর্কটি করতে পারবো না। মাকে বলছি যে, মা! আমারতো বিতর্ক ২০ তারিখ। আমি চলে যাই। তুমি থাকো। আমি দরকার হয় বিতর্ক করে আবার এসে তোমাকে নিয়ে যাবো।' মা অত্যন্ত কর্কশ কণ্ঠে বকা দেন এবং বলেন, এটা সম্ভব না। কারণ যদি চাঁদপুর যেতেও হয় ২২ তারিখের আগে না। আমি এটা শোনার পর গোটা দিন আর খাওয়া-দাওয়া করি নি। ওপরে দোতলায় সারাদিন শুয়েছিলাম আর কেঁদেছি। ১৯ তারিখ একটা ছোট সুযোগ পাই চাঁদপুর যাবার। ভাবলাম এটাকেই কাজে লাগাই। আম্মার কাছে গভীর কাকুতি মিনতি করার পর অবশেষে রাজি হন এবং ঝড়ের মধ্য দিয়েও চাঁদপুরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হই। আমি জানতাম যে, আমি বিতর্কটি করতে পারবো না। কিন্তু দেখতেতো পারবো। প্রচ- ঝড় হচ্ছিল রাতে। আম্মা আমায় বলেন যে, তোর শুধু বিতর্ক দেখার জন্যে এতবড় ঝুঁকি, সাথে ছিলো আমার ৩ বছরের ছোট ভাই সামিউল আহাদ। আমিও একটা পর্যায়ে প্রবল ঝড়-তুফান দেখে ভাবলাম যে, মা ঠিকই বলছেন, এখানেই হয়তো জীবনটা শেষ আমাদের। রাত ১টায় চাঁদপুরে পেঁৗছাই আল্লাহর রহমতে। ২টা বেজে যায় বাসায় ঢুকতে ঢুকতে। রাতে আর ঘুম নেই। চোখে দুর্যোগের ভয়াবহতা ভাসছে। মনে হচ্ছে যে, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। পরে ভাবলাম, যাই হোক, বিতর্কতো দেখতে পারবো-কিন্তু করতে পারবো না, এই ভেবে ভেবে রাত শেষ। ৭টার দিকে বিছানা থেকে উঠেই প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে রওয়ানা। গিয়ে দেখি আমাদের বিতর্ক চলছে। এতো ভালো হয়নি, আবার খারাপও না তেমন। মনে মনে শুধু প্রার্থনা করেছি যে, এবার জিততে পারলে হয়। জিতলেই পরের বিতর্ক করতে পারবো। ফলাফলের সময় খুব ভয়ে ছিলাম, কী না জানি হয়। অবশেষে রাজনদার সেই বজ্র কণ্ঠে শুনি যে, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয় বিজয়ী। ওদের ৩ জনের থেকে আমি যেন বেশি খুশি হয়েছিলাম। পরে একাধারে অভিযাত্রা, অগ্রযাত্রা-১-এ আমি ২য় বক্তা হয়ে অংশগ্রহণ করি এবং জয় পেতে থাকি। কিন্তু অগ্রযাত্রা-২-এ সেই অঘটন। হেরে গেলাম। সেরা ১০-এ ছিলাম এটাই সান্ত্বনা। পাঞ্জেরীর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু এক মুহূর্তে সব শেষ। পাঞ্জেরীর বিতর্কও শেষ, চ্যাম্পিয়ন হবার আশাও শেষ। ওইদিন প্রথমবার আমি বিতর্ক মঞ্চে কেঁদেছিলাম। কারণ ওইবার আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো করেছি। কী আর করার, ভাগ্যের লিখন যায় না খ-ন-এই বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছি।



কিন্তু হার মানিনি। মনের মধ্যে পণ করে রেখেছি যে, আবার পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক করবোই যে-ভাবে পারি। সেজন্যে ওইদিন রাতে শুয়ে শুধু চিন্তা করেছি কীভাবে কী করা যায়। দু-একদিন পর সিডিএম কর্তৃক হামানকর্দ্দি ডিসি স্কুলে একটি কর্মশালা ও বিতর্কের আয়োজন করা হয়। ডাঃ দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে আসেন। সেখানে আমরা অংশগ্রহণ করি এবং জয়লাভ করি, শ্রেষ্ঠ বক্তা হই। ওইদিন ভিডিয়ান দাদার মুখে চাঁদপুর সরকারি কলেজের একাধিক দলের অশংগ্রহণ ও সাফল্যের কথা শুনি। তাই আর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলাম না। দৃঢ়ভাবে ভেবে রাখলাম যে, বিতর্কের জন্যেই চাঁদপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হবো। এসএসসি দেয়ার পর আর বিলম্ব করলাম না আবেদন করতে। প্রথমেই চাঁদপুর সরকারি কলেজ, সুযোগ ছিলো ঢাকা বা অন্য কোনো জেলার ভালো কলেজে ভর্তি হবার বা আবেদন করার। কিন্তু তা করলাম না শুধুমাত্র বিতর্ক করবো বলে তাই। হয়তো আরো বড় কলেজে আরো ভালো সংগঠনের সাথে বিতর্ক করতে পারতাম। কিন্তু লক্ষ্য ছিলো স্থির। তাই চাঁদপুর সরকারি কলেজ গ্রান্টেড। ভর্তি হবার পর সংসদীয় ধারায় বিতর্ক শুরু করলাম। আন্তঃবর্ষও করলাম। ফলাফলও ভালো। কিন্তু অপেক্ষা কবে পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক আসবে। একদিন সেশনে ভিভিয়ান দা বললেন যে, আমাদের ৬টা দল যাবে এবং ইন্টারমিডিয়েটেরটা কনফার্ম। খুশি যেন আর কোনো বাধা মানছে না। হঠাৎ একদিন শুনলাম প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান থেকে একটি দলই এবার যাবে। এটা সিকেডিএফ-এর নতুন নিয়ম। কিছুটা বিষণ্ন ছিলাম। পরে দাদা ১২ জনের একটা শর্ট লিস্ট করে। সৌভাগ্যক্রমে আমি ছিলাম সেই তালিকায়। পরে একটা সমস্যা হয়ে যায় এটা নিয়ে। তাই দাদা বিলম্ব না করে যারা সিনিয়র এবং পুরাতন বিতার্কিক ও যোগ্য তাদেরই পাঠান। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম যখন জানলাম যে, আমি পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠের বিতর্ক করতে পারবো না, যেই আশায় এসেছি সেটা আর হলো না। কিছুদিন পরেই দাদা আমাদেরকে একটা ন্যাশনাল ডিবেট করানোর জন্যে চট্টগ্রাম পাঠান। খুব খুশি হয়েছিলাম। চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সাথে ওই বিতর্কে অংশগ্রহণ করি। যদিও জয়লাভ করতে পারিনি। তাই বেশি দূর এগোতেও পারিনি। কিন্তু অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তারপরও মনে একটা আক্ষেপ থেকে যায় পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক করার। অবশেষে সেই সুযোগটা আবার পাই। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে প্রথমবারের মতো এবার ইংরেজি বিতর্কের আয়োজন করা হয়, যেখানে আমাদের কলেজের ২টি দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যার ফলে এবার সেই সোনার হরিণটি ধরতে সক্ষম হই এবং পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠে বিতর্ক করার ইচ্ছাটা পূর্ণ হয়।



 



লেখক : মোঃ রিয়াজ রহমান (রিফাত), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক (সিডিএম) এবং কার্যনির্বাহী সদস্য (সিসিডিএফ)।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৫০৪৭
পুরোন সংখ্যা