চাঁদপুর। বুধবার ২১ জুন ২০১৭। ৭ আষাঢ় ১৪২৪। ২৫ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬২। এবং সেই দিন তিনি উহাদিগকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদিগকে আমার শরীক গণ্য করিতে, তাহারা কোথায়?’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


স্বপ্নে রাজা হয়েছে, এমন লোকের সংখ্যা কম নয়।                    -জজ ওয়েস্ট স্টোন।


 


যারা পয়গম্বরদের (নবীদের) কবর পূজা করে, তারা অভিশপ্ত হোক। 


 

যে কারণে ইংরেজি শিখবো
আফসানা আক্তার তনি্ন
২১ জুন, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



 



যে ভাষাটি সারাবিশ্বে স্বাচ্ছন্দ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। তা-ই হলো আন্তর্জাতিক ভাষা। ইংরেজি হলো আন্তর্জাতিক ভাষা। শতাব্দী ধরে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বিভিন্ন দেশে ইংরেজি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে এটা সারা বিশ্বে আবেদন সৃষ্টি করেছে এবং বহুমুখী যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি অত্যাবশ্যক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এ কারণে ইংরেজিকে বলা হয় আন্তর্জাতিক ভাষা। ইংরেজি ৩৫০ মিলিয়ন লোকের প্রথম ভাষা। এটা ৬০ টিরও বেশি দেশে অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে ইংরেজিতে আমাদের ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। অন্যান্য দেশের সাথে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য আমাদের ইংরেজি শিখতে হবে।



বিশ্বের সর্বাধুনিক জ্ঞান এবং গবেষণায় প্রবেশ করতে হলে আমাদের ইংরেজি শেখা প্রয়োজন। তাছাড়া উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য আমাদের এটা শেখা উচিত।



শিক্ষা জাতির মেরুদ-। মেরুদ- ছাড়া যেমন কোন প্রাণী সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি শিক্ষা না থাকলে মানব জাতি উন্নতি করতে পারে না। সুশিক্ষিত মানব সম্পদ একটি দেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি। তাই সুশিক্ষা অর্জনের জন্য বাংলা শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষারও গুরুত্ব রয়েছে।



আমাদের দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশ কয়েকটি স্তরে বিভক্ত। যেমন : প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, শিক্ষার এই স্তরগুলোতেও ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দিকটি ফুটে উঠেছে। প্রাথমিক থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বইগুলো ইংরেজিতে লেখা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীই ইংরেজিতে কথা বলতে ও লিখতে পারে। ফলে দেখা যায় তারা বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে এসে নিজ জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।



সরকারি হিসেব মতে বাংলাদেশে ৬২% লোক শিক্ষিত। কিন্তু দেখা যায় তার মধ্যে মাত্র অল্প কয়জন ইংরেজিতে দক্ষ। ফলে এই অল্পসংখ্যক লোকই চাকরি করার সুযোগ পায়। বাকি লোকজন বেকারত্ব জীবন যাপন করতে শুরু করে। বেকারত্ব এখন ভয়াল রূপ ধারণ করেছে। তার ওপর বেকারত্বের কারণে দেশ থেকে দারিদ্র্য নির্মূল করা যেন আকাশ কুসুমে পরিণত হয়েছে। বেকারত্ব দূর করার জন্য শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। কারিগরি ও প্রকৌশলগত জ্ঞান দিয়ে বাড়তি জনশক্তিকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। এতে ইংরেজি শিক্ষার প্রভাবও অপরিসীম।



বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। আর এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার, ইন্টারনেটে যা কিছু করা হয় তার পুরোটাই ইংরেজির উপর নির্ভরশীল।



আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য ইংরেজি শিখতে হবে। যাই হোক, ইংরেজি শেখা একটি সহজ কাজ। ইংরেজি শেখার জন্য ব্যাকরণের নিয়মকানুন যত্নের শিখতে হবে। ব্যাকরণ না জেনে ইংরেজিতে ভালো ভালো দক্ষতা থাকা সম্ভব নয়। আমাদের বর্তমান পাঠ্যবই যা কমিউনিকেটিভ উদ্দেশ্যে রচিত। তাই ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক। এটি আমাদের দেশে ইংরেজিতে যোগাযোগ কার্যক্রমের সাথে পরিচিত করে এবং বাস্তব জীবনে এটি ব্যবহারে সহায়তা করে। ইংরেজিতে দক্ষতা থাকা লোকদেরকেই চাকরির বাজারে তাদের মূল্যায়ন অনেক বেশি। অধিকাংশ চাকরির পরীক্ষায় ইংরেজির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। কারও যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে, তবে সে সহজেই একটি ভালো চাকরি যোগাড় করতে পারবে।



প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে পৃথিবী। বদলে যাচ্ছে মানুষের চিন্তা। আর প্রতিদিন মানুষ এক অন্যরকম স্বপ্নের বীজ বুনে চলেছে। এই সব আকাঙ্ক্ষা থেকেই সূচনা হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও ইনফরমেশন টেকনলজির মাধ্যমে কোন দেশের সরকারি বেসরকারি পর্যায়ের সব ধরনের কর্মকা- পরিচালিত হলে সেই দেশকে ডিজিটাল রাষ্ট্র বলে। আর এসব কর্মকা- সম্পন্ন করতে গেলে ইংরেজি জানা অতীব জরুরি। বর্তমান সরকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করানোর জন্য মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম চালু করেছে। এছাড়াও প্রত্যেক স্কুলে, কলেজে এখন নির্ধারিত ক্লাসের পর কম্পিউটার শেখানো হচ্ছে। ফলে সে ছাত্র বা ছাত্রীটি কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণ করছে তার ইংরেজি শিক্ষাও সম্পন্ন হচ্ছে।



বর্তমানে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ইংরেজিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা চালু করা হয়েছে। এসব প্রতিযোগিতায় যে সকল ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করছে তারাও যেমন ইংরেজিতে ভালোভাবে দক্ষ হয়ে উঠছে তেমনি যারা দর্শক হিসেবে অনুষ্ঠানগুলো দেখছে তারাও ইংরেজি শিখতে পারছে। এছাড়াও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো ছাড়া সাধারণ স্কুলগুলোতে ইংরেজি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এসব স্কুলগুলোতে ইংরেজিতে কয়েক মিনিট কথা বলা ইংরেজি শিক্ষার জন্য বিশেষ ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালোভাবে ইংরেজি আরোপ করতে পারছে।



ইংরেজি একজন মানুষকে ভাল চাকুরি ও ভালো বেতন পেতে সহায়তা করে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে ইংরেজি শিক্ষা অর্জন জরুরি। দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে ইংরেজি শিক্ষা অর্জনও একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে মাতৃভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে তারপর ইংরেজি শিখতে হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৩৩৫২
পুরোন সংখ্যা