চাঁদপুর, বুধবার ৮ মে ২০১৯, ২৫ বৈশাখ ১৪২৬, ২ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩। আমাদের মৃত্যু হইলে এবং আমরা মৃত্তিকায় পরিণত হইলে আমরা কি পুনরুত্থিত হইব? সুদূরপরাহত সেই প্রত্যাবর্তন।

৪। আমি তো জানি মৃত্তিকা ক্ষয় করে উহাদের কতটুকু এবং আমার নিকট আছে রক্ষিত কিতাব।


প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


যে শিক্ষিত ব্যক্তিকে সম্মান করে, সে আমাকে সম্মান করে।


ধারাবাহিক (শেষ পর্ব)
শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা ও করণীয়
গাজী সালাহ উদ্দিন
০৮ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিক্ষা ব্যবস্থায় অপরিকল্পিত অবকাঠামো আরেকটি বড় অন্তরায়। কদিন পর পর সিলেবাস, পাঠ পরিকল্পনা, কারিকুলাম ইত্যাদিতে পরিবর্তন আনলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত যে সমস্যা রয়েছে তা অন্তরালেই থেকে যাছে। প্রচলিত পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হলে বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা প্রয়োজন। সাধারণত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির কোটা নির্ধারণ না করে গণহারে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর কারনে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনমত শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শাখায় প্রায় ৮০-১০০ জন শিক্ষার্থীকে ক্লাস করতে হয়। মাত্র ১ জন শিক্ষক ৪০ মিনিটের একটি ঘণ্টায় ৮০-১০০ জন শিক্ষার্থীকে কী পড়াতে পারে, কতটুকু পড়াতে পারে তা অবশ্যই ভাববার দাবী রাখে। এমতাবস্থায় একজন শিক্ষক প্রতিজন শিক্ষার্থীর সাথে যদি একটি শব্দও বিনিময় করতে যায় তারপরও এটি সম্ভব নয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদেরকে পড়া দেয়া-নেয়া যদি সম্ভবপর না হয় তাহলে তা ফলপ্রসূ শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় পড়ে না। তাই এ সময়ের মধ্যে এতগুলো শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কী দিতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এটি রীতিমত একটি অব্যবস্থাপনার মধ্যেই পড়ে তা আমরা ধরে নিতে পারি।



 



তাছাড়া এতগুলো শিক্ষার্থীকে একটি ক্লাসরুমে বসানোর জন্য যে পরিমাণ বেঞ্চ প্রয়োজন ও স্থান প্রয়োজন তারও সংকট রয়েছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে ঠাসাঠাসি অবস্থায় বসে ক্লাস করতে হছে। ক্লাসরুমে স্থান সংকুলান না হওয়া সত্ত্ব্বেও দিনের পর দিন অনেক বিদ্যালয়ে এভাবেই ক্লাস পরিচালনা করতে হছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ চিত্র দেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ের। শিক্ষার গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এ অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান করা সময়ের দাবি। ৪০ মিনিটের একটি ঘণ্টায় কতজন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করা সম্ভব তার আলোকে ক্লাস শাখা করা, এ শিক্ষার্থীদের বসানোর জন্য প্রয়োজনমত বেঞ্চ সরবরাহ করা এবং স্বাস্থ্যসম্মত ক্লাসরুম নিশ্চিত করা এখন একান্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে একটি এলাকায় শিক্ষার্থী অনুসারে যদি আরো বিদ্যালয় স্থাপন করার প্রয়োজনও হয় তাও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে করতে হবে।



সমপ্রতি প্রাইভেট বা কোচিং-এর উপর দেশের সর্বোচ্চ বিচার বিভাগ থেকে একটি নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এ ব্যাপারেও বেশ কিছু অভিভাবকদের পক্ষে বিপক্ষে মতামত রয়েছে। কিছু অভিভাবকের মন্তব্য হছে ৫০০-১০০০ টাকায় কোচিং সেন্টার থেকে যতটুকুই পাওয়া যেতো এখন এ সিদ্ধান্ত বরং মধ্যবিত্তদের সংকটেই ফেলেছে। কোচিং সেন্টারের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করায় অভিভাবকদের এখন আরো কয়েকগুণ বেশি টাকায় শিক্ষক বাসায় নিয়ে প্রাইভেট পড়াতে হছে। এতে বিত্তশালীদের পক্ষে অর্থ জোগান দেয়া সমস্যা না হলেও মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য এটা সমস্যাই হয়েছে। আরেকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বাহিরের শিক্ষকরা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রাইভেট ও কোচিং করাতে পারবেন। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, কোনো বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন তারা সাধারণত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হন। কিন্তু ফ্রিল্যান্সার হিসাবে যারা কোচিং করাতে পারবেন উল্লেখ করা হয়েছে তাদের কতটুকু অভিজ্ঞতা আছে আর অভিভাবকরা তাদের কতটুকু গ্রহণ করবেন অথবা শিক্ষার্থীদের জন্য চাওয়া পাওয়ার কতটুকু অংশ এ ফ্রিল্যান্সার শিক্ষকরা পূরণ করতে পারবেন তাও দেখার বিষয়। তাই এত কিছুর একটাই সমাধান ক্লাসে শিক্ষার্থীদের যথোপযুক্ত পরিমাণে দেয়ার ব্যবস্থা করা। আর সেটি করতে হলেও ঘুরে ফিরে সেই অবকাঠামো, শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনুসারে শিক্ষক সেট করা, ৩০-৪০ জনের শাখা করে পাঠদান ইত্যাদির বিষয়গুলোকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এর পর শিক্ষার্থীদের বেসিক শক্তিশালী অথবা আরো বেশি কিছু আশা করলে অভিভাবক শিক্ষকদের নিকট প্রাইভেটের জন্য শরণাপন্ন হতে পারে সেটি ভিন্ন কথা। কিন্তু মূল কথা হছে মিনিমামটাই যেন কমপক্ষে বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা পায়।



