চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ এপ্রিল ২০১৭। ৩০ চৈত্র ১৪২৩। ১৫ রজব ১৪৩৮
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৫। সীমালঙ্ঘন হেতু উহাদের উপর ঘেঘিত শাস্তি আসিয়া পড়িবে; ফলে উহারা কিছুই বলিতে পারিবে না।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

বড় হতে হলে সর্বপ্রথম সময়ের মুল্য দিতে হবে।                                 -স্মাইলস। 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্টতম গুণ।  


ফটো গ্যালারি
সাক্ষাৎকার
অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যয় করার মানসিকতা থেকেই শিক্ষকতা পেশায় এসেছি : মোঃ আবুল বাশার
১৩ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মোঃ আবুল বাশার মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘিলাতলী সামাদিয়া কাসেমুল উলুম ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই শিক্ষক মাদ্রাসার উন্নয়নে সার্বক্ষণিক মনোযোগী থাকেন। তিনি চলতি বছর চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকা-ের সাথে জড়িত থাকতে পছন্দ করেন। সুন্দর মনের অধিকারী এই মানুষটি চাঁদপুর জেলার পাঠকপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের মুখোমুখি হয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যয় করার মানসিকতা থেকেই শিক্ষকতা পেশায় এসেছি। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : কেমন আছেন ?

মোঃ আবুল বাশার : আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে কেন নিলেন ?

মোঃ আবুল বাশার : আমাদের প্রিয় নবী (স.) মহান শিক্ষক ছিলেন। তিনি মানব সভ্যতা বিনির্মাণে ন্যায়-নীতির শিক্ষা দিয়েছেন। এটি একটি প্রেরণা। তাছাড়া শিক্ষকতা একটি সম্মানজনক পেশা। অন্য যে কোনো পেশা থেকে এ পেশায় দুর্নীতি কম। সমাজ-রাষ্ট্র সকল স্থানেই শিক্ষকদের আলাদা একটা সম্মান আছে। পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যয় করার মানসিকতা থেকেই শিক্ষকতা পেশায় এসেছি।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : প্রথম ক্লাস নেয়ার অনুভূতি কেমন ছিলো ?

মোঃ আবুল বাশার : ১৯৮৯ সালে এই মাদ্রাসায় আমার প্রথম চাকুরি হয়। তখন আলিম ক্লাসে মাত্র দু'জন শিক্ষার্থী পেয়েছিলাম। একটি আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসায় ঐ ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী কম থাকায় তখন প্রথম ক্লাসের অনুভূতি সুখকর ছিলো না। আরবি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে পড়ানোর ব্যাপারে আমার কোনো ভীতি ছিলো না। তবে নতুন কর্মস্থল হিসেবে একধরনের মানসিক চাপের কারণে আমার ভেতর একটা জড়তা কাজ করেছে। কিন্তু তা বেশিক্ষণ স্থায়ী ছিলো না। বর্তমানে এই মাদ্রাসায় আলহামদুলিল্লাহ প্রায় ১ হাজার ২শ' শিক্ষার্থী রয়েছে। আমার প্রথম ক্লাসের দুঃখ এখন আর নেই।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : জেলায় এবং উপজেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হওয়ার প্রতিক্রিয়া কী?

মোঃ আবুল বাশার : যে কোনো ভাল সংবাদ বরাবরই আমাকে শিহরিত করে, নতুন প্রেরণা যোগায়। এ সফলতা কেবল আমার একার নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক, ছাত্র/ছাত্রী, পরিচালনা কমিটিসহ এলাকার সকলের আন্তরিকতার ফসল। আমি এমন একটি ভালো সংবাদে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। যারা আমাকে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে মুল্যায়ন করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ ঃ চাঁদপুর জেলার মাদ্রাসা শিক্ষার পরিবেশ কেমন বলে আপনি মনে করেন?

মোঃ আবুল বাশার : আমি মনে করি সারা দেশের তুলনায় চাঁদপুর জেলার মাদ্রাসার শিক্ষার অবস্থা অনেক ভালো। মাদ্রাসাগুলির ভৌত অবকাঠামো, শিক্ষার মান, শিক্ষা পরিবেশ সব কিছুতেই উন্নতির ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ চাঁদপুর জেলার মাদ্রাসাগুলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে বলেই আমার বিশ্বাস। যার ফলে এখান থেকে অনেক ইসলামী ব্যক্তিত্ব জন্ম লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখ্য জমিয়াতুল মোদারিসিনের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আব্দুল মান্নান। যিনি এই চাঁদপুরের কৃতী সন্তান। মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে যার অবদান অনস্বীকার্য। আমি আশা করি এই পরিবেশ চলমান থাকবে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : চাঁদপুর জেলার মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে আপনার কোনো স্বপ্ন আছে কি?

