চাঁদপুর। শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০১৮। ২৬ শ্রাবণ ১৪২৫। ২৭ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের চান্দ্রার খাড়খাদিয়ায় ট্রাক চাপায় সাইফুল ইসলাম (১২) নামের ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ও সদর উপজেলার দাসাদি এলাকায় পিকআপ ভ্যান চাপায় কৃষক ফেরদৌস খান নিহত,বিল্লাল নামে অপর এক কৃষক আহত হয়েছে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৪। ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আগমন করেছিলো, অতঃপর তোমরা তার আনীত বিষয়ে সন্দেহই পোষণ করতে। অবশেষে যখন সে মারা গেলো, তখন তোমরা বলতে শুরু করলে, আল্লাহ ইউসুফের পরে আর কাউকে রসূলরূপে পাঠাবেন না। এমনিভাবে আল্লাহ সীমালঙ্গনকারী, সংশয়ী ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করেন।

৩৫। যারা নিজেদের কাছে আগত কোনো দলিল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহঙ্কারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


উপন্যাস মানুষকে জীবন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

 -রবার্ট হেনরিক।


কাউকে অভিশাপ দেওয়া সত্যপরায়ণ ব্যক্তির উচিত নয়।



 


ফটো গ্যালারি
সিংহের গোপন আবাস!
১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ব্যাঙ একটা উভচর প্রাণী, এ কথা তো জানোই। জানো কি, ব্যাঙেরা শুধু পানিতেই ডিম পাড়ে; ডাঙায় না? আর পুচ্চি ব্যাঙগুলো যথেষ্ট বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত ডাঙায় একদমই ওঠে না!



ব্যাঙ কিন্তু তোমার-আমার মতো ঢক ঢক করে পানি গিলে খায় না। বরং ওরা ওদের ত্বকের সাহায্যে প্রয়োজনমতো পানি শুষে নেয়! অদ্ভুত না?



ছানাপোনা ব্যাঙগুলোকে দেখতে ব্যাঙের মতো নয়, বরং পোনা মাছের মতো লাগে!



সামনে-পেছনে-ডানে-বামে একবারে, একইসঙ্গে দেখতে পারে ব্যাঙ! ভাবছো, কী আজব চোখ? আরও আছে চমক! ব্যাঙ কখনোই চোখ বন্ধ করে না; এমনকি ঘুমোনোর সময়ও না!



কুকুর খেপে গেলে কামড়ায়। গরু মারে ঢুস। চাইলে গরুও কামড়াতে পারত। তবে পারে না। এই না পারার একটাই কারণ, গরুর ওপরের পাটিতে দাঁতই নেই।



গরুর একটা পাকস্থলী হলেও চারটা আলাদা হজম থলে আছে। সবচেয়ে বড় থলের নাম রুমেন। খাবার হজম হয় এই রুমেন থলে থেকেই। রেটিকুলাম থলেতে জমা হয় খেয়ে ফেলা শক্তপোক্ত জিনিস। ওমাসাম থলে ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। আর চতুর্থ থলে অ্যাবোমাসাম কাজ করে মানুষের পাকস্থলীর মতো।



দুধ নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে গরুর দুধের তাপমাত্রা থাকে ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট। কারণ গরুর গায়ের তাপমাত্রাই ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট।



ঘোড়া ছুটতে পারে টগবগিয়ে। যুদ্ধে গতি আনার জন্যে ব্যবহার করা হয় ঘোড়া। তবে এই ঘোড়াকে এনে যদি পানি-কাদায় ছেড়ে দাও তবে হেরে যাবে ঘোড়া। গরুর সঙ্গে কাদায় কুলিয়ে উঠতে পারবে না ঘোড়া। জোরে ছুট লাগাতে পারে গরুই।



সিংহ বনের রাজা হলেও তাদের নির্দিষ্ট কোন নির্দিষ্ট বাসা-বাড়ি নেই; যেখানে থেকে তারা জীবন কাটিয়ে দেবে।



গোপন বাসা থাকে সিংহের। যেই বাসা তারা অন্যদের বলে না। সেই বাসায় সব সময় থাকেও না। গোপন বাসায় কেবল তারা পালিয়ে থাকে। শত্রুর তাড়া খেয়ে তারা গোপন বাসায় আশ্রয় নেয়। গোপন বাসা কেউ দেখে ফেললে দ্রুত বাসা বদল করে। আরেকটা গোপন বাসা খুঁজে নেয়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭১৪১১৫
পুরোন সংখ্যা