চাঁদপুর । মঙ্গলবার ৩১ জুলাই ২০১৮ । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫ । ১৭ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১০। যারা কাফের তাদেরকে উচ্চঃস্বরে বলা হবে, তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমাদের আজকের এ ক্ষোভ অপেক্ষা আল্লাহর ক্ষোভ অধিক ছিল, যখন তোমাদেরকে ঈমান আনতে বলা হয়েছিল, অতঃপর তোমরা কুফরী করছিলে।

১১। তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’বার জীবন দিয়েছেন । এখন আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। অতঃপর এখনও নিষ্কৃতির কোন উপায় আছে কি?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


যার পেটে ক্ষুধা সে কখনো রাজনৈতিক উপদেষ্টা হতে পারে না।            


 -আইনস্টাইন।

                         


যে ব্যক্তি মুসলমান, তার হৃদয় ভালোবাসায় পূর্র্ণ। যে অন্যকে ভালোবাসে না এবং অন্যেও যাকে ভালোবাসে না, তাকে কখনও মুসলমান বলা যেতে পারে না।



 


ষোলঘর টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ
শিক্ষক সঙ্কটে ভুগছে ৮শ' শিক্ষার্থী
শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক
৩১ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রতিষ্ঠার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও শিক্ষক সঙ্কটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারছে না চাঁদপুর ষোলঘর টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যানিকেতনে বর্তমানে শিক্ষকের ১২টি পদ শূন্য রয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যায়ন করতে এসে শিক্ষক সঙ্কটে ভুগছে ৮শ' শিক্ষার্থী।



চাঁদপুর ষোলঘর টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, এসএসসি, এইচএসসি ও ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ৮শ' ৬০ জন শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে। নিয়মানুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানে ৩২ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও এখানে কর্মরত আছেন ২০ জন শিক্ষক। ফলে ১২ জন কম শিক্ষক নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এ বিদ্যানিকেতনটি।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৬৯ সালে চাঁদপুর ষোলঘর টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রথমে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময়ে এটি স্কুল পর্যায়ে পাঠদান পরিচালনা করতো। ২০০৩ সাথে প্রতিষ্ঠানটিকে কলেজে উন্নীত করা হয়। প্রতিষ্ঠার এতো সময় পার হলেও প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত তেমন উন্নয়ন হয়নি। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীদের জন্যে এখন পর্যন্ত কোনো হোস্টেল তৈরি হয়নি।



নানা সমস্যা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল সন্তোষজনক। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতার কারণে প্রতিবছর এখান থেকে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করে থাকে। কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম এ বছর কলেজ পর্যায়ে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন। তাঁর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের যথাযথ পাঠদান করতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। এবার এসএসসিতে এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৮৪১৫
পুরোন সংখ্যা