চাঁদপুর। শুক্রবার ০৭ জুলাই ২০১৭। ২৩ আষাঢ় ১৪২৪। ১২ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭৬। কারূন ছিল মূসার সম্প্রদায়ভূক্ত, কিন্তু সে তাহাদের প্রতি ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিল। আমি তাহাকে দান করিয়াছিলাম এমন ধনভান্ডার যাহার চাবিগুলি বহন করা একদল বলবান লোকের পক্ষেও কষ্টসাধ্য ছিল। স্মরণ কর, তাহার সম্প্রদায় তাহাকে বলিয়াছিল, ‘দম্ভ করিও না, নিশ্চয় আল্লাহ্ দাম্ভিকদিগকে পছন্দ করেন না।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

মাটিকে ভালোবাসো, মাটি তোমাকে ভালোবাসবে।              -ইবনে আহম্মদ।



কবরের উপর বসিওনা এবং উহার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িও না।  


 

সূচনার চড়ুই বিকেল
সোহানুর রহমান অনন্ত
০৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বারান্দায় অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে সূচনা। মেঘ দেখছে। মা বলেছেন মেঘ কীভাবে সৃষ্টি হয়, তা একদিন বুঝিয়ে বলবেন। ঠিক সেই মুহূর্তে একটা চড়ুই পাখি বারান্দা দিয়ে এসে ঢুকে পড়ল। সূচনা ভালো করে তাকিয়ে দেখল। বারান্দার ওপরের অংশে একটা পাইপের মতো দেখা যাচ্ছে। সেখানে চড়ুই পাখির বাসা। এটা আবার কবে হলো? নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করে। মা টিভি দেখছিলেন। সূচনা গিয়ে বলল_ 'মা, আমরা তো এ বাসায় ভাড়া থাকি, তাই না? মা মাথা নেড়ে সায় দিলেন।

আমাদের তো অনেক টাকা ভাড়া দিতে হয়, তাই না?

হ্যাঁ, কেন মা?

তাহলে ওই চড়ুই পাখিগুলোর তো উচিত আমাদের সঙ্গে ভাড়া দেওয়া।

মা অবাক হয়ে বললেন_ কোন চড়ুই পাখি?

ওই যে বারান্দায় যে চড়ুই থাকছে।

মেয়ের কথায় হেসে ওঠে মা। ওরা তো আর মানুষ না মা, যে ভাড়া দেবে।

নাহ, মাকে বোঝানো সম্ভব নয়, সূচনা নিজে বারান্দায় ছুটে যায়। একটা ছোট মইয়ের মতো আছে সেটা দিয়ে ওপরে ওঠে। পাইপের কাছে মুখ নিয়ে বলে_ তোমরা কতদিন ধরে আছো? জলদি ভাড়া দাও। না দিলে এখানে থাকতে পারবে না। সূচনার কথায় চড়ুইগুলো ভয় পেয়ে গেল। তারা ছুটে পালাল। সূচনা দেখল, দুটো চড়ুই ছানা। ও আবার মায়ের কাছে ছুটে গেল। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল_ মা জানো, ওদের দুটো ছানাও আছে। ওরাও কি কিছুদিন পর আমার মতো স্কুলে যাবে?

মা হেসে খুন মেয়ের কথা শুনে। হ্যাঁ রে, যাবেই তো।

সূচনা আবার বারান্দায় ছুটে যায়। ছানাদের বলে_ তোমরা কি অ, আ বলতে পারো?

উত্তর না পেয়ে বলল_ বুঝেছি, পারো না। অবশ্য আমার মতো তো তোমাদের তো টিচার নেই। যা-ই হোক, আমিই তোমাদের পড়াব। তোমার আব্বুকে বলবে, তোমাকে খাতা-কলম কিনে দিতে।

মা মেয়ের কা- দেখে আর হাসে। সূচনা রোজ বিকেলে ছানাগুলো পড়ায়। এভাবে কিছুদিন কেটে যায়। ছানাগুলো বড় হয়। ততদিনে সূচনাও নতুন স্কুলে ভর্তি হয়। একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখে ছানাগুলো আর নেই। হঠাৎ ওর চোখ চলে যায় পাশের পেয়ারা গাছের দিকে। দেখে, ছানাগুলো মায়ের সঙ্গে এ ডাল থেকে ও ডালে উড়ে বেড়াচ্ছে। সূচনা অনেক ডাকল। কিন্তু শুনল না পাখিগুলো। এক সময় কোথায় যেন হারিয়ে গেল। সূচনা দাঁড়িয়ে রইলো একলা বারান্দায়। ওর চোখ দিয়ে তখন শেষ বিকেলের বৃষ্টি ঝড়ছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫২৭৮৭
পুরোন সংখ্যা