চাঁদপুর। বুধবার ২১ জুন ২০১৭। ৭ আষাঢ় ১৪২৪। ২৫ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬২। এবং সেই দিন তিনি উহাদিগকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদিগকে আমার শরীক গণ্য করিতে, তাহারা কোথায়?’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


স্বপ্নে রাজা হয়েছে, এমন লোকের সংখ্যা কম নয়।                    -জজ ওয়েস্ট স্টোন।


 


যারা পয়গম্বরদের (নবীদের) কবর পূজা করে, তারা অভিশপ্ত হোক। 


 

ফটো গ্যালারি
ড্যাফোডিল আমাদের পতাকাকে বিশ্বে তুলে ধরবে
মোঃ সবুর খান
২১ জুন, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিক্ষার প্রতি অনুরাগ আমার সব সময়ই ছিল। আজকের যে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, সেটি শুরুতে ছিল আইটি ট্রেনিং সেন্টার। কম্পিউটার ব্যবসায় সাফল্য আসার পর আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করলাম। ১৯৯৭ সালের শেষের দিকে ডিআইআইটি (ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি) প্রতিষ্ঠা করলাম। ডিআইআইটির অনেক সাফল্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো এই প্রতিষ্ঠানের কোনো ছাত্র-ছাত্রীই বেকার ছিলো না এবং এদের বিরাট অংশ ক্রেডিট ট্রান্সফার করে বিদেশে চলে যায়, সেখানেও তারা সফলভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়। ফলে আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন নিতে উদ্বুদ্ধ হলাম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক দলই তখন প্রথম আমাদের জানালেন, একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সব ধরনের যোগ্যতাই আমাদের আছে। এ ছাড়া আরো অনেক শিক্ষানুরাগী, যাঁদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিল, তাঁরাও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে উদ্বুদ্ধ করলেন। তাঁদের সবার পরামর্শ ও সহযোগিতায় ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা আবেদন করলাম এবং পরের বছরের ২৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সরকারের অনুমোদন লাভ করে।



 



এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার স্বপ্ন এখান থেকে পাস করা কোনো ছাত্র-ছাত্রী যেন বেকার না থাকে। তারা যেন ছাত্র-শিক্ষকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও গবেষণায় নব নব উদ্ভাবন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন বাংলাদেশের একটি ব্র্যান্ড ইমেজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। ড্যাফোডিল আমাদের পতাকাকে বিশ্বে তুলে ধরবে এটিই চাওয়া। আমরা সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে একটি চমৎকার নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাই। সে জন্য ২শ'টির বেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণা, ফ্যাকাল্টি এঙ্চেঞ্জ প্রোগ্রামসহ নানা ধরনের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিবছর এই ক্যাম্পাসে চার থেকে পাঁচ শ শিক্ষক-গবেষক ছাত্র-ছাত্রী ও প্রফেশনাল আসছেন। বাংলাদেশে এককভাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অন্য কোনো সংগঠনের পক্ষে এত বেশি



 



বিদেশির সমাগম নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই এটাও আমাদের বড় ধরনের সাফল্য। কারণ, হলি আর্টিজানের ঘটনার পর যেখানে জাপানিরা আসতে ভয় পাচ্ছিল, সেখানে জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডা থেকে বিদেশিরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত আসছেন। তাঁদের কনফিডেন্স তৈরি হয়েছে যে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্সগুলো এ বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি মেনটেইন করে। আমাদের মূল টার্গেটই হলো, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা চমৎকার রোল মডেল হিসেবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিষ্ঠিত করা।



 



আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, কোচিং সেন্টার হিসেবে নয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠ থাকবে, চমৎকার লাইব্রেরি থাকবে, গবেষণাগার থাকবে, ছাত্র-ছাত্রীদের নলেজ শেয়ারিংয়ের জায়গা থাকবে, গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপকরণগুলো থাকবে, বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের ক্যাম্পাসে থাকার ব্যবস্থা থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীরা স্বাভাবিকভাবেই যত্রতত্র থাকতে চাইবে না। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের থাকার জন্য স্থায়ী ক্যাম্পাসে, এমনকি ঢাকায়ও হল তৈরি করেছি। ছেলে ও মেয়েদের জন্য হল করেছি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের থাকার জায়গাও নিশ্চিত করেছি। স্থায়ী ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য ২৫টি বাস আছে। আরো ১০০টি বাস যুক্ত হবে। আমাদের উদ্দেশ্য_ড্যাফোডিলকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা, যেখানে এ টু জেড সলিউশন থাকবে, শুধু সার্টিফিকেটের জন্য কেউ আসবে না। সারা পৃথিবীতে যেমন অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অনেক ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে একটি দেশের মানদ- হিসেবে কাজ করে, আমরাও সেভাবে আমাদের ক্যাম্পাসকে সাজাচ্ছি। সূত্র : কালের কণ্ঠ।



মোঃ সবুর খান : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৯৯৬৫
পুরোন সংখ্যা