চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ এপ্রিল ২০১৭। ৩০ চৈত্র ১৪২৩। ১৫ রজব ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • উচ্চ মাধ্যমিকে পাস ৬৮.৯১ শতাংশ
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৫। সীমালঙ্ঘন হেতু উহাদের উপর ঘেঘিত শাস্তি আসিয়া পড়িবে; ফলে উহারা কিছুই বলিতে পারিবে না।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

বড় হতে হলে সর্বপ্রথম সময়ের মুল্য দিতে হবে।                                 -স্মাইলস। 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্টতম গুণ।  


এগিয়ে যাচ্ছে মৈশাদী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক
১৩ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সদরের মৈশাদী অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে যে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তারমধ্যে মৈশাদী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অন্যতম। ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে হাঁটি হাঁটি পা পা করে ৫৮ বছরে পা দিয়েছে। বর্তমানে এ নারী বিদ্যা নিকেতনটির ছাত্রী সংখ্যা ৪শ' ৩ জন। নিয়মিত ১১ জন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকেন।

স্কুল সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা বলেন, এ অঞ্চলের ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্যে এ বিদ্যালয়টি বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পড়াশোনা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চায় আমাদের ছাত্রীরা অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ স্কুলের ফলাফলও সন্তোষজনক।

স্কুলসূত্রে জানা যায়, এ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় ২০১৪ সালে ৯৮.৪৮ ভাগ, ২০১৫ সালে ৯১ ভাগ ও ২০১৬ সালে ৭৫ ভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষায় ২০১৪ সালে ৮৯ ভাগ, ২০১৫ সালে ৬৩ ভাগ ও ২০১৬ সালে ৮৮ ভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। আগামীতে আরো ভালো ফলাফল অর্জনের জন্যে কাজ বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়।

স্কুলের সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক নীলিমা খানম ও লায়লা সুনতানা জানান, পড়াশোনা করার পাশাপাশি মেধা বিকাশের জন্যে স্কুলে বিভিন্ন সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রতি বৃহস্পতিবার সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রমের উপর ঘণ্টাব্যাপী ক্লাস নেয়া হয়। খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা এবং জেলার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আমাদের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে থাকে। মাদক-ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে স্কুলের পক্ষ থেকে র‌্যালী করা হয়। স্কাউটে মেয়েরা অনেক এগিয়েছে। স্কুলে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় দিবসগুলো পালন করা হয় বলে তারা জানান।

স্কুল ঘুরে দেখা যায়, স্কুলটির পশ্চিম ও দক্ষিণ পূর্ব পাশে বাউন্ডারি দেয়াল থাকলেও উত্তর-পূর্বপাশে কোনো বাউন্ডারি দেয়াল নেই। ফলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষা পরিবেশ বিঘি্নত হচ্ছে। স্কুলের দু শিক্ষার্থী সানজিদা খানম ও ফাহিমা আক্তার সে কথাই বিশেষ করে জানালেন। তারা বলেন, আমাদের স্কুলের সার্বিক কার্যক্রম ভালো। কিন্তু স্কুলের দু পাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় আমাদের কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। আমরা চাই খুব দ্রুত যাতে এ বাউন্ডারি দেয়া হয়।

কথা হয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম প্রধানীয়ার সাথে। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে গড়ে ওঠে। তাদেরকে যথাযথ পাঠদানের প্রতি আমাদের শিক্ষকরা বিশেষ দৃষ্টি রাখেন। খেলাধুলাও এ স্কুলটি এগিয়ে আছে। অভিভাবকরাও আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে। সেসব সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে আমরা ক্লাস নিয়ে থাকি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক_সবার প্রচেষ্টায় স্কুলটি এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৫৩৭২৩
পুরোন সংখ্যা