চাঁদপুর। বুধবার ২১ জুন ২০১৭। ৭ আষাঢ় ১৪২৪। ২৫ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬২। এবং সেই দিন তিনি উহাদিগকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদিগকে আমার শরীক গণ্য করিতে, তাহারা কোথায়?’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


স্বপ্নে রাজা হয়েছে, এমন লোকের সংখ্যা কম নয়।                    -জজ ওয়েস্ট স্টোন।


 


যারা পয়গম্বরদের (নবীদের) কবর পূজা করে, তারা অভিশপ্ত হোক। 


 

ফটো গ্যালারি
পাঁচ বছর একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান!
কাদের পলাশ
২১ জুন, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে প্রায় পাঁচ বছর একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে চারানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। এতে নামমাত্র চলছে বিদ্যালয়টির নিয়মিত পাঠদান। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেছে অন্য স্কুলে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন অনেক চেষ্টা করেও বিদ্যালয়ে শিক্ষক দেয়া হচ্ছে না। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসূত্রে জানা গেছে_শীঘ্রই স্কুলটিতে শিক্ষক দিয়ে পাঠাদান কার্যক্রমে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হবে।



২০১০ সালের জুনে 'বিদ্যালয়বিহীন এক হাজার ৫শ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন' নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকার নির্দেশিত নকশায় ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে নির্মিত হয় এ স্কুলটি। একই বছর থেকেই শুরু হয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। প্রধান শিক্ষকসহ মোট পাঁচজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র একজন। এ শিক্ষকের নাম মোস্তফা হাছান। তিনি বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরও দায়িত্ব পালন করছেন। এতে পাঠদানে মারাত্মক বিঘ্ন হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এ এলাকার কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ।



শিক্ষা ব্যবস্থার এমন উদাসীনতার কারণে অভিভাবকরাও ক্ষুব্ধ। অনেকেই তাদের সন্তানদের বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দিচ্ছে। অবশ্য অভিভাবকদের প্রত্যাশা ও দাবি দ্রুত যেন এ বিদ্যালয়ে শিক্ষক দেয়া হয়।



গত ১৮ এপ্রিল পুল থেকে ৪ জন শিক্ষক দেয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়েও পার হওয়ার পরও তারা যোগদান করেনি। জানা গেছে তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষক বলছেন, এ দায়িত্ব পালন তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।



জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম বলেন, বিদ্যালয়টিতে পুল থেকে ৪জন শিক্ষক দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু কেন তারা যোগ দেয়নি এব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। এছাড়া গত ১ মে দুই শিক্ষক দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। শাহনাজ নামের এক শিক্ষক যোগ দিলেও অপরজন দেয়নি।



বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানটিতে ১শ ৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। একবছর আগে একজন শিক্ষক ডেপুটেশনের দেয়া হলেও মাসখানেকের মধ্যে তিনি পূর্বেও কর্মস্থলে চলে যান। বর্তমানে র্কমরত একমাত্র শিক্ষককে ৬ মাসের জন্যে এখানে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়। তারপর চলে যায় পাঁচ বছর। দ্রুত এ বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম তরান্বিত করতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জোর দাবি জানিয়েছেন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৯৯০২
পুরোন সংখ্যা