চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭। ৭ চৈত্র ১৪২৩। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৫। ‘তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীকে ছাড়িয়ে পুরুষে উপগত হইবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।’ 


৫৬। উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু বলিল, ‘লূত-পরিবারকে তোমাদের জনপদ হইতে বহিস্কৃত কর, ইহারা তো এমন লোক যাহারা পবিত্র সাজিতে চাহে।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কলমকে হৃদয়ের জিহ্বা বলা যায়।     -কারভেনটেস।

যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।   


ফটো গ্যালারি
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পাঠদান
মোঃ হুমায়ূন কবির
২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

পর্ব : ০১

শিক্ষকের সাথে শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মাধ্যম হলো শিক্ষা। শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদানের জন্যে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করে থাকেন। শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে তাই প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পাঠদান। কারণ, পাঠদানের উপর নির্ভর করে শিক্ষার্থী কতটুকু শিখলো, অথবা কতটুকু শিখলো না। এক এক শিক্ষক একএক রকম পাঠদান করে থাকেন। পাঠদানের কারণে কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয়, কোনো শিক্ষক জনপ্রিয় নন। শিক্ষা দান কতোটুকু সফল হলো, ফলাফল ভালো কি মন্দ হবে তা নির্ভর করে পাঠদানের উপর। শিক্ষককে এমনভাবে পাঠদান করতে হবে যাতে শিক্ষার্থী আলোচ্য বিষয়টি বুঝতে পারে।

পাঠদানের জন্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কেউ কেউ মনে করেন 'বক্তৃতা' পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা ভালো করে কোনো বিষয় বুঝতে পারেন। অর্থাৎ শিক্ষক ক্লাসে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর বলবেন, শিক্ষার্থী শুনবে ও আত্মস্থ করবে। অনেকে মনে করেন, পাঠদান হবে প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক। শিক্ষার্থীরা তাদের অজানা বিষয়ে শিক্ষককে প্রশ্ন করবে, শিক্ষক জবাব দিবেন। আবার শিক্ষার্থীর মান উন্নয়নে শিক্ষকও শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করতে পারেন। পাঠদানের সাথে 'প্রদর্শন পদ্ধতি' নামে একটি কথা রয়েছে। সহজভাবে বললে বলা যায়, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা উপকরণের মাধ্যমে যে পাঠদান করা হয়, সেটি প্রদর্শন পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষার্থী উপকরণ দেখে দেখে অনেক কিছু শিখতে পারে। ব্যবহারিক পরীক্ষাও শিখন পদ্ধতির জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক পাঠদানকে গতিশীল ও শিক্ষার্থীদের বোঝাতে পেরেছেন কিনা, সেজন্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা প্রয়োজন। ব্যবহারিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের দোষ-ত্রুটিগুলো বেরিয়ে আসে। ফলে পরবর্তীতে শিক্ষক ক্লাসে সেই ভুলগুলো সংশোধনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। আলোচনা পদ্ধতিও পাঠদানের জন্যে ফলপ্রসূ। অনেক শিক্ষকই আছেন যারা ক্লাসের পড়া ক্লাসে শিক্ষার্থীকে বুঝিয়ে দেন। আবার অনেকে হোমওয়ার্ক দিয়ে দেন। শিক্ষার্থী বাসা থেকে হোমওয়ার্ক করে আনে। এটা শিখন ও শেখানোর জন্যে তাৎপর্যবহ।

তবে যে যেভাবেই পাঠদান করেন না কেন, পাঠদানের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীকে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে অনুধাবনে সহযোগিতা করা। যেহেতু শিক্ষক শিক্ষার্থীকে পাঠদান করবেন, তাই প্রথমতই শিক্ষককে ঐ বিষয়ে পড়াশোনা করতে হবে। এখানে শিক্ষকের ভূমিকা হবে গবেষকের মতো। তিনি নির্ধারিত বিষয় নিয়ে ভাববেন, বিভিন্ন দিক নিয়ে চিন্তা করবেন। শিক্ষক যদি বিষয়টি নিজে বুঝেন, তাহলেই কেবল তিনি শিক্ষার্থীদের সেটা বোঝাতে পারবেন। এজন্যে শিক্ষক পূর্ব প্রস্তুতি নিয়েই ক্লাসে যাবেন। শিক্ষার্থীর সাথে শিক্ষকের অবশ্যই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। পাঠদানের জন্যে এমন সম্পর্ক খুব প্রয়োজনীয়। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেই কেবল শিক্ষার্থী নিঃসঙ্কোচে শিক্ষককে প্রশ্ন করতে পারবে। (চলবে)

লেখক : প্রধান শিক্ষক, চান্দ্রা ইয়াকুব আলী স্মারক উচ্চ বিদ্যালয়।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৪৬৯৯৫
পুরোন সংখ্যা