চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৪ জুন ২০১৯, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৯ রমজান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্


৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, 'এই বৃদ্ধা-বন্ধ্যার সন্তান হইবে?'


৩০। তাহারা বলিল, 'তোমার প্রতিপালক এই রূপই বলিয়াছেন; তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।


 


 


 


assets/data_files/web

খ্যাতিমান লোকের ভালোবাসা অনেক ক্ষেত্রে গোপন থাকে। -বেন জনসন।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে (অর্থাৎ মুসলমান বলে দাবি করে) সে ব্যক্তি যেনো তার প্রতিবেশীর কোনো প্রকার অনিষ্ট না করে।


 


ফটো গ্যালারি
সাক্ষাৎকার : মোহাম্মদ ওমর ফারুক
সুযোগ থাকলে অবশ্যই শৈশবের ঈদে ফিরে যেতাম
০৪ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মোহাম্মদ ওমর ফারুক পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। শিক্ষাঙ্গন বিভাগের পক্ষ থেকে ঈদ বিষয়ে কথা হয় তার সাথে। সাক্ষাৎকারটি আজ পাঠকের সামনে উপস্থাপিত হলো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : ছাত্রজীবনে আপনার ঈদ কেমন ছিল? ঈদে কী কী করতেন?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : ওই সময়ে নতুন জামা পেতাম। ঈদের সালামির জন্যে অপেক্ষা করতাম। ঈদের নামাজ পড়ে ঈদগাহ থেকে বিভিন্ন খেলনা কিনতাম। ঈদের দিন বিকেলেই নানার বাড়ি চলে যেতাম। সেখানের আনন্দই ছিলো অন্যরকম।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : সালামি পাওয়া ঈদ আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ। ঈদে কেমন সালামি পেতেন? বিশেষত কারা আপনাকে সালামি দিতো?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : বাবা, মা, মামারা সালামি দিতেন। ২ টাকা, ৫ টাকা করে সালামি পেতাম। আমার এক কাকা ব্যাংকে চাকুরি করতেন। তিনি সালামিতে দিতেন নতুন টাকা। নতুন টাকার গন্ধই ছিলো আলাদা। এক ঈদে ২শ' টাকার মতো সালামি পেতাম।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : চাঁদরাত নিয়ে বিশেষ কোন পরিকল্পনা কি থাকতো?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : অনেক পরিকল্পনা থাকতো। নতুন চাঁদ দেখার পর আমরা আতশবাজি ফোটাতাম। সবার সাথে হাতে মেহেদি দিতাম। চাঁদরাতের জন্যে চাঁদা তুলে বিশেষ খাবারের আয়োজন করতাম। তাছাড়া লুকিয়ে লুকিয়ে ঈদের জামা দেখতাম। কোনটা কখন পরবো ঠিক করতাম।



চাঁদপুর কণ্ঠ : শৈশব ও কৈশোরের ঈদ নিয়ে মজার কোনো স্মৃতি সম্পর্কে আমাদের বলুন।



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : মজার স্মৃতি না, কষ্টের স্মৃতি আছে। ১৯৯৩ সালের রোজার ঈদের রাতে আমার নানি মারা যান। স্বভাবতই নানি আমাদের অনেক স্নেহ করতেন। তাঁর মৃত্যুশোক আজও ভুলতে পারিনি।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : এখন আপনি প্রধান শিক্ষক। এখন ঈদের আনন্দ আপনার কাছে কেমন?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : ঈদের আনন্দ থেকে এখন দায়িত্ব বেশি। আগে সবাই আমাকে দিতো। এখন পরিবার, আত্মীয়স্বজন, স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে দিতে পারলেই আমার ভালো লাগে।



চাঁদপুর কণ্ঠ : বর্তমানে ঈদে কী কী করেন? আসছে ঈদ নিয়ে আপনার কী কী পরিকল্পনা রয়েছে?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : প্রতি বছর আত্মীয়স্বজন সবাইকে নতুন জামাকাপড় দেয়ার চেষ্টা করি। ঈদের দিন সকালে পৌর ঈদগাহে নামাজ আদায় করে সপরিবারে গ্রামের বাড়িতেই যাই। এ বছরও একই পরিকল্পনা রয়েছে।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : অতীত ও বর্তমানের ঈদ_দুটির মধ্যে কোনটি আপনার কাছে সেরা মনে হয়?



মোহাম্মদ ওমর ফারুক : শৈশবে ঈদই ছিলো সবচেয়ে ভালো। আন্তরিকতা ও নির্মল আনন্দ ছিলো। এখন দায়িত্বের কারণে উদ্বিগ্নতা থাকে। সুযোগ থাকলে তবে অবশ্যই শৈশবের ঈদে ফিরে যেতাম।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৭৫৪৮
পুরোন সংখ্যা