মোঃ আবুল বাশার : বিভিন্ন সময় বিশেষ করে পাবলিক পরীক্ষার পূর্বে চাঁদপুর জেলার মাদ্রাসা প্রধানদের ডিসি অফিসে মিটিং হয়। ডিসি অফিসের মিটিংয়ে আমি আরবি ভাষা ও আরবি ব্যাকরণের উপর গুরুত্ব দিয়ে প্রায়ই কথা বলে থাকি। এর উদ্দেশ্য হলো আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি সঠিকভাবে আরবি শিখতে পারে তাহলে তারা কুরআন ও হাদীসের সঠিক ব্যাখ্যা জনসম্মুখে তুলে ধরতে পারবে। কুরআন ও হাদীসের সঠিক ব্যাখ্যার অভাবে অনেক সমাজে বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বর্তমান সরকারের সিলেবাস প্রণয়ন কমিটি ছাত্র/ছাত্রীদের উপযোগী করে আরবি ব্যাকরণের একটি সুন্দর সিলেবাস তৈরি করেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা যাতে সহজে আরবি ভাষা বুঝতে পারে সে জন্য চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিশেষ প্রোগ্রাম করার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে মাদ্রাসা শিক্ষায় চাঁদপুর সারা বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে পারে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার প্রিয় শিক্ষক কে ? কেন ?

মোঃ আবুল বাশার : প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত আমার অনেক শিক্ষক ছিলেন। সবাই আমার পরম শ্রদ্ধেয়। তবে আমার প্রিয় শিক্ষক ছিলেন মনপুরা ফাযিল মাদ্রাসার প্রাক্তন অধ্যক্ষ আব্দুল হাই। যার পদধূলি না পেলে আমি আজকের অবস্থানে আসতে পারতাম না। তিনি মাদ্রাসার প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি বিষয়ের যথাযথ পাঠদানের নিয়মিত খোঁজখবর নিতেন। তিনি নিজে যে সকল ক্লাস নিতেন তা ব্যাখ্যাসহ বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করে ছাত্র/ছাত্রীদের পড়াতেন এবং পড়া আদায় করতেন। তিনি আমাকে শিখিয়েছেন ভালো ছাত্র এবং নেতৃত্বের গুণাবলি রপ্ত করার কৌশল। তিনি আমাকে সব সময় শাসন করতেন। তবে তার শাসনের মাঝেই লুকিয়ে ছিল স্নেহ মমতার ভা-ার। যা তিনি সহজে প্রকাশ করতেন না।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : পাঠদানের সময় শিক্ষা পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ?

মোঃ আবুল বাশার : লেখাপড়ার উপযোগী পরিবেশ বজায় না থাকলে শিক্ষকের পক্ষে যেমন পাঠদান করা কষ্টকর তেমনি ছাত্র/ছাত্রীদের পক্ষেও পাঠগ্রহণে মনযোগী হওয়া সম্ভব নয়। তাই পাঠদানের সময় শিক্ষা পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন ক্লাস করবো তখন যদি তার পাশে হইচই হয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ হয় তবে পাঠদানের পরিবেশ ব্যাহত হবে। যথাযথভাবে পাঠদানের জন্য শিক্ষাদানের পরিবেশ বজায় থাকা একান্ত আবশ্যক।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : ভালো ফলাফলের জন্য অভিভাবকের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত ?

মোঃ আবুল বাশার : শুধুমাত্র শিক্ষকের একক প্রচেষ্টায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল করা সম্ভব নয়। এখানে অভিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে তিনটি পক্ষ রয়েছে। শিক্ষক, ছাত্র/ছাত্রী এবং অভিভাবক। এই তিন পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় একটি প্রতিষ্ঠান ভালো ফলাফল করতে পারে। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়; যে অভিভাবক যতো বেশি সচেতন তার সন্তানের ফলাফল ততোই উজ্জ্বল। আবার যে অভিভাবক সন্তানের ব্যাপারে সচেতন নয় তার ফলাফলও সন্তোষজনক নয়।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন ?

মোঃ আবুল বাশার : লেখাপড়ার মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক হতে হবে পিতা-মাতার সাথে তার সন্তানের যেমন সম্পর্ক ঠিক তেমনি। কারণ 'শাসন করা তারই সাজে সোহাগ জানে যে' নীতি হবে একজন আদর্শ শিক্ষকের। তবেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে বিদ্যালয় হবে একটি আকর্ষণীয় স্থান। একেবারে কঠোরও নয় আবার একেবারে নরমও নয় পিতা-মাতার স্নেহ মমতার নীতি অবলম্বন করে শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিচরণ করতে হবে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী ?

