চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৩ জুলাই ২০১৮। ১৯ আষাঢ় ১৪২৫। ১৮ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার


৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২২। আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ট গোমরাহীতে রয়েছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


যারা দুশ্চিন্তাকে প্রতিরোধ করতে পারে, তারা দীর্ঘজীবী হতে পারে। -এলিশবার্গ।


 


 


 


সেই শরীর বেহেস্তে যাবে না যা হারাম জীবিকা দ্বারা পরিপুষ্টি লাভ করেছে।


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোঃ রুহুল আমিন
০৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় মাত্র ২টি বালিকা বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে একটি উপজেলার মেহার দক্ষিণ ইউনিয়নস্থ 'ফটিকখিরা এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। অন্যটি টামটা উত্তর ইউনিয়নস্থ হোসেনপুর গ্রামে অবস্থিত হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শাহরাস্তি উপজেলায় এমপিওভুক্ত মোট ৩৩টি বিদ্যালয় রয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই কো-এডুকেশনে চলে তবে, এ দুটি মেয়েদের জন্যে বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থাপিত। নানা সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ দুটি প্রতিষ্ঠান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। বিশেষভাবে নারী শিক্ষা বিস্তারের এই প্রতিষ্ঠান দুটির প্রতি তেমন একটা নজর দেয়া হচ্ছে না। তার টের পাওয়া যাবে প্রতিষ্ঠান দুটি ঘুরে আসলে। আমরা প্রতিষ্ঠান দুটির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর জোর দাবি করছি।



১৯৯৯ সালে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের হোসেনপুর এলাকার গণ্যমান্য ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। যা পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় অর্থ ও সঠিক পরিচালকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। ঠিক তখনই বিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিবর্গের ইচ্ছায়, সাবেক প্রধান শিক্ষক হাছিনা আকতারের পরিচালনায় এবং প্রতিষ্ঠাতা আকতার হোসেন গাজী প্রতিষ্ঠানের সকল ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাদের সহযোগিতায় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়টি নিম্নমাধ্যমিক হিসাবে স্বীকৃতি পায় এবং ২০১০ সালের ৩১ মে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ' ১৮ জন। কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা ৭ জন। নানা সমস্যায় জর্জরিত এ বিদ্যালয়টি। সকল অনুকূল পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দিচ্ছেন না বলে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো এতটাই নাজুক যে কেউ বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করলে তা টের পাবেন।



শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই বিদ্যালয়টি এলাকায় নারী শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে।



উল্লেখ্য, এই বিদ্যালয় থেকে ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেএসসিতে এবং ২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।



এ বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গার পরিমাণ এক একর তিন শতাংশ। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ অরক্ষিত। এই বিদ্যালয়ে দোচালা ২টি টিনের ঘর ও দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি টিন সেড রয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় শ্রেণিকক্ষ স্বল্পতার কারণে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন ক্লাসের ব্যাঘাত ঘটছে। তা ছাড়া অত্র বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানাগারের তেমন উপকরণ নেই, ফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।



বিদ্যালয়ের সার্বিক দিক বিবেচনা করে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্যে প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, নিরাপত্তার জন্যে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ এবং বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানাগার কক্ষ ও গবেষণা সামগ্রী দ্রুত সরবরাহ করা গেলে বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষা বিস্তারে তার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সমর্থ হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।



হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আলী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের বিরাজমান সমস্যাসমূহ দূরীকরণে অচিরেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে নারী শিক্ষা বিস্তারের পথ ত্বরান্বিত করবেন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৪৩১১৭
পুরোন সংখ্যা