চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২ অক্টোবর ২০১৮। ১৭ আশ্বিন ১৪২৫। ২১ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা


৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৪। তাদের নিকট তাওহীদের জ্ঞান আসার পরও শুধুমাত্র পারস্পরিক বাড়াবাড়ির কারণে তারা নিজেদের মধ্যে মতভেদ ঘটায়; এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত অবকাশ সম্পর্কে তোমার প্রতিপালকের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের বিষয়ে ফয়সালা হয়ে যেতো। তাদের পর যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়েছে তারা বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রয়েছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


নিজেকে কখনো অপরের চেয়ে ছোট মনে করো না। -জন কিপলিং।


 


 


পবিত্র হওয়াই ধর্মের অর্থ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
হাইমচরে দুটি সরকারি স্কুলে বই আছে শিক্ষক নেই
সুধীর বরণ মাঝি
০২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমার বই আছে শিক্ষক নাই, আমরা পড়তে চাই, আমাদের পর্যাপ্ত শিক্ষক চাই। এই কথাগুলো এক বাক্যে বলে দিলো হাইমচর সরকারি বালক ও হাইমচর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই দুটি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন পর্যন্ত শিক্ষক সংকট রয়েছে। বিদ্যালয় দুটিতে ৩ জন করে মোট ৬ জন শিক্ষক আছেন। কিন্তু শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক হাজারের উপরে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শ্রেণি শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমাজের সকল স্তরে। যথার্থ শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার ব্যবস্থা করতে না পারায় অভিভাবকরা বাল্যবিবাহের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। দেখা দিচ্ছে সামাজিক বিশৃঙ্খলা। একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। হাঁড়িতে চাল এবং জল আছে কিন্তু চুলায় আগুন নেই। তাহলে ওই হাঁড়িতে যেমন ভাত ফুটবে না; ঠিক তেমনি বই আছে, শিক্ষার্থী আছে কিন্তু পড়ানোর মতো কোনো শিক্ষক নেই, তাহলে সেই বইও শিক্ষার্থী শিক্ষা বিস্তারে এবং মেধা বিকাশে কোন প্রভাব ফেলবে না।



 



বই, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক এই তিনটি শিক্ষা বিস্তারে ও শিক্ষার উন্নয়নে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। শিক্ষা বিস্তারে ও শিক্ষার উন্নয়নে এর কোন একটি অনুপস্থিত থাকলে তা হবে সম্পূর্ণ অসার কার্যক্রম। অনেকটা অন্ধের হাতি দেখার মতন। হাইমচর সরকারি বালক ও হাইমচর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই আছে, শিক্ষার্থী আছে কিন্তু শিক্ষক নেই। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা শ্রেণি কার্যক্রম। আর শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষা অর্জন থেকে। শুধু শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছে তাই নয়, পিছিয়ে পড়ছে জাতীয় মেধা বিকাশও। এমনিতেই হাইমচর নদী সিকস্তি এবং পিছিয়ে পড়া জনপদ তার ওপর যদি শিক্ষা ক্ষেত্রে এই করুণ অবস্থা বিরাজ করে তাহলে হয়তো এটি জাতীয় উন্নয়ন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।



 



বিদ্যালয় দুটির বয়স প্রায় ৫০ বছর। এই ৫০ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিদ্যালয় দুটিতে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করায় অন্যান্য সমস্যাও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা থাকা সত্ত্বেও অযত্ন এবং সঠিক পরিচর্যার অভাবে তা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষক না থাকায় কোনো রকম জোড়াতালি দিয়ে চলছে স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম। এরকম জোড়াতালি দিয়ে আর যাই চলুক শিক্ষা কার্যক্রম চলতে পারে না। বিদ্যালয় দুটিকে বাঁচাতে হলে এবং শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে হলে বিদ্যালয় দুটি পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। বিদ্যালয় ২টি এলাকার গৌরব এবং ঐতিহ্যের অংশিদার। শিক্ষার্থী, অভিভবাক এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অবিলম্বে বিদ্যালয় দুটিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আশা করি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে অতিদ্রুত তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কর্তৃপক্ষের একটু সুনজরই বদলে দিতে পারে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫০৭৬৫
পুরোন সংখ্যা