মোঃ আবুল বাশার : একজন অধ্যক্ষ হিসেবে আমার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন খুবই ইতিবাচক। এখানে রয়েছে যোগ্য মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। আমার মাদ্রাসার ভৌত অবকাঠামোগত সকল সুবিধা বর্তমানে আছে। ছেলে এবং মেয়েদের জন্য আলাদা পাঠদানের ব্যবস্থা থাকায় শিক্ষক সংকট রয়েছে। যা নিরসনে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় আমি খ-কালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি। ফলে আমার মাদ্রাসার শিক্ষার মান খুবই ভাল। এখানে ছাত্র/ছাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে লেখাপড়া করছে এবং চাঁদপুর জেলায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা কী কী চাকুরীতে অগ্রাধিকার পাবেন ?

মোঃ আবুল বাশার : আমার প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের অতীতের রেকর্ড অনুযায়ী তারা বিভিন্ন ব্যাংকে, প্রশাসনে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিসিএস ক্যাডারসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। আমি আশা করি আল্লাহর রহমতে ভবিষ্যত শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আমি এও বলবো যে, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি সমাজের একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে। কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা সে ধারণা ভুল প্রমাণিত করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে দেশের সেবা করে যাচ্ছে। এখানে উল্লেখ্য যে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়েছে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : ফলাফল ভালো করার জন্য শিক্ষার্থীদের করণীয় কী ?

মোঃ আবুল বাশার : শিক্ষক যেভাবে পাঠদান করেন তা ছাত্র/ছাত্রীদের মনযোগ দিয়ে হৃদয়ঙ্গম করতে হবে। শিক্ষকের গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য প্রথম কথা হলো ছাত্র/ছাত্রীদের মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকতে হবে। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। ইদানীং লক্ষ্য করা গেছে ছাত্র/ছাত্রীরা শ্রেণী কার্যক্রমে উপস্থিত থাকতে চায় না। সৃজনশীল লেখাপড়ায় ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত না থাকলে লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যায় না। আর এটা করতে না পারলে পরীক্ষায়ও ভালো ফলাফল করা যাবে না।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ?

মোঃ আবুল বাশার : লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী কৃষ্টি-কালচার অনুসরণ করে আমরা ছাত্র/ছাত্রীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করাতে পারি। এতে একগেঁয়েমী ভাব দূর হবে। শরীর ও মন সুস্থ থাকবে। ফলে লেখাপড়ায় মনও বসবে ঠিকমত। আসলে নামাজ আমাদের দৈনিক পাঁচবার ব্যায়ামে উৎসাহী করে তোলে। প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলার ব্যবস্থা থাকলে ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে কালচারাল একটিভিটিজ বৃদ্ধি পাবে। যা পড়াশোনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার শিক্ষকতা জীবনের একটি সুখের স্মৃতি সম্পর্কে বলুন ?

মোঃ আবুল বাশার : আমার শিক্ষকতা জীবনের সবচেয়ে সুখের স্মৃতি হলো এই মাদ্রাসারই একটি সাফল্য গাঁথা মুহূর্তের কথা। ১৯৯৬ সালে যখন মাদ্রাসা বোর্ডে এই ঘিলাতলী ফাযিল মাদ্রাসা সারাদেশে ৪র্থ স্থান অর্জন করে এবং আমার প্রতিষ্ঠানের ফাযিল শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী প্রথম স্থান অর্জন করে। এ পর্যন্ত আমার এটাই সবচেয়ে সুখস্মৃতি।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : অবসর সময় কিভাবে কাটে ?

মোঃ আবুল বাশার : অধ্যক্ষ হিসেবে আমাকে বেশির ভাগ সময় মাদ্রাসায় অবস্থান করতে হয়। ফলে মাদ্রাসা ছুটির পরও কোনো না কোনো কাজ থাকে। মাঝে মাঝে সংসারের খোঁজখবর নেই। কখনো কখনো মাদ্রাসার মান বৃদ্ধির ব্যাপারেও অবসর সময় পরিকল্পনা অাঁটি। এছাড়া ছুটির দিনে মাঝে মাঝে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করি।

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার প্রিয় উক্তি বলুন-

মোঃ আবুল বাশার :

'করিতে পারি না গুরুত্বপূর্ণ কাজ

তবু চাই বড় বড় খেতাব।'

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার জীবন সুন্দর হোক, পূর্ণ হোক আপনার জীবনের লক্ষ্য এই প্রত্যাশাই রাখছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

মোঃ আবুল বাশার : আপনাকেও ধন্যবাদ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৭০০১১
পুরোন সংখ্যা