চাঁদপুর। শুক্রবার ৩ নভেম্বর ২০১৭। ১৯ কার্তিক ১৪২৪। ১৩ সফর ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের রুপসা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাঙ্গামা, ভোট গণনা স্থগিত || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকায় সড়কের পাশ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার।। ২০১৯ সালে দেশে লোডশেডিং থাকবে না--মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।  || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকার সড়কের পাশ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকার রাস্তার পাশ থেকে হিন্দু মহিলার লাশ উদ্ধার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান


৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬। হে বৎস! ক্ষুদ্র বস্তুটি যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় এবং উহা যদি থাকে শিলাগর্ভে অথবা আকাশে কিংবা মৃত্তিকার নিচে, আল্লাহ তাহাও উপস্থিত করিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সুক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত।


১৭। হে বৎস! সালাত কায়েম করিও, সৎ কর্মের নির্দেশ দিও আর অসৎ কর্মে নিষেধ করিও এবং আপদে-বিপদে ধৈর্য ধারণ করিও। ইহাই তো দৃঢ় সংকল্পের কাজ।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


একজন লোকের জ্ঞানের পরিধি তার অভিজ্ঞতা দ্বারা খন্ডায়িত করা যায় না।                


                                      -জনলক।


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গণ।


 

ফটো গ্যালারি
মীম নোশিন নাওয়াল খান-এর গল্প
আনা এবং ঋতুর বুড়িরা
০৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মেঘের রাজ্য থেকে আরও দূরে একটা ছোট্ট বাড়ি। বাড়ির চারপাশে বাগান, আছে একটা ছোট্ট কুয়া। বাগানের চারদিকের চার আবহাওয়া। একদিকে সারা বছর শীতকাল, একদিকে গ্রীষ্ম, আর দুদিকে বসন্ত ও শরৎ। আসলে এই বাড়িটা চার বোনের- গ্রীষ্ম, শরৎ, শীত ও বসন্তের। অনেক অনেকদিন ধরে তারা এখানেই বাস করছে।

এই চার বোন কবে থেকে এই বাড়িতে বাস করে সেকথা কেউ বলতে পারে না। আকাশের তারা, মেঘমালা, এমনকী চাঁদ মামা- সবাই নাকী চার বোনকে সেই শুরু থেকেই এরকম খুনখুনে বুড়ি দেখছে। আর সবচেয়ে বুড়ো যে সূর্য, সূর্যও বলে সে নাকী প্রথম থেকেই এই বোনদের দেখে আসছে। এদের মধ্যে কে বড়, কে ছোট- সেটা সূর্যও জানে না।

চার ঋতু বোনের মধ্যে ভারী ভাব। তারা সারাদিন একসাথে গল্প করে, মিলেমিশে রান্না করে, কুয়া থেকে পানি আনে। নিজেরাই শাক-সবজি ফলায় বাগানে। আছে ফুল-ফলের গাছও। বাগানে চারটা ঋতু একসঙ্গে থাকে বলে তারা সব ঋতুর আবহাওয়া, ফল-ফুল, সবজি সবসময়ই পায়।

পৃথিবীতে যে ঋতু পরিবর্তন হয়, এর পেছনেও আছে এই বুড়িদের ভূমিকা। ঋতু পরিবর্তন নিয়ম বেঁধে হয়। যখন শীতকাল আসার কথা, তখন শীতের বুড়ি তুষার-সাদা ভাল্লুকে টানা গাড়ি করে নেমে আসে পৃথিবীতে। ছিটিয়ে যায় কিছু শীতের পরশ। কিছুদিন থেকেও যায়। তারপর চলে যায়। কিন্তু রয়ে যায় তার ছড়িয়ে যাওয়া শীত।

শীতের পর বসন্ত ঋতুর আসার কথা। তাই নির্দিষ্ট সময়ে ফুলে সাজানো রথে করে বসন্ত বুড়ি পৃথিবীতে যায়, বসন্তের পরশ ছিটিয়ে চলে আসে।

বসন্তের পর আগুনের বাহনে আসে গ্রীষ্ম বুড়ি, তারপর মেঘের ভেলায় চড়ে শরৎ বুড়ি।

সব দেশে চারটা ঋতু থাকে না, আবার সব দেশে একই সঙ্গে একই ঋতুও থাকে না। তাই বুড়িদের একেক দেশে গিয়ে একেক ঋতু ছিটিয়ে আসতে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৩৯৮১
পুরোন সংখ্যা