 



এছাড়াও বাংলাদেশের প্রায় সব জেলায় বেশ কিছু প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আমি মনে করি, শিক্ষা ব্যবস্থায় এ প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কারণ শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশ এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। ভালো ফলাফলও অর্জন করছে। সচেতন অভিভাবকদের বেশিরভাগই তাদের ছেলে-মেয়েদের এসব প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে পড়াতেই সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এর কিছু কারণও রয়েছে। এ প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোটা সিস্টেমে শিক্ষার্থী নেয়া হয়। শিক্ষার্থী বেশি হলে ৩০-৪০ জন করে শাখা করে নেয়া হয়। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে একই পিরিয়ডে একের অধিক শিক্ষকও ক্লাস নিয়ে থাকেন। এ কারণে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলো অভিভাবকদের আস্থা পূরণে সক্ষম হয়েছে। যদিও স্বাবলম্বী অভিভাবকদের সন্তানদেরকেই এ সকল বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করাতে সক্ষম হন। তারপরও দেশের শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশের দায়িত্ব এ বিদ্যালয়গুলো নিয়েছেন। শিক্ষা ব্যবস্থাকে সহযোগিতা করছেন। এক্ষেত্রে ব্যক্তি উদ্যোগে আরো প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে প্রত্যেক এলাকার সামর্থ্যবানদের উৎসাহিত করা যেতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে যত দ্রুত সম্ভব এ অবকাঠামোগত সমস্যা দূরীকরণে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



 



দুই. শিক্ষা ব্যবস্থায় 'এ প্লাস' যত সর্বনাশ_এমনটাই মনে করেন এখন সচেতন মহলের অনেকেই। শিক্ষা ক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপগুলোতে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান 'এ প্লাস'কে অধিক গুরুত্ব দেয়ার কারণে অভিভাবকদের চাহিদার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে এটি। যদিও স্থান, কাল, পাত্র ভেদে প্রাপ্ত 'এ প্লাস' জিপিএ-৫ ধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও মেধায় মারাত্মক দুর্বলতা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধার ভীত মজবুত না হোক, যে কোনো মূল্যে এ প্লাস পেতে হবে এমন অভিভাবকের সংখ্যাও কম নয়। পরীক্ষায় 'এ প্লাস' পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের উপর অভিভাবকদের ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের একটি চাপ থাকে। যে কারণে মারাত্মক পড়ার চাপে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের। প্রাইভেট, বিদ্যালয়ের ক্লাস আবার প্রাইভেট_এভাবেই শিক্ষার্থীদের সারাদিনের সময় পার করতে হছে।



 



