চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৩ জুলাই ২০১৮। ১৯ আষাঢ় ১৪২৫। ১৮ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার


৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২২। আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ট গোমরাহীতে রয়েছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


যারা দুশ্চিন্তাকে প্রতিরোধ করতে পারে, তারা দীর্ঘজীবী হতে পারে। -এলিশবার্গ।


 


 


 


সেই শরীর বেহেস্তে যাবে না যা হারাম জীবিকা দ্বারা পরিপুষ্টি লাভ করেছে।


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ইতালিতে চিকিৎসক হলেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী
জমির হোসেন, ইতালি ব্যুরো
০৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইতালিতে ডাক্তার হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশী সাকিব আহম্মেদ। পরিশ্রমই সফলতার চাবিকাঠি, ডাক্তার হয়ে তা প্রমাণ করে দেখালেন তিনি। তার এই সফলতায় বাংলাদেশীদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত কৃতিত্বের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করলেন। প্রায় দীর্ঘ ৩৫ বছর বাংলাদেশিদের অভিবাসন ইতালিতে। এরপরও গড়ে ওঠেনি দ্বিতীয় প্রজন্মের কোনো ভালো অবস্থান। ফলে ডাঃ সাকিব নিজের মেধার গুণে একজন বাংলাদেশি অভিবাসী হিসেবে মানবসেবার মত এরকম একটি পেশায় উত্তীর্ণ হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইতালিতে।



 



কথা হয় সাকিবের সাথে। তিনি তার সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, আজকের অবস্থানে আসার পেছনে বাবা ও মায়ের অবদান আমার কাছে সব চেয়ে বেশি। বিশেষ করে পরিবারের সহযোগিতা থাকার কারণে আজ আমি ডাঃ সাকিব হতে পেরেছি। এজন্য পরিবারের কাছে সব সময়ের জন্য ঋণী।



 



সাকিবের জন্ম ১৯৯২ সালে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানায়। মাত্র তিন বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে সে ইতালিতে পাড়ি জমান তিনি। ২০১২ সালে স্কুল ও কলেজের পড়াশোনা শেষ করে তরভেরগাতা ইউনিভার্সিটিতে (ইতালিয়ান ভাষায় মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগে ভর্তি হন। চলতি বছরে ২০১৮ কৃতিত্বের সাথে তরভেরগাতা ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক্তারি পাস করে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ গ্রহণ করেন।



 



ইউনির্ভাসিটির জেনারেল প্যাথোলজি বিভাগের প্রধান জি প্রফেসর ড. ভিটরিও মঞ্জারী এই কৃতিত্বের জন্যে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। রোমের অদূরে ফ্রাসকাটি শহরে বসবাস করেন ডাঃ সাকিব।



 



তার বাবা বশির আহমেদ একজন ব্যবসায়ী। মা জাহানারা আক্তার গৃহিণী। বোন পাপিয়া আক্তার আইন পেশায় রয়েছেন। সন্তানের ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে বশির আহমেদ বলেন, সাকিবের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন প্রত্যাশা ডাঃ সাকিব বাংলা কমিউনিটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আশা করি এই সাফল্য প্রজন্মের জন্য পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। আর বাংলাদেশের হয়ে কিছু করতে পারা নিশ্চয় আনন্দের।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৭৬১৮
পুরোন সংখ্যা