চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৩ জানুয়ারি ২০১৭। ২০ পৌষ ১৪২৩। ৪ রবিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬৬। ‘এবং তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করিয়াছেন তাহাদিগকে তোমরা বর্জন করিয়া থাক। তোমরা তো সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ভয় অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।                 -ওয়ার্ডস্ ওয়ার্থ। 


                       


          


  


 


 

কৃপণতা একটি ধ্বংসকারী স্বভাব, ইহা মানুষকে দুনিয়া এবং আখেরাতে উভয় লোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।  


ফটো গ্যালারি
শিক্ষক সাক্ষাৎকার : মোঃ বশির আহম্মদ
আমার শিক্ষকরাই আমাকে শিক্ষকতা পেশায় আসতে উৎসাহিত করেছিলেন
০৩ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মোঃ বশির আহম্মদ। বর্তমানে রূপসা আহম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নিষ্ঠা ও দক্ষতার কারণে প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যানিকেতনটি। গুণী এই শিক্ষক মনে করেন, 'শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে শিক্ষকের কাছে তাদের ভালো-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধার কথা বলতে পারবে। এখানে কোনো ভয়-ভীতির ব্যাপার থাকবে না।' সম্প্রতি দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের কার্যালয়ে কথা হয় মোঃ বশির আহম্মদ-এর সাথে। তিনি চাঁদপুর কণ্ঠকে বলেছেন তাঁর শিক্ষকতা জীবনের নানা দিক ও স্মৃতির কথা, বিভিন্ন বিষয়ে জানিয়েছেন অভিমতও। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ ফরিদ হাসান।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : কেমন আছেন?

মোঃ বশির আহম্মদ : ভালো আছি।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে কেন নিলেন?

মোঃ বশির আহম্মদ : (হাসি) আমি এই স্কুলের ছাত্র ছিলাম। এই স্কুলে আমার শিক্ষকতা জীবনের শুরু। আমার শিক্ষকরাই আমাকে শিক্ষকতা পেশায় আসতে উৎসাহিত করছিলেন। পড়াশোনা শেষ করে তাঁদের প্রেরণায় আমি শিক্ষকতা শুরু করলাম। অবশ্য সেদিন শিক্ষকতা পেশায় যোগ না দিলে আজ আমি প্রধান শিক্ষক হতে পারতাম না। সেজন্যে আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : প্রথম ক্লাস নেয়ার অনুভূতি কেমন ছিলো?

মোঃ বশির আহম্মদ : আমার প্রথম ক্লাসে আমার সমবয়সী শিক্ষার্থী ছিলো। এর আগে কখনো ক্লাস করি নি। আমার প্রিয় শিক্ষকরা যেভাবে আমাদের পড়াতেন, আমার প্রথম ক্লাসে আমিও শিক্ষার্থীদের সেভাবে পড়াতে চেষ্টা করলাম। প্রথম দিন ভালোভাবেই অতিবাহিত হয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : আপনার প্রিয় শিক্ষক কে? কেন প্রিয়?

মোঃ বশির আহম্মদ : আমাদের প্রধান শিক্ষক ছিলেন নূরুল ইসলাম স্যার। তিনি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তাঁকে আমার ভালো লাগতো, কারণ তিনি অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : পাঠদানের সময় শিক্ষা পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

মোঃ বশির আহম্মদ : পরিবেশ হলো পাঠদানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবেশের তারতম্যের উপর পাঠদান সুন্দর অথবা ব্যাহত হবে কিনা তা নির্ভর করে।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : ভালো ফলাফলের জন্যে অভিভাবকের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত?

মোঃ বশির আহম্মদ : শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পথ প্রদর্শন করে থাকেন। শিক্ষক স্কুলে পড়ান। শিক্ষার্থীরা বাসায় গিয়ে অনুশীলন করে। সেই অনুশীলন ঠিক মতো হলো কিনা_তা দেখার দায়িত্ব অভিভাবকদের।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

মোঃ বশির আহম্মদ : তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। তাহলে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে শিক্ষকের কাছে তার ভালো-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধার কথা বলতে পারবে। এখানে কোনো ভয়-ভীতির ব্যাপার থাকবে না। ফলে পাঠদান কার্যক্রম সহজ হবে। এতে করে শিক্ষকও সহজে শিক্ষার্থীকে পাঠদান করতে পারবেন।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

মোঃ বশির আহম্মদ : রূপসা আহম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ফরিদগঞ্জ উপজেলার প্রথম হাই স্কুল। তাই স্কুলটি দীর্ঘ ঐতিহ্য নিয়ে পাঠদানসহ সহ-শিক্ষা কার্যক্রম সফলতার সাথে পরিচালনা করে আসছে। আমাদের ফলাফলও সন্ত্বোষজনক। ২০১০ সালে এ বিদ্যালয়টি এসএসসির ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে দশম স্থান অর্জন করে। আমরা এ ফলাফল আরো ভালো করার জন্যে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি, বিদ্যালয়টি একদিন চাঁদপুরবাসীর আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপলাভ করবে।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : ফলাফল ভালো করার জন্যে শিক্ষার্থীদের করণীয় কী?

মোঃ বশির আহম্মদ : ফলাফল ভালো করার জন্যে শিক্ষার্থীকে প্রথমত নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। দিনের পড়া দিনে শেষ করতে হবে। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও তাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তবেই একজন শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ?

মোঃ বশির আহম্মদ : পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। এ বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। খেলাধুলার চর্চা করে পেশাগত জীবনেও শিক্ষার্থীরা ভালো করতে পারবে। তাছাড়া ব্যক্তি ও নিজের দেশকে সারাবিশ্বে পরিচিত করতে পারবে।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : আপনার শিক্ষকতা জীবনের একটি সুখের স্মৃতি সম্পর্কে বলুন?

মোঃ বশির আহম্মদ : আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২০১০ সালে যখন এসএসসির ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে ১০ম স্থান অজন করে_সেদিন আমি খুব আনন্দিত হয়েছিলাম। যা বলার মতো নয়।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : অবসর সময় কীভাবে কাটে?

মোঃ বশির আহম্মদ : আগে প্রচুর ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন খেলতাম। উপজেলায় আমি বহুবার ব্যাডমিন্টনে সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। এখন বয়স হয়েছে। খেলাধুলা খুব একটা করা হয় না। অবসর সময়ে খেলা দেখি।

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : আপনার প্রিয় উক্তি_

মোঃ বশির আহম্মদ : স্বপ্ন দেখো। কারণ, স্বপ্ন মানুষকে সঠিক গন্তব্যে পেঁৗছে দেয়।

{

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক : আপনার জীবন সুন্দর হোক, পূরণ হোক আপনার জীবনের লক্ষ্য_এই প্রত্যাশাই করছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মোঃ বশির আহম্মদ : আপনাকেও ধন্যবাদ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬০৫৪০
পুরোন সংখ্যা