ভালো রেজাল্ট করার আশায় রাতে ঘুমানোর সময় ছাড়া পুরো সময়ই তাদের ব্যস্ত থাকতে হছে রীতিমত। এ যেন শিক্ষার্থীদের এক মহাযুদ্ধ। এর ফলে বেশ কিছু শিক্ষার্থী 'এ প্লাস' পায় ঠিকই কিন্তু তাদের জ্ঞানভা-ার যেভাবে পাকাপোক্ত হওয়ার কথা তা হছে না বর্তমান পদ্ধতিগত শিক্ষার কারনে। 'এ প্লাস' পাওয়া সত্ত্বেও বেসিক তৈরি হছে না শিক্ষার্থীদের। শিক্ষাব্যবস্থায় দৈন্যদশার জন্য গ্রেড সিস্টেমে ফল প্রকাশও অনেকটা দায়ি। বর্তমান সময়ে যারা এদেশের এমপি, মন্ত্রী, সচিব, ডিসি, ওসি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ সকল উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন তাদের কারো কোথাও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে তা বলার সুযোগ নেই। কিন্তু ইনারাই গ্রেড সিস্টেম, সৃজনশীল ইত্যাদি যতসব অভিনব শিক্ষা কারিকুলামের আগেই শিক্ষার ধাপ থেকে ১ম শ্রেণি, ২য় শ্রেণি, ৩য় শ্রেণি ইত্যাদি পাস নিয়ে বের হয়ে এসেছেন এবং বর্তমান দক্ষতার সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ কার্য সম্পাদন করে আসছেন। তাহলে এসকল পদ্ধতি পরিবর্তন করে কাদের কাছ থেকে ধার করা পদ্ধতি গ্রেড সিস্টেম, সৃজনশীল ইত্যাদি ক্রিটিকেল যত পড়ালেখার বোঝা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে তা আমাদের বোধগম্য হছে না। সৃজনশীল ও গ্রেড সিস্টেমের নামে বাস্তবে আমরা শিক্ষাকে কোন দিকে নিয়ে যাছি তা নাম মাত্র ও দেশের নীতি নির্ধারকরা ভাবছেন না। বর্তমানে 'এ প্লাস' (জিপিএ-৫) পাচ্ছে অথচ একটা ট্রান্সলেশন জিজ্ঞেস করলে বলতে পারছে না, সাধারণ জ্ঞানের একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছে না, ইংরেজি গ্রামারেও দূর্বলতা থেকে যাছে। এভাবে বেসিক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়া হছে। আমাদের সময়ের কথাই বলি, অধ্যায় শেষে অনুশীলনীর মধ্যে যে প্রশ্ন দেয়া থাকতো তা অধ্যায় থেকে পড়ে আন্ডারলাইন করে প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ার চেষ্টা করা হতো। এতে করে মেইন বইও পড়া হতো, প্রশ্নোত্তরও শেখা হতো। আর বইগুলোর অধ্যায়ে পড়ার ধারাবাহিকতা, এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে অনুশীলনীতে প্রশ্ন সংযোজনে চমৎকার একটি সমন্বয় ছিল। কিন্তু বর্তমানে সিলেবাস, মানবণ্টন, কারিকুলাম ইত্যাদি পরিবর্তন করতে করতে মূল জায়গা থেকেই পড়ালেখা সরিয়ে নেয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্রের সাথে উদ্দীপক, পাঠ্যবইয়ে সামঞ্জস্য অনেকটাই না থাকায় পাঠ্যবই থেকে দূরে সরে যাছে শিক্ষার্থীরা। সিলেবাস, পদ্ধতিগত সমস্যা, কারিকুলাম, গ্রেড সিস্টেম, অবকাঠামোগত সমস্যা, পড়ার ধরন হিসাবে শিক্ষা প্রদানের সমস্যা সবমিলিয়ে এ শিক্ষা ব্যবস্থায় দারুন সংকট চলছে বলা চলে। ভুক্তভোগী হছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা। এ সংকট দূরীকরণে প্রস্তাবনা :



 



১. শিক্ষা ব্যবস্থার পুরানো পদ্ধতি ফিরিয়ে দিয়ে পড়ালেখার ধরন অর্থাৎ সিলেবাস সহজ করা। ফেয়ার পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করা। ফলাফলে গ্রেডিং সিস্টেম বাতিল করা। অথবা সিলেবাসে পূরনো পদ্ধতি থেকে ৫০% এবং প্রচলিত পদ্ধতি থেকে ৫০% অন্তর্ভুক্ত করা। এক্ষেত্রেও গ্রেডিং সিস্টেম বাদ দিয়ে আগের পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশের ব্যবস্থা করা।



 



২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা। কোটা সিস্টেমে ক্লাস বণ্টন করা। যেমন ৪০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক বরাদ্দ করা।



 



৩. কারিকুলাম ঢেলে সাজানো। যেমন : বিদ্যালয়ের এবং শিক্ষকের পাশাপাশি অভিভাবকরাও যেন তার সন্তানদের পড়ালেখায় সহযোগিতা করতে পারে।



৪. প্রতি বছর বইয়ের কোন অধ্যায়ে অনুশীলনী পরিবর্তন না আনা, গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমানে প্রয়োজনে ৩ বছর পরপর বইয়ের পড়ালেখার পরিবর্তন আনা যেতে পারে।



৫. শিক্ষার্থীরা যেন পড়ে নিজেরাই পড়া বোঝে এবং পড়াটাকে বোঝা না মনে করে কিছুটা হলেও আনন্দ পায় সে ধরনের বই রচনা করতে হবে।



৬. অবসাদ নয় আনন্দের সহিত শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালাবে এটাই আমরা অভিভাবকদের পক্ষে আশা করি।



 



তাই শিক্ষা ব্যবস্থায় চিহ্নিত সমস্যাগুলো একটি সহজ সমাধান আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সবিনয়ে আশা করি।



 



লেখক : সাংবাদিক ও চারুশিল্পী।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮৬৩৪৪
পুরোন সংখ্যা