চাঁদপুর। সোমবার ৯ জানুয়ারি ২০১৭। ২৬ পৌষ ১৪২৩। ১০ রবিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৭৭। যখন শু ‘আয়ব উহাদিগকে বলিয়াছিলো, তোমরা কি সাবধান হইবে না?’


১৭৮। ‘আমি তোমাদের জন্যে এক বিশ্বস্ত রাসূল’।


১৭৯। ‘সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমার আনুগত্য করো’।     


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


পরিশ্রমী লোকের ঘুম শান্তিপূর্ণ হয়। 


                             -জর্জ হার্বাট। 

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।    


ফটো গ্যালারি
শীতে কোন সমস্যাগুলো বেশি বাড়ে?
০৯ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শীতে বিভিন্ন রোগব্যাধি বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে সচেতন থাকা জরুরি। এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডাঃ এমএ জলিল চৌধুরী। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ইউনিটপ্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।

প্রশ্ন : শীতে কিছু কিছু রোগ খুব বেড়ে যায়। এ সময় সাধারণত কোন কোন সমস্যা বাড়ে?

উত্তর : শীতে অনেক রোগ বাড়ে। যদিও শীত অনেকের জন্যে আনন্দের বিষয়। এই শীতে অনেকে নতুন নতুন জামাকাপড়, ভালো জামাকাপড় পরতে পারে, এটি যেমন ঠিক, তেমনি অনেকের জন্য শীত একটি দুর্বিষহ, কষ্টের বিষয়। শীতে কিছু অসুখ বাড়ে। একে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

সুস্থ-সবল যারা, তারাও কিন্তু শীতের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এরা একটি দল। আরেকটি দল হলো, যারা অন্য রোগে আক্রান্ত থাকে, তারা শীতের সময় আরো বেশি আক্রান্ত হতে পারে। এ দুটো দলই বেশি শীতে আক্রান্ত হয়।

এর মধ্যে প্রচলিত যে অসুখ শীতে হয়, এগুলো হলো সর্দি-কাশি-হাঁপানি। এগুলো বাড়তে পারে। এটি বিভিন্ন কারণে হয়। একটি ভাইরাস দিয়ে হয়। বিভিন্ন ভাইরাস এ সময় ঘোরাফেরা করে বলে মনে করা হয়। শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হতে পারে। শীতে কিছু কিছু ফুলের রেণু অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে। এর জন্য অসুখ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রধানত যেটি হয়-সর্দি-কাশি। দেখা গেছে সেখানে হাঁপানি অনেকের বেড়ে যায়। কারণ, দেখা গেছে শীতের শুরু ও শীতের শেষ এ সময় ভাইরাস দিয়ে মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়।

প্রশ্ন : ভাইরাস কি এ সময়ে বেশি অ্যাকটিভ (কর্মক্ষম) হয়ে যায়?

উত্তর : হ্যাঁ, হয়ে যায়। আরেকটি বিষয় হলো শীতে কেন সমস্যা বেশি হয়? তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য। হঠাৎ গরমের পর শীত শুরু হয়। এ জন্য ভাইরাসগুলো বেশি হচ্ছে। আবার আমাদের শরীরে এমন একটি প্রক্রিয়া আছে, যার কারণে বেশি হয়। তাপের তারতম্য যদি বেশি থাকে, তখনো কিন্তু শরীরের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ভিন্ন ধরনের হতে পারে। সে জন্য হাঁপানি বা এ ধরনের জিনিসগুলো বেড়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক নিউমোনিয়া। শিশু হোক, বৃদ্ধ বা প্রাপ্তবয়স বেড়ে যায়। তবে শিশু ও বৃদ্ধদেরও বেশি হয়। সর্দিতে তো হয়তো একটু নাক দিয়ে পানি পড়ল বা মাথাব্যথা হলো, হয়তো ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু নিউমোনিয়া হলো সবচেয়ে খারাপ। এটা সঠিক চিকিৎসা না হলে মৃত্যু অবধারিত।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৪২০৯
পুরোন সংখ্যা