চাঁদপুর, বুধবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৬। ৩০ পৌষ ১৪২২। ২ রবিউস সানি ১৪৩৭

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২২-হাজ্জ

৭৮ আয়াত, ১০ রুকূ, মাদানী

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।



১/ হে মানুষ! ভয় কর তোমাদের প্রতিপালককে; কিয়ামতের প্রকম্পন এক ভয়ংকর ব্যাপার!

২/ যে দিন তোমরা উহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী বিস্মৃত হইবে তাহার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তাহার গর্ভপাত করিয়া ফেলিবে; মানুষকে দেখিবে নেশাগ্রস্ত সদৃশ, যদিও উহারা নেশাগ্রস্ত নহে। বস্তুত আল্লাহ্র শাস্তি কঠিন।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।

              -ইংরেজি প্রবাদ।       

                            

 



 


যে ধনী বিখ্যাত হওয়ার জন্য দান করে সে প্রথমে দোজখে প্রবেশ করবে।

                   -হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)

 


শিক্ষকের লেখা
শিক্ষা ও শিক্ষকতা
চিত্তরঞ্জন দেবনাথ
১৩ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

আমার ইচ্ছে ছিলো আমি কর্পোরেট চাকুরি করবো। কিন্তু পরীক্ষা দিতে দিতে এক সময় জামালপুর জেলা স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। পরে ১৪তম বিসিএসের মাধ্যমে বৃন্দাবন সরকারি কলেজে যোগ দেই। পরবর্তীতে এই কলেজ সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর যোগদান করি। এভাবেই শিক্ষকতা জগতে আসা। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম স্যার এ ক্ষেত্রে আমার অনুপ্রেরণা। আমার প্রথম দিনের কথা এখনো মনে আছে। প্রথম দিন ক্লাস নেয়ার কথাও। প্রথম ক্লাস নেয়ার অনুভূতি অনেক চমৎকার। যখন ডায়াসে দাঁড়ালাম তখন মনে হলো আমিও ছাত্র ছিলাম। এখন শিক্ষক হয়েছি। শিক্ষার্থীরা আমার কথা শুনবে। তবে চিন্তায় ছিলাম, শিক্ষার্থীরা আমাকে কেমনভাবে গ্রহণ করে তা নিয়ে...। একটা ঘটনার কথা বলি। আমি তখন গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে। সেখানে একদিন বিকেলে রাস্তায় হাঁটছিলাম। হঠাৎ স্মার্ট একটি ছেলে আমার পাঁ ছুয়ে সালাম করলো। আমি অবাক হলাম। কারণ তাকে আমি চিনি না। পরে সে বললো সে আমার প্রাক্তন ছাত্র। সেদিন বুঝলাম শিক্ষকতা জীবনে-এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর হতে পারে না।

অনেক বছর হলো শিক্ষকতার সাথে জড়িত আছি। আমার শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা বলে, ভালো ফলাফলের জন্য অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। তার সন্তান কলেজে যায় কিনা, পড়াশোনা করে কিনা, তা দেখতে হবে। অভিভাবকরা সুদৃষ্টি রাখলে কোনো শিক্ষার্থী বিপথে যাওয়া খুবই কঠিন। আবার শিক্ষার্থী শিক্ষক সম্পর্কটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ককে দু'দিক দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। একটা হচ্ছে বাহ্যিক, অন্যটা অভ্যন্তরীণ। বাহ্যিক আচরণের দিক দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক বন্ধুসুলভ হবে। অভ্যন্তরীণ আচরণে শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের যেমন স্নেহ করবেন, তেমনি ছাত্ররাও শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে। এছাড়াও পাঠদানের জন্য পরিবেশ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। পাঠদানের জন্য শিক্ষা পরিবেশ শুধুই গুরুত্বপূর্ণ নয়, সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণও বটে। কলেজ ক্লাসের সময় এমন কোনো কর্মকা- করা যাবে না যাতে শিক্ষার পরিবেশ বিঘি্নত হয়। আদর্শ পরিবেশেই ভালো পাঠদান সম্ভব। শুধু পড়াশোনা করাই যে ভালো মানুষ হওয়া তা নয়। ভালো মানুষ হতে হলে পড়াশোনাকে কাজে লাগাতে হবে। চর্চাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাও অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত খেলাধুলার চর্চা কমে গেছে বিধায়ই বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আচরণে অসঙ্গতি দিন দিন বাড়ছে। ফলে সময় এসেছে খেলাধুলার উপর বেশি গুরুত্ব দেবার। এতে জাতি হিসেবে আমরা সমৃদ্ধ হবো।

লেখক : বিভাগীয় প্রধান, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, চাঁসক।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪০৪৭
পুরোন সংখ্যা