চাঁদপুর। শুক্রবার ১৬ মার্চ ২০১৮। ২ চৈত্র ১৪২৪। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন


৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৯। চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায়।


৪০। সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের, প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


অন্যকে বারবার ক্ষমা করো, কিন্তু নিজেকে কখনই ক্ষমা করো না।


-সাইরাস।


 


 


মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া-ফ্যাসাদ করিও না, ওয়াদা ভঙ্গ করিও না।


 


 


ফটো গ্যালারি
বাচ্চার মেধা বিকাশ হোক আনন্দময়
রিয়াদুন্নবি শেখ
১৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাচ্চাদের নতুন কিছু শেখার প্রক্রিয়াটি হতে পারে দারুণ মজার ও আনন্দদায়ক, যদি শেখানোর প্রক্রিয়াটি হয় তাদের মতো করে। তাই কোনো কিছু জানা ও শেখার ব্যাপারটি হওয়া চাই সহজ ও মজার। বাচ্চারা নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে যদি তারা তাতে একবার মজা পেয়ে যায়। এ রকম কিছু কৌশলই তুলে ধরা হলো এবারের লেখায়।



 



বাচ্চাকে কল্পনাপ্রবণ করে তুলুন :



কোনো কিছু শেখার সহজতম উপায় হচ্ছে, যা কিছু শিখছে তা নিয়ে কল্পনা করতে পারা। তাই আপনার বাচ্চাকে বলুন, যেটা পড়লো সেটা যেন সে মস্তিষ্কে কল্পনা করে এবং বিস্তারিত আপনাকে বলে। দেখবেন সে খুব আগ্রহ নিয়ে দারুণ একটা পটভূমি তুলে ধরছে আপনার সামনে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে ভিজ্যুয়াল গেম, প্লে-কার্ড বা অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করতে পারেন।



 



আপনিও শিখুন সন্তানের কাছ থেকে :



বাচ্চাদের পড়াশোনার ব্যাপারে বাবা-মায়েদের 'কড়া শিক্ষক' না হওয়াই ভালো। বরং শেখানোর প্রক্রিয়ায় ওর সাথে স্বাচ্ছন্দ্য হোন। তাকে বলুন, সে নতুন যেটা শিখলো তা যেন আপনাকে শেখায়। এই ধরুন, কীভাবে যোগ-বিয়োগ করতে হয় বা বিজ্ঞানের কোনো একটা বিষয়। এটা তাকে তথ্য মনে রাখার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।



 



মজার গল্প তৈরি করুন :



শুরু করতে পারেন সাধারণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে করে। যেমন : সে যে আইসক্রিম খেয়েছিল তার রংটা ঠিক কী ছিল বা স্কুলে তার বন্ধুদের নাম মনে করা বা তার গত জন্মদিনে সে কী কী করেছিল তার বর্ণনা ইত্যাদি। এভাবে সে যখন প্রক্রিয়াটির সাথে মানিয়ে উঠবে তখন প্রশ্নগুলোকে পড়ালেখার সাথে সম্পর্কিত করুন।



 



পড়াশোনায় রঙের ব্যবহার ভালো :



বাচ্চাদের রঙের প্রতি থাকে দারুণ কৌতূহল। তাই পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো লাল-নীল-হলুদ বা অন্যান্য দৃষ্টি আকর্ষণ করে এমন রঙ দিয়ে দাগিয়ে পড়ানো যেতে পারে। তাকে বলতে পারেন যে, গুরুত্ব বুঝে সে নিজেই যেন নানারঙ করে পড়া মার্ক করে রাখে।



 



পাঠগুলো ছোট ছোট ভাগ করে পড়া :



বড় আর ছোটদের শেখার মাত্রা এক নয়। আপনার কাছে যেটা খুব সহজ আর দ্রুত শিক্ষণীয় মনে হচ্ছে বাচ্চাদের কাছে তা মনে নাও হতে পারে। তাই ধৈর্য ধরুন, সময় নিন। কোনো তথ্য বা পড়া শেখানোর সময় ছোট ছোট করে ভেঙে পড়ান। এটা অনেকটা খাবার ছোট ছোট লোকমায় খাওয়ার মতো। যত ছোট কামড়ে খাবে তত দ্রুত হজম হবে। এভাবে বাচ্চার পাঠ্য কবিতা, গল্প বা কোনো হোমওয়ার্ককে ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত করে পড়ায় উৎসাহিত করতে পারেন। এভাবে ছোট ছোট খণ্ডগুলোকে জোড়া লাগিয়ে বড় কোনো বিষয়কে সে সহজেই শিখতে ও মনে রাখতে পারবে।



 



বাস্তুবিক জিনিস শেখান :



আমাদের মস্তিষ্ক নতুন তথ্য সাধারণত স্বল্পস্থায়ী স্মৃতিতে রেখে দেয় এবং তা খুব কম সময়ের জন্যই আমাদের মনে থাকে। কিন্তু নতুন কিছুকে যদি আগে থেকে জানা বা শেখার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত করতে পারি তাহলে তা মনে থাকে বহুদিন। তাই বাচ্চাদের শেখানোর ক্ষেত্রে তার আগে থেকে অভিজ্ঞতা আছে এমন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত করুন। এভাবে বাচ্চারা নতুন কোনো তথ্য সহজে মনে রাখতে পারে।



 



 



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪১২৮৬
পুরোন সংখ্যা