চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৩। এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা; তিনি গ্রহণ করেন নাই কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান।


৪। এবং আরও এই যে, আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা আল্লাহর সম্বন্ধে অতি অবাস্তব উক্তি করিত।


 


assets/data_files/web

দুঃখ অনেক ক্ষেত্রে জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।


-বায়রন।


 


 


 


বিদ্যালাভ করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য অবশ্য কর্তব্য।


 


ফটো গ্যালারি
বিশেষ অতিথির বাণী
১৭ জুন, ২০১৯ ০৩:০০:১৮
প্রিন্টঅ-অ+


যুক্তিই শোষণমুক্তির হাতিয়ার। স্বাধীনতার পরবর্তী পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থেকেই জনমানসে যুক্তিনির্ভর ও যুক্তিমনস্ক হবার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হতে থাকে। মূলত তখন থেকেই সৃষ্টিশীল ও মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে বিতর্ক চর্চা সবাইকে আকৃষ্ট করে। আর এ প্রেক্ষিতেই আনুষ্ঠানিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়ে তরুণদের মাঝে। কিন্তু এ প্রতিযোগিতা যে এত দ্রুত চাঁদপুরের তরুণদের হৃদয়ে গেঁথে যাবে তা ভাবিনি। বলা যায় চাঁদপুর এখন বিতর্ক শিল্পী নির্মাণের কারখানা। বহু প্রতিশ্রুতিশীল বিতার্কিক সৃষ্টি হয়েছে এ মাটিতে। আর সেই সৃষ্টির ¯্রষ্টা নিঃসন্দেহে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের পরিচালনাধীন চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন নামক প্রতিষ্ঠানটি।

আমি শুনে অবাক হয়েছি এ প্রতিযোগিতাটি চাঁদপুরের মাটিতে বিরামহীনভাবে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। সাংগঠনিক ভিত কতোটা মজবুত হলে জেলা পর্যায়ে থেকেও এমন একটি প্রতিযোগিতা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চালিয়ে নিতে পারেন কর্তৃপক্ষ তা চিন্তার বিষয়। আগামী দিনে এ প্রতিযোগিতার হাত ধরে আরও অনেক নতুন নতুন সম্ভাবনাময় বিতার্কিক সৃষ্টি হবে, যারা আলোর কথা বলবে, আলোর পথের যাত্রী হবে। সেই সাথে যুক্তিনির্ভর বাচিক শিল্প দিয়ে চাঁদপুরকে তুলে ধরবে জাতীয় পর্যায়েÑএমনটিই প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি যে বহুল প্রচারিত স্থানীয় দৈনিকটি বিতর্ক শিল্পের উৎকর্ষে অকপটে এগিয়ে এসেছে সেই দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের রজতজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা জানাই।

এ প্রতিযোগিতার সাফল্য ও সার্থকতা কামনা করছি।



জিহাদুল কবির, বিপিএম, পিপিএম

পুলিশ সুপার, চাঁদপুর।

 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ১,৭২,১৩৪ ১,২০,১২,১২৫
সুস্থ ৮০,৮৩৮ ৬৫,৬৩,৪৯২
মৃত্যু ২১৯৭ ৫,৪৮,৮৯৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৭৩৯০
পুরোন সংখ্যা