চাঁদপুর। সোমবার ৯ জানুয়ারি ২০১৭। ২৬ পৌষ ১৪২৩। ১০ রবিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সরকারি কলেজের অনার্স পড়ুয়া দুই ছাত্রীসহ তিন জনকে আটক করেছে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ। হাজীগঞ্জে দুই কিশোর শিক্ষার্থীর উত্যক্তের কারণে হালিমা আক্তার (১৫) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। || হাজীগঞ্জে দুই কিশোর শিক্ষার্থীর উত্যক্তের কারণে হালিমা আক্তার (১৫) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৭৭। যখন শু ‘আয়ব উহাদিগকে বলিয়াছিলো, তোমরা কি সাবধান হইবে না?’


১৭৮। ‘আমি তোমাদের জন্যে এক বিশ্বস্ত রাসূল’।


১৭৯। ‘সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমার আনুগত্য করো’।     


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


পরিশ্রমী লোকের ঘুম শান্তিপূর্ণ হয়। 


                             -জর্জ হার্বাট। 

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।    


সুস্থ কিডনি স্বাভাবিক জীবন
হাকীম মোঃ বাকী বিল্লাহ
০৯ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



কিডনী আমাদের দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করার জন্য কিডনি সুস্থ থাকা চাই। মানব দেহে দু'টি কিডনি থাকে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রত্যেক কিডনীতে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে। এই নেফ্রনের কাজ হলো দেহের অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বের করে দেয়া ও প্রয়োজনীয় পদার্থ দেহে আটকে রাখা। আর এই নেফ্রনের কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাকে কিডনি রোগ বলা হয়। কিডনি রোগ হল একটি নীরব ঘাতক ব্যাধি। বাংলাদেশে শতকরা ১৮ ভাগ লোক কম-বেশি কিডনি রোগে আক্রান্ত। সুতরাং কিডনি রোগ সম্পর্কে সকলের সচেতন হওয়া উচিৎ।



আমাদের দেশে সাধারণ কিডনি রোগসমূহ :



মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ, নেফ্রাইটিস, নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম, কিডনীর পাথুরী রোগ, রেনাল ফেইলিওর ইত্যাদি।



কিডনি রোগের কারণসমূহ :



দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত থাকলে।



দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত থাকলে।



একাধিকবার মূত্রনালীর সংক্রমণ হলে।



কিডনির পলিসিস্টিক রোগ থাকলে।



মূত্রনালীতে কোনোরূপ বাধা বা অবরোধ থাকলে।



বংশগত কিডনি রোগ ইতিহাস থাকলে।



অতিরিক্ত ওজন ।



রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব ।



কিডনিতে পাথর থাকলে।



ধূমপান ও মাদক সেবন ।



ডায়ারিয়া হলে।



সাপে কামড়ালে।



শরীরের অতিরিক্ত অংশ পুড়ে গেলে।



হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে বা কোনো ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়া।



নিয়মিত ব্যাথানাশক ঔষধ সেবন করা ও অযথা এ্যান্টিবায়োটিক অথবা স্টেরয়েড খাওয়া।



কিডনি রোগের লক্ষণ :



নিম্নলিখিত কারণ দেখা দিলে তা কিডনি রোগের লক্ষণ বলে ধরে নেয়া যায়।



চোখের পাতা, পা, মুখ বা সমস্ত শরীর ফুলে যাওয়া।



প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া। প্রস্রাবের সাথে রক্ত অথবা প্রোটিন যাওয়া।



প্রস্রাবে জ্বালা পোড়া ও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।



তলপেটে অথবা কোমরে ব্যথা হওয়া।



কেঁপে কেঁপে জ্বর আসা।



উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তস্বল্পতায় ভোগা।



প্রস্রাবের সঙ্গে পাথর বের হয়ে আসা।



ক্ষুধা মন্দা ও বমি বমি ভাব হওয়া।



শরীর ক্রমান্বয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।



ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা।



শারীরিক দুর্বলতা ভাব।



চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া।



কারণ ছাড়াই শরীর চুলকানো।



কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীগণ লক্ষণবিহীন সুস্থ মানুষের মত চলাফেরা করে চলেছেন। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে নিম্নলিখিত নিয়মাবলী মেনে চলা একান্ত জরুরি।



মূত্রতন্ত্র সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা নেয়া।



ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ ও প্রস্রাবের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করা।



উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা।



ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীগণ প্রতি ছয়মাস অন্তর কিডনীর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।



শিশুদের গলাব্যাথা, জ্বর ও ত্বকে খোসপাঁচড়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া।



চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ঔষধ না খাওয়া



ডায়রিয়া ও বমি হলে সঙ্গে সঙ্গে খাবার স্যালাইন খাওয়া।



কিডনীতে পাথর হলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া।



মিষ্টি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার কম খাওয়া।



ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা।



প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় তাজা ও রঙিন শাক-সব্জি, ফল বেশি খাওয়া।



নিয়মিত দৈহিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম করা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।



 



লেখক পরিচিতি : ডি ইউ এম এস ঢাকা, মাও শিশু রোগে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লেকচারার, চাঁদপুর ইউনানি তিবি্বয়া কলেজ, চাঁদপুর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৯৩
পুরোন সংখ্যা